ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

আমরণ অনশনে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, অসুস্থ বেড়ে ২০

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এতে এখন পর্যন্ত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই অনশন দুপুরে আমরণ অনশনে রূপ নেয়। এরপর সন্ধ্যা ৭টা থেকে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন।

রোববার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টা পর্যন্ত অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান, ওমর ফারুক, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান, সাদমান, আবু সাঈদ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মুইজ, মাইশা, নাফিদ, আজিজ, মিলন, ইসারুল, আলামিন, বাংলা বিভাগের শাকিল ও রিপনসহ অনেকে রয়েছেন। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অনেককেই স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মেরাজ বলেন, আজকের একনেক সভায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিপিপি অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আমরণ অনশন কর্মসূচি চলবে। এই অবস্থায় যদি আমাদের ভাই-বোনের কোনো রকম ক্ষতি হয়, তার সম্পূর্ণ দায়ভার বর্তমান সরকারকেই নিতে হবে।

উল্লেখ্য, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিপিপি অনুমোদনের দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। গত ২৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বয়কটের মধ্য দিয়ে তারা এই আন্দোলন শুরু করেন। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে নানা কর্মসূচি চলছে।

গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে যমুনা সেতু অবরোধ করে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল।

এর আগে, একই দাবিতে গত বুধবার রেলপথ অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন তারা। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ, মানববন্ধন, প্রতীকী ক্লাস ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবির প্রতি নজর কাড়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

আমরণ অনশনে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, অসুস্থ বেড়ে ২০

আপডেট সময় ০১:১১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এতে এখন পর্যন্ত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
গতকাল শনিবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই অনশন দুপুরে আমরণ অনশনে রূপ নেয়। এরপর সন্ধ্যা ৭টা থেকে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন।

রোববার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টা পর্যন্ত অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান, ওমর ফারুক, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান, সাদমান, আবু সাঈদ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মুইজ, মাইশা, নাফিদ, আজিজ, মিলন, ইসারুল, আলামিন, বাংলা বিভাগের শাকিল ও রিপনসহ অনেকে রয়েছেন। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অনেককেই স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মেরাজ বলেন, আজকের একনেক সভায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিপিপি অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আমরণ অনশন কর্মসূচি চলবে। এই অবস্থায় যদি আমাদের ভাই-বোনের কোনো রকম ক্ষতি হয়, তার সম্পূর্ণ দায়ভার বর্তমান সরকারকেই নিতে হবে।

উল্লেখ্য, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিপিপি অনুমোদনের দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। গত ২৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বয়কটের মধ্য দিয়ে তারা এই আন্দোলন শুরু করেন। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে নানা কর্মসূচি চলছে।

গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে যমুনা সেতু অবরোধ করে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল।

এর আগে, একই দাবিতে গত বুধবার রেলপথ অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন তারা। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ, মানববন্ধন, প্রতীকী ক্লাস ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবির প্রতি নজর কাড়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।