ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

কোটালীপাড়ার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র বিশ্বাসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন

গোপালগঞ্জের  কোটালীপাড়া থানার  সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ভূতের বাড়ী গ্রামের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র বিশ্বাস পিতা: প্রিয় লাল বিশ্বাস মাতা : মহারানী বিশ্বাসের ছেলে। জন্মগ্রহণ করেন  ১০ জুলাই ১৯৫৩ সালে।
তিনি নিজের জীবন বিপন্ন করে ও এদেশের মানুষকে শত্রুর হাত থেকে ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করেছেন যুদ্ধ করে। আজ সে নেই আমাদের মাঝে।
 গত ১৫ আগস্ট ২০২৫ ইং রোজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টা সময় নিজ বাড়ীতে বসে স্ট্রোক করে এবং তৎক্ষণিক কোটালীপাড়া উপজেলা ২৫০ শয্যবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয় ও সঙ্গে সঙ্গে তারা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিমল চন্দ্র বিশ্বাসে ওয়ারিশ সূত্রে তার এক মাত্র পুত্র রিপন বিশ্বাস ও দুই মেয়ে কে রেখে মহাকাল কেড়ে নেয়।
আজ ১৬ আগস্ট ২০২৫ ইং রোজ শনিবার সকাল ১১ টা দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র বিশ্বাসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো মাসুম বিল্লাহ ও কোটালীপাড়া থানার ইনচার্জ ( ওসি) হাফিজুর রহমান সহ প্রশাসনিক  কর্মকর্তা বিন্দুগণ মর্যাদা দেন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কোটালীপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস, মধুসুধন বিশ্বাস ( মন্টু), প্রভাত চন্দ্র রায়, নারায়ণ চন্দ্র বাগচী,নরেন্দ্রনাথ বাড়ৈ, মোজাসের হোসেন ঠাকুর, শেখ আব্দুল মান্নান, আবু কালাম আজাদ দাড়িয়া ও আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব।
এই শোক মানার মত না তবুও মেনে নিতে হয় ভূতের বাড়ী গ্রামের সকল মানুষ শোকাহত।
বিশেষ করে চার শরিকের অভিভাবক শূন্য হলাম।
সকলে মিলে পরিমল চন্দ্র  বিশ্বাসের বিদাই আত্মার  জন্য শান্তি কামনা ও প্রার্থনা করেন তিনি যেন বৈকণ্ঠে স্থান পান।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

কোটালীপাড়ার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র বিশ্বাসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন

আপডেট সময় ০১:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
গোপালগঞ্জের  কোটালীপাড়া থানার  সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ভূতের বাড়ী গ্রামের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র বিশ্বাস পিতা: প্রিয় লাল বিশ্বাস মাতা : মহারানী বিশ্বাসের ছেলে। জন্মগ্রহণ করেন  ১০ জুলাই ১৯৫৩ সালে।
তিনি নিজের জীবন বিপন্ন করে ও এদেশের মানুষকে শত্রুর হাত থেকে ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করেছেন যুদ্ধ করে। আজ সে নেই আমাদের মাঝে।
 গত ১৫ আগস্ট ২০২৫ ইং রোজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টা সময় নিজ বাড়ীতে বসে স্ট্রোক করে এবং তৎক্ষণিক কোটালীপাড়া উপজেলা ২৫০ শয্যবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয় ও সঙ্গে সঙ্গে তারা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিমল চন্দ্র বিশ্বাসে ওয়ারিশ সূত্রে তার এক মাত্র পুত্র রিপন বিশ্বাস ও দুই মেয়ে কে রেখে মহাকাল কেড়ে নেয়।
আজ ১৬ আগস্ট ২০২৫ ইং রোজ শনিবার সকাল ১১ টা দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র বিশ্বাসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো মাসুম বিল্লাহ ও কোটালীপাড়া থানার ইনচার্জ ( ওসি) হাফিজুর রহমান সহ প্রশাসনিক  কর্মকর্তা বিন্দুগণ মর্যাদা দেন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কোটালীপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস, মধুসুধন বিশ্বাস ( মন্টু), প্রভাত চন্দ্র রায়, নারায়ণ চন্দ্র বাগচী,নরেন্দ্রনাথ বাড়ৈ, মোজাসের হোসেন ঠাকুর, শেখ আব্দুল মান্নান, আবু কালাম আজাদ দাড়িয়া ও আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব।
এই শোক মানার মত না তবুও মেনে নিতে হয় ভূতের বাড়ী গ্রামের সকল মানুষ শোকাহত।
বিশেষ করে চার শরিকের অভিভাবক শূন্য হলাম।
সকলে মিলে পরিমল চন্দ্র  বিশ্বাসের বিদাই আত্মার  জন্য শান্তি কামনা ও প্রার্থনা করেন তিনি যেন বৈকণ্ঠে স্থান পান।