পাবনার চাটমোহরে পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীর হাত ধরে ‘লাপাত্তা হয়েছেন’ এক পুলিশ কর্মকর্তা। এ ঘটনায় উপজেলার সর্বত্র চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম শাকিল আহম্মেদ। তিনি চাটমোহর থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত। তিন সন্তানের জনক শাকিল আহমেদ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাসিন্দা।
জানা গেছে, কয়েক মাস আগে চাটমোহর থানায় একটি কাজে যাওয়ার সুবাদে এএসআই শাকিলের সঙ্গে পরিচয় হয় চাটমোহরের গুনাইগাছা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী শহিদুল ইসলামের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী মাসুরা খাতুনের। পরিচয়ের পর দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। দুজন জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়। কিছু দিন আগে মাসুরা খাতুন শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চাটমোহর থানার পেছনে চৌধুরীপাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নেন। সে বাসায় অবাধ যাতায়াত ছিল এএসআই শাকিলের।
গত মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় একটি আদালতে সাক্ষী দেওয়ার কথা বলে থানা থেকে বের হন শাকিল আহমেদ। তারপর থেকে মাসুরা খাতুনকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার শাকিল আহমেদের থানায় ফেরার কথা থাকলেও শুক্রবার (১৫ আগস্ট) পর্যন্ত তিনি থানায় ফেরেননি।
পুত্রবধূ নিখোঁজের পর মাসুরা খাতুনের শ্বশুর বজলুর রহমান বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে ছেলের বৌকে না পেয়ে এবং এএসআই শাকিলের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর চাটমোহর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) আরজুমা আকতার বিষয়টি আমরা জেনেছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। এএসআই শাকিল কেন থানায় উপস্থিত নেই সেটির প্রতিবেদন করা হবে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।
পাবনা প্রতিনিধি 























