ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

আন্দোলনে বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গোলচত্বরে এ ঘটনা ঘটে। আটক সরোয়ার হাওলাদার বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা। বক্তৃতা শেষে ভুলে মুখ ফসকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠকরা দাবি করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার দাবিতে তাদের চলমান আন্দোলন কর্মসূচিকে বিতর্কিত করতে ওই ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছে। উভয়পক্ষের অভিযোগ এবং দাবির বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির হোসেন সিকদার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার সাবেক আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ বলেন, তাদের আন্দোলন চলাকালে সরোয়ার হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি সংহতি প্রকাশ করতে আসেন। তিনি দাবি করেছেন, সে তার মাকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করিয়েছেন। সেখানেও তিনি চিকিৎসক-নার্সদের অবহেলা এবং হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ কারণে আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দিতে চান।

তিনি আরও বলেন, সরোয়ার নামের ব্যক্তিকে তার ক্ষোভ প্রকাশ করার জন্য বক্তব্য দিতে সুযোগ করে দেওয়া হয়। তিনি আন্দোলনের পক্ষে বক্তব্যের শেষে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। এ সময় উপস্থিত ছাত্র-জনতা ক্ষুব্ধ হয়। যাতে কোনো মব সৃষ্টি না হয় সে জন্য সরোয়ার হাওলাদারকে হেফাজতে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এ নেতা দাবি করেন, কিছুদিন ধরেই তাদের চলমান স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আন্দোলন বানচালের চেষ্টা করছে একটি সিন্ডিকেট। দুদিন আগে একটি দলের লোকজন আন্দোলনকারীদের ওপর হামলাও করেছে। এরপর আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ঘটনা ঘটল। আমাদের ধারণা, আন্দোলন বিতর্কিত করতেই ওই ব্যক্তি এ কাজ করেছেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির হোসেন সিকদার বলেন, সরোয়ার হাওলাদার নামের ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং তার বিষয়ে তদন্ত এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

আন্দোলনে বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

আপডেট সময় ০৭:১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গোলচত্বরে এ ঘটনা ঘটে। আটক সরোয়ার হাওলাদার বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা। বক্তৃতা শেষে ভুলে মুখ ফসকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠকরা দাবি করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার দাবিতে তাদের চলমান আন্দোলন কর্মসূচিকে বিতর্কিত করতে ওই ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছে। উভয়পক্ষের অভিযোগ এবং দাবির বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির হোসেন সিকদার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার সাবেক আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ বলেন, তাদের আন্দোলন চলাকালে সরোয়ার হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি সংহতি প্রকাশ করতে আসেন। তিনি দাবি করেছেন, সে তার মাকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করিয়েছেন। সেখানেও তিনি চিকিৎসক-নার্সদের অবহেলা এবং হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ কারণে আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দিতে চান।

তিনি আরও বলেন, সরোয়ার নামের ব্যক্তিকে তার ক্ষোভ প্রকাশ করার জন্য বক্তব্য দিতে সুযোগ করে দেওয়া হয়। তিনি আন্দোলনের পক্ষে বক্তব্যের শেষে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। এ সময় উপস্থিত ছাত্র-জনতা ক্ষুব্ধ হয়। যাতে কোনো মব সৃষ্টি না হয় সে জন্য সরোয়ার হাওলাদারকে হেফাজতে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এ নেতা দাবি করেন, কিছুদিন ধরেই তাদের চলমান স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার আন্দোলন বানচালের চেষ্টা করছে একটি সিন্ডিকেট। দুদিন আগে একটি দলের লোকজন আন্দোলনকারীদের ওপর হামলাও করেছে। এরপর আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ঘটনা ঘটল। আমাদের ধারণা, আন্দোলন বিতর্কিত করতেই ওই ব্যক্তি এ কাজ করেছেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির হোসেন সিকদার বলেন, সরোয়ার হাওলাদার নামের ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং তার বিষয়ে তদন্ত এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।