ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 
সাংবাদিক তুহিন হত্যা

দায় স্বীকার একজনের, রিমান্ড শেষে আসামিরা কারাগারে

গাজীপুরে বহুল আলোচিত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাত আসামির মধ্যে একজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ হাজির করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে কুমিল্লার হোমনা থানার অনন্তপুর এলাকার হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে মো. শাহজালাল (৩২) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দুলাল চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দায় স্বীকার একজনের, রিমান্ড শেষে আসামিরা কারাগারে

ওই তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, দুদিনের রিমান্ড শেষে দুপুরে কড়া পুলিশি প্রহরায় সাত আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে আসামি মো. শাহজালালকে ওই আদালতের বিচারক ওমর হায়দারের নিকট হাজির করা হলে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ওই সাত আসামিকে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় তারা তুহিন হত্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্য সমূহ যাচাই-বাছাই করা হবে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন ওই কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি হ্যানিট্রেপ ঘটনায় মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও চিত্র ধারণ করতে গেলে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যা করে মরদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে বাসন থানায় মামলা করেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

সাংবাদিক তুহিন হত্যা

দায় স্বীকার একজনের, রিমান্ড শেষে আসামিরা কারাগারে

আপডেট সময় ০৬:০৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুরে বহুল আলোচিত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাত আসামির মধ্যে একজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ হাজির করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে কুমিল্লার হোমনা থানার অনন্তপুর এলাকার হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে মো. শাহজালাল (৩২) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দুলাল চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দায় স্বীকার একজনের, রিমান্ড শেষে আসামিরা কারাগারে

ওই তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, দুদিনের রিমান্ড শেষে দুপুরে কড়া পুলিশি প্রহরায় সাত আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে আসামি মো. শাহজালালকে ওই আদালতের বিচারক ওমর হায়দারের নিকট হাজির করা হলে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ওই সাত আসামিকে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় তারা তুহিন হত্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্য সমূহ যাচাই-বাছাই করা হবে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন ওই কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি হ্যানিট্রেপ ঘটনায় মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও চিত্র ধারণ করতে গেলে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যা করে মরদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে বাসন থানায় মামলা করেন।