ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

সড়ক ছেড়েছে শিক্ষার্থীরা, সচল ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যান চলাচল

জেলা প্রতিনিধি
সড়ক ছেড়েছে শিক্ষার্থীরা, সচল ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যান চলাচল
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

রোববার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে ঢাকা-পাবনা, ঢাকা-রাজশাহী ও ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে তারা আন্দোলন শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেন। তবে মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনে ধীর গতি দেখা গেছে।

সড়ক ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া জিহাদ, আমরা ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে সড়ক ছেড়ে দিয়েছি। হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

অবরোধ চলাকালে উভয়মুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় যাত্রী ও পরিবহন চালকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। পরে অবরোধ প্রত্যাহারের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে যান চলাচল।

প্রতিষ্ঠার প্রায় নয় বছর পরও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ১২০০ শিক্ষার্থী, ৩৪ শিক্ষক, ৫৪ কর্মকর্তা ও ১০৭ কর্মচারী নিয়ে বাংলা, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি, সঙ্গীত ও ব্যবস্থাপনা- এই পাঁচটি বিভাগে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে। নিজস্ব জমিতে ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রকল্প প্রস্তাব পাঠালেও তা এখনও অনুমোদন পায়নি।

২০২৫ সালে ১০০ একর জমিতে ৫১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যা একনেকের নীতিগত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, দ্রুত অনুমোদন ও কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যাবেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

সড়ক ছেড়েছে শিক্ষার্থীরা, সচল ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যান চলাচল

আপডেট সময় ০১:৩২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

জেলা প্রতিনিধি
সড়ক ছেড়েছে শিক্ষার্থীরা, সচল ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যান চলাচল
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

রোববার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে ঢাকা-পাবনা, ঢাকা-রাজশাহী ও ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে তারা আন্দোলন শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেন। তবে মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনে ধীর গতি দেখা গেছে।

সড়ক ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া জিহাদ, আমরা ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে সড়ক ছেড়ে দিয়েছি। হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

অবরোধ চলাকালে উভয়মুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় যাত্রী ও পরিবহন চালকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। পরে অবরোধ প্রত্যাহারের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে যান চলাচল।

প্রতিষ্ঠার প্রায় নয় বছর পরও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ১২০০ শিক্ষার্থী, ৩৪ শিক্ষক, ৫৪ কর্মকর্তা ও ১০৭ কর্মচারী নিয়ে বাংলা, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি, সঙ্গীত ও ব্যবস্থাপনা- এই পাঁচটি বিভাগে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে। নিজস্ব জমিতে ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রকল্প প্রস্তাব পাঠালেও তা এখনও অনুমোদন পায়নি।

২০২৫ সালে ১০০ একর জমিতে ৫১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যা একনেকের নীতিগত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, দ্রুত অনুমোদন ও কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যাবেন।