ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

লালমনিরহাটে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে “আমার চোখে জুলাই বিপ্লব”

“আমার চোখে জুলাই বিপ্লব” শিরোনামে সারা বাংলাদেশে জেলা পরিষদের উদ্যোগে যে প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, তার মধ্যে লালমনিরহাট জেলা অন্যতম। এই জেলার আয়োজনটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শিক্ষার্থীরা। তারা আইডিয়া সাবমিট করে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে এবং এরই ধারাবাহিকতায় পুরো আয়োজনের দায়িত্ব পান।
লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলা—আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও লালমনিরহাট সদর—এ একযোগে আয়োজন করা হয় রচনা, চিত্রাঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। প্রতিটি উপজেলার অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে অংশগ্রহণ করে।
শুধু প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে আয়োজকেরা নির্মাণ করেন একটি ডকুমেন্টারি। যেখানে শহীদদের পরিবার, জীবনকথা ও আত্মত্যাগের বর্ণনা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজকরা সরাসরি কবরস্থানে গিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন।
১ ও ২ আগস্ট দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় কলেজ পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, যার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় ৫ আগস্ট কালেক্টরেট মাঠে। সেখানে অংশগ্রহণ করে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, লালমনিরহাট এবং সরকারি জসমুদ্দিন কাজী আব্দুল গণি কলেজ। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ।
এদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় নাটক ও মনোজ্ঞ কনসার্ট, যা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলেন আয়োজকদের পাশাপাশি লালমনিরহাট জেলার সাধারণ মানুষ।
আয়োজক হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন—
মোঃ খোকন ইসলাম (পরিসংখ্যান বিভাগ) শাহিনুর আলম (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ) সায়মাতুজ্জাহান মুন (পরিসংখ্যান বিভাগ)
এছাড়াও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক স্বেচ্ছাসেবক এই আয়োজনে সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং প্রত্যেকটি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন।
সকল অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। আয়োজকেরা জানান, এই আয়োজন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ, গণআন্দোলন ও শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস সম্পর্কে জানার একটি বাস্তবমুখী উদ্যোগ।
এই বৃহৎ আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করার জন্য আয়োজকেরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন লালমনিরহাট জেলার প্রতিটি মানুষ, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

লালমনিরহাটে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে “আমার চোখে জুলাই বিপ্লব”

আপডেট সময় ১২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
“আমার চোখে জুলাই বিপ্লব” শিরোনামে সারা বাংলাদেশে জেলা পরিষদের উদ্যোগে যে প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, তার মধ্যে লালমনিরহাট জেলা অন্যতম। এই জেলার আয়োজনটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শিক্ষার্থীরা। তারা আইডিয়া সাবমিট করে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে এবং এরই ধারাবাহিকতায় পুরো আয়োজনের দায়িত্ব পান।
লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলা—আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও লালমনিরহাট সদর—এ একযোগে আয়োজন করা হয় রচনা, চিত্রাঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। প্রতিটি উপজেলার অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে অংশগ্রহণ করে।
শুধু প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে আয়োজকেরা নির্মাণ করেন একটি ডকুমেন্টারি। যেখানে শহীদদের পরিবার, জীবনকথা ও আত্মত্যাগের বর্ণনা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজকরা সরাসরি কবরস্থানে গিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন।
১ ও ২ আগস্ট দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় কলেজ পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, যার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় ৫ আগস্ট কালেক্টরেট মাঠে। সেখানে অংশগ্রহণ করে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, লালমনিরহাট এবং সরকারি জসমুদ্দিন কাজী আব্দুল গণি কলেজ। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ।
এদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় নাটক ও মনোজ্ঞ কনসার্ট, যা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলেন আয়োজকদের পাশাপাশি লালমনিরহাট জেলার সাধারণ মানুষ।
আয়োজক হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন—
মোঃ খোকন ইসলাম (পরিসংখ্যান বিভাগ) শাহিনুর আলম (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ) সায়মাতুজ্জাহান মুন (পরিসংখ্যান বিভাগ)
এছাড়াও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক স্বেচ্ছাসেবক এই আয়োজনে সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং প্রত্যেকটি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন।
সকল অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। আয়োজকেরা জানান, এই আয়োজন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ, গণআন্দোলন ও শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস সম্পর্কে জানার একটি বাস্তবমুখী উদ্যোগ।
এই বৃহৎ আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করার জন্য আয়োজকেরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন লালমনিরহাট জেলার প্রতিটি মানুষ, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি।