ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

রাজধানীতে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ২

ক্রিপ্টোকারেন্সি (ডিজিটাল বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা) এক্সচেঞ্জ প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সের মাধ্যমে প্রতারণামূলকভাবে ডলার কেনার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকার জাল নোট, ২২ হাজার টাকা নগদ এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

রাজধানীর গুলশান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আরও দুজন পলাতক রয়েছেন। গ্রেফতার দুজন হলেন রুবেল আহম্মেদ (৩৮) ও তাপস বাড়ৈ (৩০)। এই চারজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গুলশান থানায় মামলা হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, গতকাল মঙ্গলবার গুলশান থানা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, গুলশান-২ এলাকায় কয়েক ব্যক্তি বিন্যান্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ডলার কিনতে জাল টাকাসহ অবস্থান করছেন। এই খবরের ভিত্তিতে গুলশান থানার একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালিয়ে রুবেল আহম্মেদকে ২৬ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল জব্দ করা হয়।
পরে রুবেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে গুলশানের একটি আবাসিক হোটেল থেকে আরও ৮৯ লাখ ৮২ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। ওই হোটেল থেকে এই চক্রের এক সদস্য তাপস বাড়ৈকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ১৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া তাদের কাছ থেকে নগদ ২২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গুলশান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ চক্রের সদস্যরা ডলার ভাঙানোর কথা বলে জাল নোট দিয়ে দিতেন। তারা ১০ লাখ টাকার মধ্যে মাত্র দুটি আসল নোট দিতেন। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তাদের গ্রেফতারের পর অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ নিয়ে আসছেন বলেও জানান গুলশান থানার ওসি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

রাজধানীতে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ১২:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

ক্রিপ্টোকারেন্সি (ডিজিটাল বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা) এক্সচেঞ্জ প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সের মাধ্যমে প্রতারণামূলকভাবে ডলার কেনার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকার জাল নোট, ২২ হাজার টাকা নগদ এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

রাজধানীর গুলশান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আরও দুজন পলাতক রয়েছেন। গ্রেফতার দুজন হলেন রুবেল আহম্মেদ (৩৮) ও তাপস বাড়ৈ (৩০)। এই চারজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গুলশান থানায় মামলা হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, গতকাল মঙ্গলবার গুলশান থানা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, গুলশান-২ এলাকায় কয়েক ব্যক্তি বিন্যান্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ডলার কিনতে জাল টাকাসহ অবস্থান করছেন। এই খবরের ভিত্তিতে গুলশান থানার একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালিয়ে রুবেল আহম্মেদকে ২৬ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল জব্দ করা হয়।
পরে রুবেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে গুলশানের একটি আবাসিক হোটেল থেকে আরও ৮৯ লাখ ৮২ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। ওই হোটেল থেকে এই চক্রের এক সদস্য তাপস বাড়ৈকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ১৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া তাদের কাছ থেকে নগদ ২২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গুলশান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ চক্রের সদস্যরা ডলার ভাঙানোর কথা বলে জাল নোট দিয়ে দিতেন। তারা ১০ লাখ টাকার মধ্যে মাত্র দুটি আসল নোট দিতেন। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তাদের গ্রেফতারের পর অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ নিয়ে আসছেন বলেও জানান গুলশান থানার ওসি।