ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের ছড়াছড়ি, হাজার কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ ৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর

ফেনীতে বারবার বাঁধ ভেঙে বন্যা, পানি উন্নয়ন বোর্ডে দুদকের অভিযান

  • ফেনি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০১:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬১৯ বার পড়া হয়েছে

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডে (পাউবো) নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করছেন। এতে নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা পাউবোর বিভিন্ন প্রকল্প ও লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহের কাজ করছেন।

জানা গেছে, মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে প্রতি বছরের ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ফেনী জনপদের লাখো মানুষ। গত বছরের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার বছর না পেরোতে এবারও দুই দফায় বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে লোকালয়। ২৪-এর ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৯ জন। এছাড়া বন্যায় সড়ক যোগাযোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মোটরযান, ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রায় প্রত্যেক খাতেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় শত কোটি টাকা। এবারের বন্যায়ও বিভিন্ন খাতে ক্ষতি হয়েছে ২৩৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বাঁধ সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়সারা কাজ এবং অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে এমন দুর্ভোগের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। সর্বশেষ গত ২৩ জুলাই বিভিন্ন দাবিতে ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ড অভিমুখে পদযাত্রা করেন ফেনীর নাগরিক সমাজ।

দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দিতে বলা হয়েছে। তারপর আমরা পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন ভাঙন এলাকায় রওনা হয়েছি। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের ছড়াছড়ি, হাজার কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ

ফেনীতে বারবার বাঁধ ভেঙে বন্যা, পানি উন্নয়ন বোর্ডে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় ০১:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডে (পাউবো) নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করছেন। এতে নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা পাউবোর বিভিন্ন প্রকল্প ও লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহের কাজ করছেন।

জানা গেছে, মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে প্রতি বছরের ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ফেনী জনপদের লাখো মানুষ। গত বছরের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার বছর না পেরোতে এবারও দুই দফায় বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে লোকালয়। ২৪-এর ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৯ জন। এছাড়া বন্যায় সড়ক যোগাযোগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মোটরযান, ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রায় প্রত্যেক খাতেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় শত কোটি টাকা। এবারের বন্যায়ও বিভিন্ন খাতে ক্ষতি হয়েছে ২৩৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বাঁধ সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়সারা কাজ এবং অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে এমন দুর্ভোগের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। সর্বশেষ গত ২৩ জুলাই বিভিন্ন দাবিতে ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ড অভিমুখে পদযাত্রা করেন ফেনীর নাগরিক সমাজ।

দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দিতে বলা হয়েছে। তারপর আমরা পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন ভাঙন এলাকায় রওনা হয়েছি। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।