ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত

অবৈধ নকশায় ভবন নির্মাণে রাজউকে লিখিত অভিযোগ, স্থানীয়দের উদ্বেগ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর নীতিমালা লঙ্ঘন করে অবৈধ নকশায় ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ভবন মালিক গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে। রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী ফাল্গুনী চেক মোড়ে কে – ব্লক ৮৪ নম্বর হোল্ডিং ৭ তলা ভবন । ভবন মালিক নকশা ছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মাণ করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজউক একাধিকবার পরিদর্শন করলেও অদৃশ্য কারণে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাজউক এর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা।ভবন মালিক ইমারত নির্মাণ বিধিমালা উপেক্ষা করে অবৈধ ভবন নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছেন। স্থানীয়দের নিষেধ অমান্য করলে গত ৯ এপ্রিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত ও জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ পরিবেশ পরিক্রমা মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটির মহাসচিব আবু তাহের পাটোয়ারী। এ অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক জোন-৬ এর ইমারত পরিদর্শক সুমন আহমেদ।
অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের ঝুঁকি
খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ বনশ্রী এ ভবনটি নকশাবিহীন ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে। ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২-এর সংশোধনী এবং এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী নির্মাণাধীন ভবনে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক এর অনুমোদিত নকশা সাইটে সংরক্ষণ করার বিধান থাকলেও গণমাধ্যমের নজরে আসেনি এবং বিলবোর্ডে নির্মাণ কাজ শুরুর তারিখ রাজউক এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহিত করার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। অন্যদিকে
ভবন নির্মাণ আইনে কমপক্ষে ৪০ ভাগ জমি খালি রাখা বাধ্যতামূলক। তবে ভবন মালিক এই নিয়ম মানছেন না। উল্টো দ্বিতীয় তলায় বেলকুনি বাড়িয়ে সড়কের জমি অধিগ্রহণ করছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ভবন নির্মাণে বাড়ির নকশা, ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন, ওয়াসার লাইন,তিতাস গ্যাসের সংযোগসহ নানা ধরনের অনিয়ম রয়েছে। পার্কিং পয়েন্টে স্টেশনারী দোকান,প্রাইম ব্যাংকের এজেন্ট অফিস ছাড়াও একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়া দিয়েছেন ভবন মালিক। বাড়ির সীমানা প্রাচীর সড়কের ভেতর জমি অধিগ্রহণ করছেন যা জনস্বার্থে আইনের পরিপন্থী। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ভবন নির্মাণে বাড়ির মালিক নিজে ইঞ্জিনিয়ার সেজে ভবন নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছেমত ভবন নির্মাণ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ।
রাজউকের তৎপরতা ও আইন লঙ্ঘন
রাজউক সূত্রে জানা যায়, ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মৌখিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে ভবন মালিক কোন জবাব দিচ্ছেন না এবং নির্মাণকাজ শেষ করে বসবাস করছেন। ভবন মালিক আওয়ামী লীগের একজন দাপুটে ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বে রাজউকের মৌখিক আদেশ অবজ্ঞা করে আইন লঙ্ঘন করছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রাজউক বরাবর লিখিত অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের প্রতিবাদ ও উদ্বেগ
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা গণমাধ্যমকে জানান, নকশাবিহীন এই ভবনে বসবাসকারী এবং আশেপাশের বাসিন্দাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। পাশের ভবনের আরেক মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রাজউক একাধিকবার পরিদর্শনে আসলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।ভবন মালিক গোলাম মাওলা নিজেকে দাপুটে ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। সড়কের জমি অধিগ্রহণ করে ভবন নির্মাণ করা হলে এতে এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনাসহ যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে যা স্থানীয়দের জন্য অশনি সংকেত।”
ভবন মালিকের বক্তব্য
এসব অনিয়মের বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বাড়ি সঠিক নিয়মে নির্মাণ করেছি। আপনারা প্রয়োজন মনে করলে ঘটনা স্থলে এসে দেখেন।রাজউক এর ইমারত পরিদর্শক সুমন আহমেদ পরিদর্শন করেছেন। তাঁর নিকট জানতে পারবেন। নকশা ছিল রাজউকে জমা দিয়েছি। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন।
এছাড়াও ভবন মালিক সাংবাদিকদের নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করেন।
স্থানীয়দের দাবি
স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, অবিলম্বে এই অবৈধ নির্মাণাধীন ভবনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নইলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা শত শত মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলবে।
পার্কিং পয়েন্টের শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজউক এবং ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট রাজধানীতে আগুনের ভয়াবহতা রোধে কাজ করলেও দক্ষিণ বনশ্রী গোলাম মাওলার অনিয়মের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযান চোখে পড়েনি। এতে অসাধু ভবন মালিক আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে কমার্শিয়াল জোনে পরিণত করে বসবাস কারীদের ঝুঁকিতে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতিতে রাজউকের কঠোর পদক্ষেপ ও দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু

অবৈধ নকশায় ভবন নির্মাণে রাজউকে লিখিত অভিযোগ, স্থানীয়দের উদ্বেগ

আপডেট সময় ১০:০৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর নীতিমালা লঙ্ঘন করে অবৈধ নকশায় ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ভবন মালিক গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে। রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী ফাল্গুনী চেক মোড়ে কে – ব্লক ৮৪ নম্বর হোল্ডিং ৭ তলা ভবন । ভবন মালিক নকশা ছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মাণ করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজউক একাধিকবার পরিদর্শন করলেও অদৃশ্য কারণে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাজউক এর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা।ভবন মালিক ইমারত নির্মাণ বিধিমালা উপেক্ষা করে অবৈধ ভবন নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছেন। স্থানীয়দের নিষেধ অমান্য করলে গত ৯ এপ্রিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত ও জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ পরিবেশ পরিক্রমা মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটির মহাসচিব আবু তাহের পাটোয়ারী। এ অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক জোন-৬ এর ইমারত পরিদর্শক সুমন আহমেদ।
অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের ঝুঁকি
খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ বনশ্রী এ ভবনটি নকশাবিহীন ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে। ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২-এর সংশোধনী এবং এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী নির্মাণাধীন ভবনে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক এর অনুমোদিত নকশা সাইটে সংরক্ষণ করার বিধান থাকলেও গণমাধ্যমের নজরে আসেনি এবং বিলবোর্ডে নির্মাণ কাজ শুরুর তারিখ রাজউক এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহিত করার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। অন্যদিকে
ভবন নির্মাণ আইনে কমপক্ষে ৪০ ভাগ জমি খালি রাখা বাধ্যতামূলক। তবে ভবন মালিক এই নিয়ম মানছেন না। উল্টো দ্বিতীয় তলায় বেলকুনি বাড়িয়ে সড়কের জমি অধিগ্রহণ করছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ ভবন নির্মাণে বাড়ির নকশা, ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন, ওয়াসার লাইন,তিতাস গ্যাসের সংযোগসহ নানা ধরনের অনিয়ম রয়েছে। পার্কিং পয়েন্টে স্টেশনারী দোকান,প্রাইম ব্যাংকের এজেন্ট অফিস ছাড়াও একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়া দিয়েছেন ভবন মালিক। বাড়ির সীমানা প্রাচীর সড়কের ভেতর জমি অধিগ্রহণ করছেন যা জনস্বার্থে আইনের পরিপন্থী। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ভবন নির্মাণে বাড়ির মালিক নিজে ইঞ্জিনিয়ার সেজে ভবন নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছেমত ভবন নির্মাণ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ।
রাজউকের তৎপরতা ও আইন লঙ্ঘন
রাজউক সূত্রে জানা যায়, ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মৌখিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে ভবন মালিক কোন জবাব দিচ্ছেন না এবং নির্মাণকাজ শেষ করে বসবাস করছেন। ভবন মালিক আওয়ামী লীগের একজন দাপুটে ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বে রাজউকের মৌখিক আদেশ অবজ্ঞা করে আইন লঙ্ঘন করছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রাজউক বরাবর লিখিত অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের প্রতিবাদ ও উদ্বেগ
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা গণমাধ্যমকে জানান, নকশাবিহীন এই ভবনে বসবাসকারী এবং আশেপাশের বাসিন্দাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। পাশের ভবনের আরেক মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রাজউক একাধিকবার পরিদর্শনে আসলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।ভবন মালিক গোলাম মাওলা নিজেকে দাপুটে ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। সড়কের জমি অধিগ্রহণ করে ভবন নির্মাণ করা হলে এতে এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনাসহ যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে যা স্থানীয়দের জন্য অশনি সংকেত।”
ভবন মালিকের বক্তব্য
এসব অনিয়মের বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমার বাড়ি সঠিক নিয়মে নির্মাণ করেছি। আপনারা প্রয়োজন মনে করলে ঘটনা স্থলে এসে দেখেন।রাজউক এর ইমারত পরিদর্শক সুমন আহমেদ পরিদর্শন করেছেন। তাঁর নিকট জানতে পারবেন। নকশা ছিল রাজউকে জমা দিয়েছি। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন।
এছাড়াও ভবন মালিক সাংবাদিকদের নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করেন।
স্থানীয়দের দাবি
স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, অবিলম্বে এই অবৈধ নির্মাণাধীন ভবনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নইলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যা শত শত মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলবে।
পার্কিং পয়েন্টের শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজউক এবং ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট রাজধানীতে আগুনের ভয়াবহতা রোধে কাজ করলেও দক্ষিণ বনশ্রী গোলাম মাওলার অনিয়মের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযান চোখে পড়েনি। এতে অসাধু ভবন মালিক আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে কমার্শিয়াল জোনে পরিণত করে বসবাস কারীদের ঝুঁকিতে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতিতে রাজউকের কঠোর পদক্ষেপ ও দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।