সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

জাকের সুপার মার্কেটে তাজুর রমরমা চাঁদাবাজি :প্রশাসনের নেই তৎপরতা

কর্পোরেশনের আওতাধীন জাকের সুপার মার্কেট-এ দীর্ঘদিন ধরে তাজু নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, দখলদারি ও অবৈধ বাণিজ্য চালানোর অভিযোগ উঠেছে। মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতা এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই গ্যাং।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাজু মার্কেটের ছাদে অবৈধভাবে প্রায় ২০টি দোকান নির্মাণ করে সেগুলো থেকে প্রতিমাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন। এমনকি বাথরুম ও খোলা জায়গাও বাদ যাচ্ছে না। এসব স্থানেও দোকান বসিয়ে ভাড়া আদায় চলছে দিনের পর দিন।
চাঁদাবাজির ধরন সম্পর্কে জানতে চাইলে এক দোকানি জানান, “মার্কেটের সামনের ফুটপাত জবরদখল করে দোকান বসিয়ে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগ অবৈধভাবে টেনে প্রতিটি দোকান থেকে ৩০০ টাকা করে মাসে নেওয়া হচ্ছে। আবার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দোকান করে দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে তাজুর গ্যাং।”
সাবেক সেক্রেটারি জানান, “৫ আগস্টের পর তাজু বহিরাগতদের দিয়ে আমাকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে মার্কেট থেকে বের করে দেয়। কারণ আমি মার্কেট চলাকালীন চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর ছিলাম। আমি
প্রশাসনের কাছে বিচার চাইলেও কোনো প্রতিকার পাইনি।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তাজু একেক সময় একেক রাজনৈতিক দলের পরিচয় দিয়ে নিজের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। সিটি কর্পোরেশন, থানা বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযুক্ত তাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, “মার্কেটে খালি জায়গা পড়ে থাকলে আমি দোকান বসাই। সিটি কর্পোরেশন যদি কিছু না বলে, তাহলে সমস্যা কোথায়? আমি আলাউদ্দিনের চেরাগ নিয়ে বসে আছি, কেউ কিছু করতে পারলে করে দেখাক।”
মার্কেটের অনেক ব্যবসায়ী এই ধরণের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন,’
স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারে দোসোররা মার্কেট দখলে নিয়েছে। প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, যেন সবই তাজুর ছাড়পত্রে চলছে। “তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে বলেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আমাদের ব্যবসা বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জাকের সুপার মার্কেটে তাজুর রমরমা চাঁদাবাজি :প্রশাসনের নেই তৎপরতা

আপডেট সময় ০৮:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

কর্পোরেশনের আওতাধীন জাকের সুপার মার্কেট-এ দীর্ঘদিন ধরে তাজু নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, দখলদারি ও অবৈধ বাণিজ্য চালানোর অভিযোগ উঠেছে। মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতা এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই গ্যাং।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাজু মার্কেটের ছাদে অবৈধভাবে প্রায় ২০টি দোকান নির্মাণ করে সেগুলো থেকে প্রতিমাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন। এমনকি বাথরুম ও খোলা জায়গাও বাদ যাচ্ছে না। এসব স্থানেও দোকান বসিয়ে ভাড়া আদায় চলছে দিনের পর দিন।
চাঁদাবাজির ধরন সম্পর্কে জানতে চাইলে এক দোকানি জানান, “মার্কেটের সামনের ফুটপাত জবরদখল করে দোকান বসিয়ে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগ অবৈধভাবে টেনে প্রতিটি দোকান থেকে ৩০০ টাকা করে মাসে নেওয়া হচ্ছে। আবার গ্রাউন্ড ফ্লোরে দোকান করে দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে তাজুর গ্যাং।”
সাবেক সেক্রেটারি জানান, “৫ আগস্টের পর তাজু বহিরাগতদের দিয়ে আমাকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে মার্কেট থেকে বের করে দেয়। কারণ আমি মার্কেট চলাকালীন চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর ছিলাম। আমি
প্রশাসনের কাছে বিচার চাইলেও কোনো প্রতিকার পাইনি।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তাজু একেক সময় একেক রাজনৈতিক দলের পরিচয় দিয়ে নিজের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। সিটি কর্পোরেশন, থানা বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযুক্ত তাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, “মার্কেটে খালি জায়গা পড়ে থাকলে আমি দোকান বসাই। সিটি কর্পোরেশন যদি কিছু না বলে, তাহলে সমস্যা কোথায়? আমি আলাউদ্দিনের চেরাগ নিয়ে বসে আছি, কেউ কিছু করতে পারলে করে দেখাক।”
মার্কেটের অনেক ব্যবসায়ী এই ধরণের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন,’
স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারে দোসোররা মার্কেট দখলে নিয়েছে। প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, যেন সবই তাজুর ছাড়পত্রে চলছে। “তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে বলেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আমাদের ব্যবসা বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে।