ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শুধু জিপিএ-৫ নয়, আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য: ড. সায়মা ফেরদৌস বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও মোটরসাইকেল চোরসহ গ্রেপ্তার ৭ কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: একসঙ্গে দেশে ফিরল ৫ বাংলাদেশির মরদেহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সরকার: তথ্যমন্ত্রী মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন আওয়ামী আমলে ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক ছিল: রাশেদ খান মহেশখালীতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, সরঞ্জামসহ আটক ১ খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদী কাশেম মারা গেছেন সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশকে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেনপুরে কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ

ফের আন্দোলনে কর্মচারীরা, সচিবালয়ে গণজমায়েত আজ

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ের সামনে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা/ ফাইল ছবি-জাগো নিউজ
ঈদের ছুটি শেষে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে ফের আন্দোলনে নামছেন কর্মচারীরা। আজ সোমবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে গণজমায়েত করবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর তিনজন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-মহাসচিব মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাদামতলায় জড়ো হবেন কর্মচারীরা। গণজমায়েতের পর স্বরাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। তারপর ঐক্য ফোরামের নেতারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

আজকের গণজমায়েতে অংশ নিতে ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের অর্ডিন্যান্সের অনুরূপ অমানবিক, অসাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি এবং হাস্যকর সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অবিলম্বে বাতিলের লক্ষ্যে ঈদ পরবর্তী গণজমায়েতে অংশ নিন।

কর্মচারী নেতারা জানিয়েছেন, সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য আইন উপদেষ্টার নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হলেও কমিটি আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। আমরা সোমবার থেকে আন্দোলনে যাচ্ছি।
চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে-এমন বিধান রেখে গত ২৫ মে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়।

এর আগে গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হয়। ২৪ মে থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আসছিল। তারা এই অধ্যাদেশটি নিবর্তনমূলক ও কালো আইন হিসেবে অবহিত করছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু জিপিএ-৫ নয়, আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য: ড. সায়মা ফেরদৌস

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ

ফের আন্দোলনে কর্মচারীরা, সচিবালয়ে গণজমায়েত আজ

আপডেট সময় ১০:৪২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ের সামনে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা/ ফাইল ছবি-জাগো নিউজ
ঈদের ছুটি শেষে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে ফের আন্দোলনে নামছেন কর্মচারীরা। আজ সোমবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে গণজমায়েত করবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর তিনজন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-মহাসচিব মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাদামতলায় জড়ো হবেন কর্মচারীরা। গণজমায়েতের পর স্বরাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। তারপর ঐক্য ফোরামের নেতারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

আজকের গণজমায়েতে অংশ নিতে ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের অর্ডিন্যান্সের অনুরূপ অমানবিক, অসাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি এবং হাস্যকর সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অবিলম্বে বাতিলের লক্ষ্যে ঈদ পরবর্তী গণজমায়েতে অংশ নিন।

কর্মচারী নেতারা জানিয়েছেন, সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য আইন উপদেষ্টার নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হলেও কমিটি আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। আমরা সোমবার থেকে আন্দোলনে যাচ্ছি।
চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে-এমন বিধান রেখে গত ২৫ মে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়।

এর আগে গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হয়। ২৪ মে থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আসছিল। তারা এই অধ্যাদেশটি নিবর্তনমূলক ও কালো আইন হিসেবে অবহিত করছেন।