ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জন্য বাস ভাড়া ফ্রী করল প্রশাসন উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি বিশ্বকাপের ধাক্কার পর জু’য়া খেলতে গিয়েও হারলেন নেইমার টিকটকার লিটন ও লেবু মিয়ার চুল কেটে দিল জনতা মাদলা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেল জব্দ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বন্যার্তদের পাশে ৫২ বিজিবি: ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাবার বিতরণ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আরও ৫ দেশে চালু হচ্ছে এনআইডি সেবা বিএমইটিতে নূর-এ-আলমকে ঘিরে দাপুটে সিন্ডিকেটের অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রী ‘স্ট্যান্টবাজি ও টেন্ডারবাজিতে ওস্তাদ’ : হাসনাত আবদুল্লাহ

খুলনার কয়রায় আধুনিক ও নারী বান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান

খুলনার কয়রায় আধুনিক ও নারীবান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের দাবীতে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

১০ মার্চ সোমবার নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উপকূলীয় এলাকায় জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন করা হয়েছে । দিবসটির ঠিক একদিন আগে গত রবিবার খুলনার নাগরিকদের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকায় আধুনিক ও নারী বান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের দাবী জানানো হয়েছে। ঐ দিন নগরীর কারিতাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা, মানববন্ধনন ও জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে এ দাবী জানানো হয়। নাগরিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, দূর্যোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন বয়স্ক, নারী ও শিশুরা। কিন্তু দেখা যায় উপকূলীয় এলাকায় দূর্যোগের সময়ও নারীরা আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাননা। আশ্রয় কেন্দ্রগুলো নারীবান্ধব না হওয়ায় শত প্রতিকূলতার মধ্যেও নারীরা সেখানে যেতে নিরুৎসাহিত বোধ করেন। কারিতাস মিলনায়তনে ‘দূযোগ ঝুঁকিপূর্ণ কয়রায় নারী ও মেয়েসহ সবার জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র চাই’ শিরোনামে আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা শেষে কারিতাস কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারী নেত্রী ও মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দা রেহানা ঈসা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল করিম। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিন, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, নাগরিক নেতা ও কয়রার সাংবাদিক মোঃ রিয়াছাদ আলী, বেসরকারী সংস্থা জেজেএস’র ডিরেক্টর প্রোগ্রামার এমএম চিশতি, সমন্বয়কারী নাজমুল হুদা, নাগরিক নেতা মীনা আজিজুর রহমান, আব্দুল মালেক, নারী নেত্রী অজন্তা দাস, ইসমত আরা হীরা, বেলার সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, ব্রাকের সমন্বয়কারী মোঃ শফিকুল ইসলাম, প্রমুখ।

আলোচনার পূর্বে খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান ও কয়রার অগ্রদূত সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের কোষাধ্যক্ষ মোঃ রিয়াছাদ আলী।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কয়রা উপজেলায় বর্তমানে সরকারীভাবে নির্মিত ১১৭টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় যেসব মানুষ আশ্রয় নিতে পারে তার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ৫০ হাজার। কিন্তু কয়রা উপজেলার লোকসংখ্যা প্রায় তিন লাখ। বাকী আড়াই লাখ মানুষ দূর্যোগকালীন নানা সংকটের মধ্যে থাকতে বাধ্য হয়। এজন্য উপকুলীয় এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে আধুনিক ও নারীবান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর

খুলনার কয়রায় আধুনিক ও নারী বান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় ০৬:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

খুলনার কয়রায় আধুনিক ও নারীবান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের দাবীতে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

১০ মার্চ সোমবার নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উপকূলীয় এলাকায় জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন করা হয়েছে । দিবসটির ঠিক একদিন আগে গত রবিবার খুলনার নাগরিকদের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকায় আধুনিক ও নারী বান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের দাবী জানানো হয়েছে। ঐ দিন নগরীর কারিতাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা, মানববন্ধনন ও জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে এ দাবী জানানো হয়। নাগরিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, দূর্যোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন বয়স্ক, নারী ও শিশুরা। কিন্তু দেখা যায় উপকূলীয় এলাকায় দূর্যোগের সময়ও নারীরা আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাননা। আশ্রয় কেন্দ্রগুলো নারীবান্ধব না হওয়ায় শত প্রতিকূলতার মধ্যেও নারীরা সেখানে যেতে নিরুৎসাহিত বোধ করেন। কারিতাস মিলনায়তনে ‘দূযোগ ঝুঁকিপূর্ণ কয়রায় নারী ও মেয়েসহ সবার জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র চাই’ শিরোনামে আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা শেষে কারিতাস কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারী নেত্রী ও মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দা রেহানা ঈসা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল করিম। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিন, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, নাগরিক নেতা ও কয়রার সাংবাদিক মোঃ রিয়াছাদ আলী, বেসরকারী সংস্থা জেজেএস’র ডিরেক্টর প্রোগ্রামার এমএম চিশতি, সমন্বয়কারী নাজমুল হুদা, নাগরিক নেতা মীনা আজিজুর রহমান, আব্দুল মালেক, নারী নেত্রী অজন্তা দাস, ইসমত আরা হীরা, বেলার সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, ব্রাকের সমন্বয়কারী মোঃ শফিকুল ইসলাম, প্রমুখ।

আলোচনার পূর্বে খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান ও কয়রার অগ্রদূত সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের কোষাধ্যক্ষ মোঃ রিয়াছাদ আলী।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কয়রা উপজেলায় বর্তমানে সরকারীভাবে নির্মিত ১১৭টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় যেসব মানুষ আশ্রয় নিতে পারে তার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ৫০ হাজার। কিন্তু কয়রা উপজেলার লোকসংখ্যা প্রায় তিন লাখ। বাকী আড়াই লাখ মানুষ দূর্যোগকালীন নানা সংকটের মধ্যে থাকতে বাধ্য হয়। এজন্য উপকুলীয় এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে আধুনিক ও নারীবান্ধব আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন।