ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জন্য বাস ভাড়া ফ্রী করল প্রশাসন উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি বিশ্বকাপের ধাক্কার পর জু’য়া খেলতে গিয়েও হারলেন নেইমার টিকটকার লিটন ও লেবু মিয়ার চুল কেটে দিল জনতা মাদলা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেল জব্দ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বন্যার্তদের পাশে ৫২ বিজিবি: ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাবার বিতরণ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আরও ৫ দেশে চালু হচ্ছে এনআইডি সেবা বিএমইটিতে নূর-এ-আলমকে ঘিরে দাপুটে সিন্ডিকেটের অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রী ‘স্ট্যান্টবাজি ও টেন্ডারবাজিতে ওস্তাদ’ : হাসনাত আবদুল্লাহ

রংপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠা বৈষম্যবিরোধী সেই নেতার পক্ষে জমির মালিকের সংবাদ সম্মেলন

রংপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠা বৈষম্যবিরোধী নেতার পক্ষে এবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন আজহারুল ইসলাম ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেছেন, ইকোপার্ক নির্মাণ ও অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে যে জমিটির বিষয়ে আলোচনা উঠেছে, সে জমির মূল মালিক তিনি। তাঁর জমি দখল হওয়ায় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতাদের দ্বারস্থ হয়েছেন। ছাত্র নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা অপ্রচার; বরং ওই নেতারা অর্থের প্রলোভন অগ্রাহ্য করে সেখান থেকে চলে আসেন। রোববার ২ মার্চ রংপুর নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদেরও প্রশ্নের জবাব দেন আজহারুল ইসলাম। এর আগে ১ মার্চ শনিবার সকালে একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে শোনা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগরের মুখপাত্র নাহিদ হাসান খন্দকারের সঙ্গে এক ব্যক্তির টাকা নিয়ে দরকষাকষি হচ্ছে।
নাহিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে সংগঠন থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন নাহিদ হাসান।
আজহারুল ইসলাম রংপুর নগরের কেরানিপাড়ার বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গঙ্গাচড়ার পূর্ব খলেয়া মৌজায় তাঁর ৪ একর ৫৯ শতাংশ জমি আছে।
২০১৯ সালে তাঁর ভাই আতিকুল ইসলাম ও মঞ্জুরুল ইসলাম গং জাল রিটের মাধ্যমে জমিটি দখল করেন। জাল চুক্তি সংগ্রহ করে তিনি আদালতে মামলা করলে আদালত সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য সিআইডিতে প্রেরণ করেন। পরবর্তী সময়ে সিআইডির তদন্তে জালিয়াতি প্রমাণিত হয়। কিন্তু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ভাইয়েরা জমি থেকে বালু উত্তোলন করে আসছেন। তিনি কয়েক দফা প্রশাসনে অভিযোগ করেছেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে কয়েক দফা জরিমানাও করা হয়। কিন্তু তিনি জমি উদ্ধার করতে পারেননি। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি।
আজহারুল ইসলামের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুরের নেতাদের দ্বারস্থ হন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ঘটনাস্থলে যান। আজহারুলের ভাষ্য, আতিকুল ইসলাম তাঁর গুন্ডা বাহিনী দিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের বিভিন্ন অনৈতিক অর্থের প্রলোভন দেখান। বৈষম্যবিরোধী নেতারা তাঁদের প্রলোভন অগ্রাহ্য করে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন। এ সময় গোপন কথোপকথনের দৃশ্য ধারণ করে, যা এডিটিং করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির ভিডিও বলে প্রচার করে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর

রংপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠা বৈষম্যবিরোধী সেই নেতার পক্ষে জমির মালিকের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ১০:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

রংপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠা বৈষম্যবিরোধী নেতার পক্ষে এবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন আজহারুল ইসলাম ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেছেন, ইকোপার্ক নির্মাণ ও অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে যে জমিটির বিষয়ে আলোচনা উঠেছে, সে জমির মূল মালিক তিনি। তাঁর জমি দখল হওয়ায় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতাদের দ্বারস্থ হয়েছেন। ছাত্র নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা অপ্রচার; বরং ওই নেতারা অর্থের প্রলোভন অগ্রাহ্য করে সেখান থেকে চলে আসেন। রোববার ২ মার্চ রংপুর নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদেরও প্রশ্নের জবাব দেন আজহারুল ইসলাম। এর আগে ১ মার্চ শনিবার সকালে একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে শোনা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগরের মুখপাত্র নাহিদ হাসান খন্দকারের সঙ্গে এক ব্যক্তির টাকা নিয়ে দরকষাকষি হচ্ছে।
নাহিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে সংগঠন থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন নাহিদ হাসান।
আজহারুল ইসলাম রংপুর নগরের কেরানিপাড়ার বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গঙ্গাচড়ার পূর্ব খলেয়া মৌজায় তাঁর ৪ একর ৫৯ শতাংশ জমি আছে।
২০১৯ সালে তাঁর ভাই আতিকুল ইসলাম ও মঞ্জুরুল ইসলাম গং জাল রিটের মাধ্যমে জমিটি দখল করেন। জাল চুক্তি সংগ্রহ করে তিনি আদালতে মামলা করলে আদালত সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য সিআইডিতে প্রেরণ করেন। পরবর্তী সময়ে সিআইডির তদন্তে জালিয়াতি প্রমাণিত হয়। কিন্তু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ভাইয়েরা জমি থেকে বালু উত্তোলন করে আসছেন। তিনি কয়েক দফা প্রশাসনে অভিযোগ করেছেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে কয়েক দফা জরিমানাও করা হয়। কিন্তু তিনি জমি উদ্ধার করতে পারেননি। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি।
আজহারুল ইসলামের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুরের নেতাদের দ্বারস্থ হন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ঘটনাস্থলে যান। আজহারুলের ভাষ্য, আতিকুল ইসলাম তাঁর গুন্ডা বাহিনী দিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের বিভিন্ন অনৈতিক অর্থের প্রলোভন দেখান। বৈষম্যবিরোধী নেতারা তাঁদের প্রলোভন অগ্রাহ্য করে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন। এ সময় গোপন কথোপকথনের দৃশ্য ধারণ করে, যা এডিটিং করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির ভিডিও বলে প্রচার করে।