ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জন্য বাস ভাড়া ফ্রী করল প্রশাসন উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি বিশ্বকাপের ধাক্কার পর জু’য়া খেলতে গিয়েও হারলেন নেইমার টিকটকার লিটন ও লেবু মিয়ার চুল কেটে দিল জনতা মাদলা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেল জব্দ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বন্যার্তদের পাশে ৫২ বিজিবি: ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও খাবার বিতরণ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আরও ৫ দেশে চালু হচ্ছে এনআইডি সেবা বিএমইটিতে নূর-এ-আলমকে ঘিরে দাপুটে সিন্ডিকেটের অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রী ‘স্ট্যান্টবাজি ও টেন্ডারবাজিতে ওস্তাদ’ : হাসনাত আবদুল্লাহ

সাদুল্লাপুরে চাষ হচ্ছে থাইল্যান্ডের সবজি বিটরুট

উত্তরাঞ্চলের সবজি-অধ্যুষিত এলাকা গাইবান্ধা সাদুল্লাপুরে প্রথম বারের মতো চাষ হচ্ছে থাইল্যান্ডের সবজি বিটরুট।
উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের কঠাল লক্ষী পুর গ্রামের শিক্ষিত কৃষক আবুল নেছার লুলু।
নিজের জমিতে নিত্য নতুন বা বিদেশি ফল ও সবজি উৎপাদন করে দেশের মানুষের মধ্যে পরিচিত করানোর শখ তার দীর্ঘদিনের। সেই আগ্রহ থেকেই থাইল্যান্ডের সবজি বিটরুট চাষ করেছেন লুলু।

ইউটিউবে দেখে পার্শ্ববর্তী জেলা বগুড়া থেকে বিটরুটের বীজ নিয়ে আসেন তিনি। পরিক্ষা মুলক প্রথম বার ১০ শতাংশ জমিতে বীজ বপন করে যত্ন নিতে শুরু করেন। একই জমিতে সাথী ফসল হিসাবে হাইব্রিড খিরা চারা রোপণ করেছেন।

কৃষক আবুল নেছার লুলু জানান ৬৫-৭০ দিন পর থেকে বাজারজাত করা যায়। প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি ।  বিটরুটের চাষাবাদ খরচ কম বলে বিঘা প্রতি প্রায় লক্ষাধিক টাকা আয় করা সম্ভব। বিটরুটের গাছ দেখতে অনেকটা পালংশাকের মতো হলেও রঙে ভিন্নতা রয়েছে। পাতা সবুজ ও লালচে ধরনের। নিচের মূল অংশটি দেখতে গাঢ় গোলাপি বা লালচে বেগুনি রঙের।

উপসহকারী কৃষি অফিসার ওমর ফারুক জানান আমরা শুরু থেকেই কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিয়েছি। সেইসঙ্গে বাজারজাতকরণের ব্যাপারেও সহযোগিতা করেছি। তিনি আরও জানান, লাল রঙের বিটালেইন এন্টিঅক্সিডেন্টের কারনে স্বাস্থের উপর ইতিবাচক প্রভাবের জন্য বিটরুট বিশ্বব্যাপী সুপার ফুড হিসেবে পরিচিত। এটি হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিকস, বক্ষব্যাধীসহ  বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধী প্রতিরোধে কার্যকরি।  বিট সালাদ, সবজি, জুস হিসেবে খাওয়া যায়।

সাদুল্লাপুর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাহবুবুল আলম বসুনিয়া বলেন, উপজেলায় প্রথমবারের মতো ১০ শতক জমিতে বিটরুট চাষ হয়েছে। উপজেলার মাটি বিটরুট চাষের জন্য উপযুক্ত। এটি লাভজনক ফসল। আগামীতে বিটরুট চাষ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেয়া হবে।
তিনি বিটরুট চাষে সম্প্রসারণে এগিয়ে আসার জন্য উদ্যোক্তাদের আহবান জানান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইর

সাদুল্লাপুরে চাষ হচ্ছে থাইল্যান্ডের সবজি বিটরুট

আপডেট সময় ০৩:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

উত্তরাঞ্চলের সবজি-অধ্যুষিত এলাকা গাইবান্ধা সাদুল্লাপুরে প্রথম বারের মতো চাষ হচ্ছে থাইল্যান্ডের সবজি বিটরুট।
উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের কঠাল লক্ষী পুর গ্রামের শিক্ষিত কৃষক আবুল নেছার লুলু।
নিজের জমিতে নিত্য নতুন বা বিদেশি ফল ও সবজি উৎপাদন করে দেশের মানুষের মধ্যে পরিচিত করানোর শখ তার দীর্ঘদিনের। সেই আগ্রহ থেকেই থাইল্যান্ডের সবজি বিটরুট চাষ করেছেন লুলু।

ইউটিউবে দেখে পার্শ্ববর্তী জেলা বগুড়া থেকে বিটরুটের বীজ নিয়ে আসেন তিনি। পরিক্ষা মুলক প্রথম বার ১০ শতাংশ জমিতে বীজ বপন করে যত্ন নিতে শুরু করেন। একই জমিতে সাথী ফসল হিসাবে হাইব্রিড খিরা চারা রোপণ করেছেন।

কৃষক আবুল নেছার লুলু জানান ৬৫-৭০ দিন পর থেকে বাজারজাত করা যায়। প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি ।  বিটরুটের চাষাবাদ খরচ কম বলে বিঘা প্রতি প্রায় লক্ষাধিক টাকা আয় করা সম্ভব। বিটরুটের গাছ দেখতে অনেকটা পালংশাকের মতো হলেও রঙে ভিন্নতা রয়েছে। পাতা সবুজ ও লালচে ধরনের। নিচের মূল অংশটি দেখতে গাঢ় গোলাপি বা লালচে বেগুনি রঙের।

উপসহকারী কৃষি অফিসার ওমর ফারুক জানান আমরা শুরু থেকেই কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিয়েছি। সেইসঙ্গে বাজারজাতকরণের ব্যাপারেও সহযোগিতা করেছি। তিনি আরও জানান, লাল রঙের বিটালেইন এন্টিঅক্সিডেন্টের কারনে স্বাস্থের উপর ইতিবাচক প্রভাবের জন্য বিটরুট বিশ্বব্যাপী সুপার ফুড হিসেবে পরিচিত। এটি হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিকস, বক্ষব্যাধীসহ  বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধী প্রতিরোধে কার্যকরি।  বিট সালাদ, সবজি, জুস হিসেবে খাওয়া যায়।

সাদুল্লাপুর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাহবুবুল আলম বসুনিয়া বলেন, উপজেলায় প্রথমবারের মতো ১০ শতক জমিতে বিটরুট চাষ হয়েছে। উপজেলার মাটি বিটরুট চাষের জন্য উপযুক্ত। এটি লাভজনক ফসল। আগামীতে বিটরুট চাষ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেয়া হবে।
তিনি বিটরুট চাষে সম্প্রসারণে এগিয়ে আসার জন্য উদ্যোক্তাদের আহবান জানান।