সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ব্রাহ্মণপাড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেকচার ডায়াস ও বেঞ্চ বিতরণ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট উপজেলা ও জেলায় প্রথম হয়ে জাতীয় পর্যায়ে পাংশার কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমি দেশে গাঁজাখোরের সংখ্যা ৬১ লাখ! ঝিনাইগাতীতে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬ দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত!  খাল দখলের থাবায় বিপন্ন ভোলা-জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা ভাওরা হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ডা. মাহফুজ রায়হান আক্কেলের বদলিতে উদ্বিগ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউপির দুর্নীতি মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানের ৫ বছর, সচিবের ৩ বছর জেল

জাফলংয়ে এসআই জহুর লাল ও লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে চোরাচালানের মহোৎসব

সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তের সংগ্ৰাম বিজিবি ক্যাম্পের পাশে দিয়ে দিয়ে চলছে চোরাচালানের মহোৎসব। সিলেটের পুলিশ সুপারসহ উর্ধতন কর্তাব্যক্তিদের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চালানো হচ্ছে, চোরাকারবারীদের রমরমা ব্যবসা।

গোয়াইনঘাট থানার জাফলং বিট অফিসার এসআই জহুর লাল ও তার লাইনম্যান জাফলং এর মান্নান মেম্বার। এই দুইজন মিলে সীমান্তে চোরাচালানের দুয়ার খোলে দিয়েছেন।

ছাত্রজনতার জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর ভারতের সাথে সব ধরণের জনযোগাযোগ বন্ধ থাকলেও বন্ধ হচ্ছে না সিলেটের জাফলং সীমান্তের চোরাচালান রুট। চোরাকারবারীরা পুলিশের লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের মাধ্যমে বখরা দিয়ে চোরাচালান রুটটি ওপেন করে রেখেছে।

প্রত্যহ হাজার বস্তা রসুন চালান হচ্ছে ভারতে। বিনিময়ে চোরাই পথে আমদানী হচ্ছে ‘মিটা বালু’ নামে পরিচিত লাখো বস্তা ভারতীয় চিনি, কিট,চা পাতা,মদ, ফেনসিডিল, কসমেটিক্স, মসলাজাত দ্রব্যাদি ও ভারতীয় নাছির উদ্দিন পাতার বিড়ি। রসুন ছাড়াও এসব পণ্যের বিনিময়ে পাচার করা হয় বৈদেশিক মূদ্রা পাউন্ড ডলার ও রুপি। মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে সংগ্ৰাম ক্যাম্পের এলাকায় সাইনবোর্ড, লাল মাটি, আম তলা, সীমান্তে রেস্টুরেন্ট ও দোকান ব্যবসার আড়ালে গড়ে ওঠেছে কয়েকটি অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ।

বস্তাজাত প্রতিটি চোরাই পণ্যে চিনির বস্তা প্রতি ২শ টাকা কিট, কসমেটিক, প্রতি কাটুন থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করে এবং কোনো দামিপণ্য যেমন মোটর বাইকের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি দামি চোরাই পণ্যে থেকে মান্নান মেম্বার আদায় করে থাকে বড় অঙ্কের টাকা।

সিলেটের এসপি, জেলা ডিবি পুলিশ ও থানার ওসির নামে এসব বখরা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ প্রকাশ।

দিনরাত বখরা আদায় করে রাত ১০-১১ টায় ক্যাম্প এলাকায় রেস্টুরেন্টে বা দোকানে বসে টাকা ভাগ-বণ্ঠন করা হয়ে থাকে। এ বাটবাটোয়ারায় গোয়াইনঘাট এলাকার সাংবাদিক নামধারী একাধিক ব্যক্তিও জড়ীত রয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ।

এসআই জহুর লাল এর সেল ফোনে কল দিলে রিসিভ করে বলেন, আপনারা মান্নান মেম্বার এর সাথে যোগাযোগ করুন, আমি এর বেশি কিছু বলতে পারবনা বলেই ফোন কেটে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে মান্নান মেম্বারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা কর হলে তিনি সাংবাদিকের সেলফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ব্রাহ্মণপাড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেকচার ডায়াস ও বেঞ্চ বিতরণ

জাফলংয়ে এসআই জহুর লাল ও লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে চোরাচালানের মহোৎসব

আপডেট সময় ০৫:৪৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তের সংগ্ৰাম বিজিবি ক্যাম্পের পাশে দিয়ে দিয়ে চলছে চোরাচালানের মহোৎসব। সিলেটের পুলিশ সুপারসহ উর্ধতন কর্তাব্যক্তিদের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চালানো হচ্ছে, চোরাকারবারীদের রমরমা ব্যবসা।

গোয়াইনঘাট থানার জাফলং বিট অফিসার এসআই জহুর লাল ও তার লাইনম্যান জাফলং এর মান্নান মেম্বার। এই দুইজন মিলে সীমান্তে চোরাচালানের দুয়ার খোলে দিয়েছেন।

ছাত্রজনতার জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর ভারতের সাথে সব ধরণের জনযোগাযোগ বন্ধ থাকলেও বন্ধ হচ্ছে না সিলেটের জাফলং সীমান্তের চোরাচালান রুট। চোরাকারবারীরা পুলিশের লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের মাধ্যমে বখরা দিয়ে চোরাচালান রুটটি ওপেন করে রেখেছে।

প্রত্যহ হাজার বস্তা রসুন চালান হচ্ছে ভারতে। বিনিময়ে চোরাই পথে আমদানী হচ্ছে ‘মিটা বালু’ নামে পরিচিত লাখো বস্তা ভারতীয় চিনি, কিট,চা পাতা,মদ, ফেনসিডিল, কসমেটিক্স, মসলাজাত দ্রব্যাদি ও ভারতীয় নাছির উদ্দিন পাতার বিড়ি। রসুন ছাড়াও এসব পণ্যের বিনিময়ে পাচার করা হয় বৈদেশিক মূদ্রা পাউন্ড ডলার ও রুপি। মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে সংগ্ৰাম ক্যাম্পের এলাকায় সাইনবোর্ড, লাল মাটি, আম তলা, সীমান্তে রেস্টুরেন্ট ও দোকান ব্যবসার আড়ালে গড়ে ওঠেছে কয়েকটি অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ।

বস্তাজাত প্রতিটি চোরাই পণ্যে চিনির বস্তা প্রতি ২শ টাকা কিট, কসমেটিক, প্রতি কাটুন থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করে এবং কোনো দামিপণ্য যেমন মোটর বাইকের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি দামি চোরাই পণ্যে থেকে মান্নান মেম্বার আদায় করে থাকে বড় অঙ্কের টাকা।

সিলেটের এসপি, জেলা ডিবি পুলিশ ও থানার ওসির নামে এসব বখরা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ প্রকাশ।

দিনরাত বখরা আদায় করে রাত ১০-১১ টায় ক্যাম্প এলাকায় রেস্টুরেন্টে বা দোকানে বসে টাকা ভাগ-বণ্ঠন করা হয়ে থাকে। এ বাটবাটোয়ারায় গোয়াইনঘাট এলাকার সাংবাদিক নামধারী একাধিক ব্যক্তিও জড়ীত রয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ।

এসআই জহুর লাল এর সেল ফোনে কল দিলে রিসিভ করে বলেন, আপনারা মান্নান মেম্বার এর সাথে যোগাযোগ করুন, আমি এর বেশি কিছু বলতে পারবনা বলেই ফোন কেটে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে মান্নান মেম্বারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা কর হলে তিনি সাংবাদিকের সেলফোন রিসিভ করেননি।