ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

জাফলংয়ে এসআই জহুর লাল ও লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে চোরাচালানের মহোৎসব

সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তের সংগ্ৰাম বিজিবি ক্যাম্পের পাশে দিয়ে দিয়ে চলছে চোরাচালানের মহোৎসব। সিলেটের পুলিশ সুপারসহ উর্ধতন কর্তাব্যক্তিদের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চালানো হচ্ছে, চোরাকারবারীদের রমরমা ব্যবসা।

গোয়াইনঘাট থানার জাফলং বিট অফিসার এসআই জহুর লাল ও তার লাইনম্যান জাফলং এর মান্নান মেম্বার। এই দুইজন মিলে সীমান্তে চোরাচালানের দুয়ার খোলে দিয়েছেন।

ছাত্রজনতার জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর ভারতের সাথে সব ধরণের জনযোগাযোগ বন্ধ থাকলেও বন্ধ হচ্ছে না সিলেটের জাফলং সীমান্তের চোরাচালান রুট। চোরাকারবারীরা পুলিশের লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের মাধ্যমে বখরা দিয়ে চোরাচালান রুটটি ওপেন করে রেখেছে।

প্রত্যহ হাজার বস্তা রসুন চালান হচ্ছে ভারতে। বিনিময়ে চোরাই পথে আমদানী হচ্ছে ‘মিটা বালু’ নামে পরিচিত লাখো বস্তা ভারতীয় চিনি, কিট,চা পাতা,মদ, ফেনসিডিল, কসমেটিক্স, মসলাজাত দ্রব্যাদি ও ভারতীয় নাছির উদ্দিন পাতার বিড়ি। রসুন ছাড়াও এসব পণ্যের বিনিময়ে পাচার করা হয় বৈদেশিক মূদ্রা পাউন্ড ডলার ও রুপি। মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে সংগ্ৰাম ক্যাম্পের এলাকায় সাইনবোর্ড, লাল মাটি, আম তলা, সীমান্তে রেস্টুরেন্ট ও দোকান ব্যবসার আড়ালে গড়ে ওঠেছে কয়েকটি অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ।

বস্তাজাত প্রতিটি চোরাই পণ্যে চিনির বস্তা প্রতি ২শ টাকা কিট, কসমেটিক, প্রতি কাটুন থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করে এবং কোনো দামিপণ্য যেমন মোটর বাইকের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি দামি চোরাই পণ্যে থেকে মান্নান মেম্বার আদায় করে থাকে বড় অঙ্কের টাকা।

সিলেটের এসপি, জেলা ডিবি পুলিশ ও থানার ওসির নামে এসব বখরা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ প্রকাশ।

দিনরাত বখরা আদায় করে রাত ১০-১১ টায় ক্যাম্প এলাকায় রেস্টুরেন্টে বা দোকানে বসে টাকা ভাগ-বণ্ঠন করা হয়ে থাকে। এ বাটবাটোয়ারায় গোয়াইনঘাট এলাকার সাংবাদিক নামধারী একাধিক ব্যক্তিও জড়ীত রয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ।

এসআই জহুর লাল এর সেল ফোনে কল দিলে রিসিভ করে বলেন, আপনারা মান্নান মেম্বার এর সাথে যোগাযোগ করুন, আমি এর বেশি কিছু বলতে পারবনা বলেই ফোন কেটে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে মান্নান মেম্বারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা কর হলে তিনি সাংবাদিকের সেলফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

জাফলংয়ে এসআই জহুর লাল ও লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে চোরাচালানের মহোৎসব

আপডেট সময় ০৫:৪৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তের সংগ্ৰাম বিজিবি ক্যাম্পের পাশে দিয়ে দিয়ে চলছে চোরাচালানের মহোৎসব। সিলেটের পুলিশ সুপারসহ উর্ধতন কর্তাব্যক্তিদের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চালানো হচ্ছে, চোরাকারবারীদের রমরমা ব্যবসা।

গোয়াইনঘাট থানার জাফলং বিট অফিসার এসআই জহুর লাল ও তার লাইনম্যান জাফলং এর মান্নান মেম্বার। এই দুইজন মিলে সীমান্তে চোরাচালানের দুয়ার খোলে দিয়েছেন।

ছাত্রজনতার জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর ভারতের সাথে সব ধরণের জনযোগাযোগ বন্ধ থাকলেও বন্ধ হচ্ছে না সিলেটের জাফলং সীমান্তের চোরাচালান রুট। চোরাকারবারীরা পুলিশের লাইনম্যান মান্নান মেম্বারের মাধ্যমে বখরা দিয়ে চোরাচালান রুটটি ওপেন করে রেখেছে।

প্রত্যহ হাজার বস্তা রসুন চালান হচ্ছে ভারতে। বিনিময়ে চোরাই পথে আমদানী হচ্ছে ‘মিটা বালু’ নামে পরিচিত লাখো বস্তা ভারতীয় চিনি, কিট,চা পাতা,মদ, ফেনসিডিল, কসমেটিক্স, মসলাজাত দ্রব্যাদি ও ভারতীয় নাছির উদ্দিন পাতার বিড়ি। রসুন ছাড়াও এসব পণ্যের বিনিময়ে পাচার করা হয় বৈদেশিক মূদ্রা পাউন্ড ডলার ও রুপি। মান্নান মেম্বারের তত্বাবধানে সংগ্ৰাম ক্যাম্পের এলাকায় সাইনবোর্ড, লাল মাটি, আম তলা, সীমান্তে রেস্টুরেন্ট ও দোকান ব্যবসার আড়ালে গড়ে ওঠেছে কয়েকটি অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ।

বস্তাজাত প্রতিটি চোরাই পণ্যে চিনির বস্তা প্রতি ২শ টাকা কিট, কসমেটিক, প্রতি কাটুন থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করে এবং কোনো দামিপণ্য যেমন মোটর বাইকের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি দামি চোরাই পণ্যে থেকে মান্নান মেম্বার আদায় করে থাকে বড় অঙ্কের টাকা।

সিলেটের এসপি, জেলা ডিবি পুলিশ ও থানার ওসির নামে এসব বখরা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ প্রকাশ।

দিনরাত বখরা আদায় করে রাত ১০-১১ টায় ক্যাম্প এলাকায় রেস্টুরেন্টে বা দোকানে বসে টাকা ভাগ-বণ্ঠন করা হয়ে থাকে। এ বাটবাটোয়ারায় গোয়াইনঘাট এলাকার সাংবাদিক নামধারী একাধিক ব্যক্তিও জড়ীত রয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ।

এসআই জহুর লাল এর সেল ফোনে কল দিলে রিসিভ করে বলেন, আপনারা মান্নান মেম্বার এর সাথে যোগাযোগ করুন, আমি এর বেশি কিছু বলতে পারবনা বলেই ফোন কেটে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে মান্নান মেম্বারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা কর হলে তিনি সাংবাদিকের সেলফোন রিসিভ করেননি।