সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

শিক্ষার্থী হত্যা: রিমান্ডে ফারুক-সাদেক-সৈকত-মানিক

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনের পাঁচ মামলার কার্যক্রম বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

এর ফলে শ্রম আইনের ৫ মামলার কার্যক্রম বাতিলই থাকবে। এর আগে গত ২৪ অক্টোবর শ্রম আইনের ৫ মামলায় ও মানহানির এক মামলার কার্যক্রম বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারী। তারা হলেন- আব্দুস সালাম, শাহ আলম ও এমরানুল হক। একই বছর হোসাইন আহমেদ ও আব্দুর গফুরও মামলা করেন।

এসব মামলা বাতিল চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২০ সালে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। তখন হাইকোর্ট মামলা বাতিলে রুল জারি করেছিলেন। পৃথক শুনানি শেষে গত ২৪ অক্টোবর হাইকোর্ট রায় দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

শিক্ষার্থী হত্যা: রিমান্ডে ফারুক-সাদেক-সৈকত-মানিক

আপডেট সময় ০৫:১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনের পাঁচ মামলার কার্যক্রম বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

এর ফলে শ্রম আইনের ৫ মামলার কার্যক্রম বাতিলই থাকবে। এর আগে গত ২৪ অক্টোবর শ্রম আইনের ৫ মামলায় ও মানহানির এক মামলার কার্যক্রম বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারী। তারা হলেন- আব্দুস সালাম, শাহ আলম ও এমরানুল হক। একই বছর হোসাইন আহমেদ ও আব্দুর গফুরও মামলা করেন।

এসব মামলা বাতিল চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২০ সালে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। তখন হাইকোর্ট মামলা বাতিলে রুল জারি করেছিলেন। পৃথক শুনানি শেষে গত ২৪ অক্টোবর হাইকোর্ট রায় দেন।