সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

কিভাবে কার্যকর হবে ইসরাইল-হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি চুক্তি?

প্রায় ১৪ মাস পর ইসরাইল-হিজবুল্লাহর মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আপাতত ৬০ দিনের জন্য লড়াই বন্ধ হবে। এখনো ইসরাইলি সেনারা লেবানন ছেড়ে আসার খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার বৈরুতের স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৪ টা অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। যদিও ইসরাইলের সামরিক বাহিনী এবং হিজবুল্লাহ বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি ঘটবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে যুদ্ধ শেষ হবে— শেষ হবে। এটি শত্রুতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য চুক্তিটি করা হয়েছে।

কিভাবে কার্যকর হবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি?

যুক্তরাষ্ট্রের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ সম্পর্কে বিস্তারিত বিবিসিকে যা বলেছেন তা হলো :

পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনাদের ‘পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার’ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণে এবং হিজবুল্লাহ উত্তরে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লেবাননের সামরিক বাহিনী ব্লু লাইনের চারপাশের এলাকায় টহল দেবে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স বিদ্যমান ত্রিপক্ষীয় ব্যবস্থায় যোগ দেবে। এ ব্যবস্থায় বর্তমানে লেবাননের সামরিক, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এবং লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (ইউনিফিল) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই এলাকায় চুক্তি কার্যকর করতে সহায়তা করবে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের সম্ভাব্য সব অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে।

লেবাননের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সেনা থাকবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এবং ফরাসি বাহিনী প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং যোগাযোগের মাধ্যমে লেবাননের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করবে।

যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং অন্যান্য দেশগুলো লেবাননের সামরিক বাহিনীকে একটি সামরিক কারিগরি কমিটি বা এমটিসি’র মাধ্যমে প্রযুক্তিগত এবং আর্থিক সহায়তা করবে।

এ পরিকল্পনাটিতে ‘টেকসই যুদ্ধ বিরতি’ হতে পারে এমন পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় দক্ষিণ লেবাননে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানানো হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

কিভাবে কার্যকর হবে ইসরাইল-হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি চুক্তি?

আপডেট সময় ০৪:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

প্রায় ১৪ মাস পর ইসরাইল-হিজবুল্লাহর মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আপাতত ৬০ দিনের জন্য লড়াই বন্ধ হবে। এখনো ইসরাইলি সেনারা লেবানন ছেড়ে আসার খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার বৈরুতের স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৪ টা অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। যদিও ইসরাইলের সামরিক বাহিনী এবং হিজবুল্লাহ বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি ঘটবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে যুদ্ধ শেষ হবে— শেষ হবে। এটি শত্রুতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য চুক্তিটি করা হয়েছে।

কিভাবে কার্যকর হবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি?

যুক্তরাষ্ট্রের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ সম্পর্কে বিস্তারিত বিবিসিকে যা বলেছেন তা হলো :

পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনাদের ‘পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার’ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণে এবং হিজবুল্লাহ উত্তরে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লেবাননের সামরিক বাহিনী ব্লু লাইনের চারপাশের এলাকায় টহল দেবে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স বিদ্যমান ত্রিপক্ষীয় ব্যবস্থায় যোগ দেবে। এ ব্যবস্থায় বর্তমানে লেবাননের সামরিক, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এবং লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (ইউনিফিল) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই এলাকায় চুক্তি কার্যকর করতে সহায়তা করবে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের সম্ভাব্য সব অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে।

লেবাননের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সেনা থাকবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এবং ফরাসি বাহিনী প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং যোগাযোগের মাধ্যমে লেবাননের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করবে।

যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং অন্যান্য দেশগুলো লেবাননের সামরিক বাহিনীকে একটি সামরিক কারিগরি কমিটি বা এমটিসি’র মাধ্যমে প্রযুক্তিগত এবং আর্থিক সহায়তা করবে।

এ পরিকল্পনাটিতে ‘টেকসই যুদ্ধ বিরতি’ হতে পারে এমন পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় দক্ষিণ লেবাননে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানানো হয়েছে।