ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

পাচার অর্থ ফেরাতে ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দুদকের বৈঠক

গত ১৬ বছরে দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে এবং প্রতিরোধে করণীয় ঠিক করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা প্রসঙ্গে আক্তার হোসেন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়েছে। দুদকের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের (স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি) ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল তাদের পক্ষ থেকে দুদককে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আক্তার হোসেন বলেন, আমরা দালিলিক তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে আমরা মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠিয়েছি। কিন্তু আমরা এখনও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে আশানুরূপ জবাব পাইনি। ৭১টি দেশকে অনুরোধ জানালেও মাত্র ২৭টি দেশের কাছ থেকে জবাব পাওয়া গেছে।

দুদক মহাপরিচালক আরও বলেন, অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলাগুলোর ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছি, সেগুলো তাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। যেসব দেশে অর্থ পাচার অর্থাৎ মানিলন্ডারিং হয়েছে সেসব দেশের নামগুলো সুনির্দিষ্টভাবে তাদের দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, তাদের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেসব দেশে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে যেসব দেশ রয়েছে, সেসব দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে তাদের সহযোগিতা পাব।

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আজকের বৈঠকে দুদকের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের হেড অব ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন মিশেল ক্রেজা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার অব ইনক্লুসিভ গভর্নেন্স পাবলো পাদিন পেরেজ, নাদের তানজা এবং কিশোয়ার আমিন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পাচার অর্থ ফেরাতে ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দুদকের বৈঠক

আপডেট সময় ০৪:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪

গত ১৬ বছরে দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে এবং প্রতিরোধে করণীয় ঠিক করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা প্রসঙ্গে আক্তার হোসেন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়েছে। দুদকের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের (স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি) ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল তাদের পক্ষ থেকে দুদককে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আক্তার হোসেন বলেন, আমরা দালিলিক তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে আমরা মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠিয়েছি। কিন্তু আমরা এখনও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে আশানুরূপ জবাব পাইনি। ৭১টি দেশকে অনুরোধ জানালেও মাত্র ২৭টি দেশের কাছ থেকে জবাব পাওয়া গেছে।

দুদক মহাপরিচালক আরও বলেন, অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলাগুলোর ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছি, সেগুলো তাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। যেসব দেশে অর্থ পাচার অর্থাৎ মানিলন্ডারিং হয়েছে সেসব দেশের নামগুলো সুনির্দিষ্টভাবে তাদের দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, তাদের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেসব দেশে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে যেসব দেশ রয়েছে, সেসব দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে তাদের সহযোগিতা পাব।

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আজকের বৈঠকে দুদকের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের হেড অব ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন মিশেল ক্রেজা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার অব ইনক্লুসিভ গভর্নেন্স পাবলো পাদিন পেরেজ, নাদের তানজা এবং কিশোয়ার আমিন।