সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

গুপ্তহত্যার হুমকিতে সৌদি যুবরাজ

গুপ্তহত্যার হুমকিতে আছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে তার উদ্যোগের কারণে এ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। পরে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের বলেছেন যে, তিনি সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের লক্ষ্যে বড় দরকষাকষি করে নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছেন। সম্পর্ক উন্নয়নের এ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রও জড়িত।

যুবরাজ মিসরীয় নেতা আনোয়ার সাদাতের নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করার পরে সাদাতকে হত্যা করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র তাকে রক্ষা করার জন্য কী করেছিল?

তিনি যে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকিকরণের চুক্তিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সত্যিকারের গঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার যুক্তি তুলে ধরেন। যুবরাজ এ শর্তকে খুবই উচিত বলে অভিহিত করেন। কারণ হিসেবে বলেন, গাজা যুদ্ধ এখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরবদের ক্রোধকে তীব্রতর করেছে।

তবে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তির আলোচনা চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক। এটিকে তার দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেন বলে জানান তিনি।

এদিকে ইসরায়েলি সরকার সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকিকরণের চুক্তিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সত্যিকার গঠনকে অন্তর্ভুক্ত করতে ইচ্ছুক নয়।

প্রসঙ্গত, সৌদি-ইসরায়েলের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে কৌশলগত অংশীদারি চুক্তির মূল শর্তগুলো প্রায় চূড়ান্ত। এখন ফিলিস্তিন ইস্যুসহ মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে দরকষাকষি চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা, এই চুক্তি সম্পন্ন হলে সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

গুপ্তহত্যার হুমকিতে সৌদি যুবরাজ

আপডেট সময় ০১:২২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪

গুপ্তহত্যার হুমকিতে আছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে তার উদ্যোগের কারণে এ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। পরে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের বলেছেন যে, তিনি সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের লক্ষ্যে বড় দরকষাকষি করে নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছেন। সম্পর্ক উন্নয়নের এ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রও জড়িত।

যুবরাজ মিসরীয় নেতা আনোয়ার সাদাতের নিহতের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করার পরে সাদাতকে হত্যা করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র তাকে রক্ষা করার জন্য কী করেছিল?

তিনি যে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকিকরণের চুক্তিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সত্যিকারের গঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার যুক্তি তুলে ধরেন। যুবরাজ এ শর্তকে খুবই উচিত বলে অভিহিত করেন। কারণ হিসেবে বলেন, গাজা যুদ্ধ এখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরবদের ক্রোধকে তীব্রতর করেছে।

তবে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তির আলোচনা চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক। এটিকে তার দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেন বলে জানান তিনি।

এদিকে ইসরায়েলি সরকার সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকিকরণের চুক্তিতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সত্যিকার গঠনকে অন্তর্ভুক্ত করতে ইচ্ছুক নয়।

প্রসঙ্গত, সৌদি-ইসরায়েলের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে কৌশলগত অংশীদারি চুক্তির মূল শর্তগুলো প্রায় চূড়ান্ত। এখন ফিলিস্তিন ইস্যুসহ মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে দরকষাকষি চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা, এই চুক্তি সম্পন্ন হলে সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে।