ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিঠাপুকুরে পরিকল্পিত হামলা: ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ গণপূর্তে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! সাকিলা ইসলামকে ঘিরে লাইসেন্স শাখায় সিন্ডিকেট তৎপর শেরপুরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক রোগী! ফায়ার সার্ভিস ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হত্যার হুমকি মিরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: ‘সাব-রেজিস্টার’কে বানানো হয় জখন ‘সব রেজিস্টার’! জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ নেত্রকোণায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ২০ জঙ্গলে ২৭ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরলেন নি‌খোঁজ মালয়েশিয়া প্রবাসী উল্টো পথে আসা পিকআপে অটোরিকশায় ধাক্কা, অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৭ এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ সদস্য হলেন ২ এমপি

ঢাকায় কারফিউ শিথিল রাত ৮টা পর্যন্ত

সারা দেশে চলমান রয়েছে কারফিউ। তবে নির্দিষ্ট একটা সময় ওই কারফিউ রাখা হয় শিলিথ। আজ শনিবারও কারফিউ থাকছে রাজধানীতে। এদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। তবে এই সময়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব অফিস স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী তাদের কাজ চলমান রাখতে পারবে। তবে শনিবার ছুটির দিন থাকায় বেশির ভাগ অফিসই তাদের নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ রয়েছে।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হলে কারফিউ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোটা অন্দোলনে শিক্ষার্থীদের যে দাবি ছিল, তার সব মেনে নেওয়ার পরও সহিংসতা থামেনি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা কারফিউ জারি করেছিলাম। আমরা সারাদেশের শান্তিশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করেছি। সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। আগামী বুধবার থেকে শনিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। এ ছাড়া কবে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে সেটি শিক্ষামন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। টেকনিক্যাল বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন যে, কবে থেকে পরিপূর্ণভাবে ইন্টারনেট চালু হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটে। একের পর এক রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় হামলা হয় এদিন। পরের দিনও সহিংসতা এবং প্রাণহানি চলতে থাকলে সেদিন মধ্যরাত থেকে কারফিউ জারি করা হয়, সারা দেশে মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনী।
প্রথমদিন ঢাকায় দুই ঘণ্টা করে কারফিউ শিথিল রাখা হয় জরুরি কাজ করার জন্য। পরদিন থেকে শিথিলের মেয়াদ বাড়তে থাকে। এর মধ্যে বুধবার থেকে সীমিত পরিসরে অফিস চালু হয়।

শুক্র ও শনিবার ঢাকায় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল রাখার ঘোষণা আসে বৃহস্পতিবার।

নতুন সপ্তাহে অফিস সময়সূচি চার ঘণ্টার বদলে ছয় ঘণ্টা করা হয়। সিদ্ধান্ত হয়, সকাল ৯টা থেকে অফিস খোলা থাকবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।

অবশেষে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অফিস চালুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠাপুকুরে পরিকল্পিত হামলা: ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

ঢাকায় কারফিউ শিথিল রাত ৮টা পর্যন্ত

আপডেট সময় ১২:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

সারা দেশে চলমান রয়েছে কারফিউ। তবে নির্দিষ্ট একটা সময় ওই কারফিউ রাখা হয় শিলিথ। আজ শনিবারও কারফিউ থাকছে রাজধানীতে। এদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। তবে এই সময়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব অফিস স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী তাদের কাজ চলমান রাখতে পারবে। তবে শনিবার ছুটির দিন থাকায় বেশির ভাগ অফিসই তাদের নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ রয়েছে।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হলে কারফিউ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোটা অন্দোলনে শিক্ষার্থীদের যে দাবি ছিল, তার সব মেনে নেওয়ার পরও সহিংসতা থামেনি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা কারফিউ জারি করেছিলাম। আমরা সারাদেশের শান্তিশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করেছি। সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। আগামী বুধবার থেকে শনিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। এ ছাড়া কবে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে সেটি শিক্ষামন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। টেকনিক্যাল বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন যে, কবে থেকে পরিপূর্ণভাবে ইন্টারনেট চালু হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটে। একের পর এক রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় হামলা হয় এদিন। পরের দিনও সহিংসতা এবং প্রাণহানি চলতে থাকলে সেদিন মধ্যরাত থেকে কারফিউ জারি করা হয়, সারা দেশে মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনী।
প্রথমদিন ঢাকায় দুই ঘণ্টা করে কারফিউ শিথিল রাখা হয় জরুরি কাজ করার জন্য। পরদিন থেকে শিথিলের মেয়াদ বাড়তে থাকে। এর মধ্যে বুধবার থেকে সীমিত পরিসরে অফিস চালু হয়।

শুক্র ও শনিবার ঢাকায় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল রাখার ঘোষণা আসে বৃহস্পতিবার।

নতুন সপ্তাহে অফিস সময়সূচি চার ঘণ্টার বদলে ছয় ঘণ্টা করা হয়। সিদ্ধান্ত হয়, সকাল ৯টা থেকে অফিস খোলা থাকবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।

অবশেষে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অফিস চালুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো।