ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সোহেলের গ্রামের মানুষ জানতেন ‘লটারি পেয়ে ধনী হয়েছেন

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৭ জনের একজন আবু সোলেমান সোহেল (৩৫)। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বানাশুয়া গ্রামে। তিনি ওই এলাকার আব্দুল ওহাব বিএসসির ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সোহেলের গ্রেপ্তারের খবরে বিস্মিত এলাকাবাসী। তারা জানতেন, কোনো এক লটারি পেয়ে সোহেল বড়লোক হয়েছেন।

তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট সোহেল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে স্নাতক শেষ করেছেন বলে পরিবারকে জানিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের ছবি তার ফেসবুকে রয়েছে।

বানাশুয়া গ্রামের আতিক নামের এক বাসিন্দা বলেন, ‘সোহেল আমেরিকার কোনো এক লটারিতে কোটি টাকা পেয়েছেন। সেই টাকায় এখন তিনি বড় ব্যবসায়ী। সবাই তাকে কোটিপতি সোহেল নামে চিনত। ঢাকা থেকে সোহেল যখন বাড়িতে আসতেন, তখন একা চলাফেরা করতেন। কারও সঙ্গে তেমন মিশতেন না।’

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, সোহেলের এক ভাইয়ের কুমিল্লা নগরীর ছাতিপট্টিতে সোনার দোকান আছে। আরেক ভাইয়ের সোনার দোকান বুড়িচং উপজেলা সদরে। দুই দোকানেই সোহেলের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। গত রমজান ঈদের আগে সোহেল বাড়ির পাশে ৬০ শতক জমি দেড় কোটি টাকায় কেনেন।

এ বিষয়ে জানতে সোহেলের বড় ভাই খালেদ হোসেনের মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আমড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক বলেন, সে (সোহেল) যে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত, এটা শুনে অবাক হয়েছি। আমি জানতাম, সে ঢাকায় চাকরি না জানি কী ব্যবসা করে

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোহেলের গ্রামের মানুষ জানতেন ‘লটারি পেয়ে ধনী হয়েছেন

আপডেট সময় ০৫:২৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৭ জনের একজন আবু সোলেমান সোহেল (৩৫)। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বানাশুয়া গ্রামে। তিনি ওই এলাকার আব্দুল ওহাব বিএসসির ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সোহেলের গ্রেপ্তারের খবরে বিস্মিত এলাকাবাসী। তারা জানতেন, কোনো এক লটারি পেয়ে সোহেল বড়লোক হয়েছেন।

তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট সোহেল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে স্নাতক শেষ করেছেন বলে পরিবারকে জানিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের ছবি তার ফেসবুকে রয়েছে।

বানাশুয়া গ্রামের আতিক নামের এক বাসিন্দা বলেন, ‘সোহেল আমেরিকার কোনো এক লটারিতে কোটি টাকা পেয়েছেন। সেই টাকায় এখন তিনি বড় ব্যবসায়ী। সবাই তাকে কোটিপতি সোহেল নামে চিনত। ঢাকা থেকে সোহেল যখন বাড়িতে আসতেন, তখন একা চলাফেরা করতেন। কারও সঙ্গে তেমন মিশতেন না।’

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, সোহেলের এক ভাইয়ের কুমিল্লা নগরীর ছাতিপট্টিতে সোনার দোকান আছে। আরেক ভাইয়ের সোনার দোকান বুড়িচং উপজেলা সদরে। দুই দোকানেই সোহেলের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। গত রমজান ঈদের আগে সোহেল বাড়ির পাশে ৬০ শতক জমি দেড় কোটি টাকায় কেনেন।

এ বিষয়ে জানতে সোহেলের বড় ভাই খালেদ হোসেনের মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আমড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক বলেন, সে (সোহেল) যে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত, এটা শুনে অবাক হয়েছি। আমি জানতাম, সে ঢাকায় চাকরি না জানি কী ব্যবসা করে