ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নরসিংদীতে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪৯ বগুড়ার সাব-রেজিস্ট্রার অনিমেষ পালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আর কত দিন লাগবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী গ্যাসের দাম এক টাকাও বাড়ালে সরকার টিকতে পারবে না : নাহিদ ইসলাম শিবির করায় ববির এক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীকে ছাত্রদলের মারধর, অতঃপর চাকরিচ্যুত জুলাই দিবস পালন শেষে জাজিরা উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ১২ হাজার টাকার ঋণ, ১৩ লাখ টাকার মামলা; বালিয়াডাঙ্গীতে গ্রেপ্তার সুদ ব্যবসায়ী কুমিল্লায় সোহান হত্যা মামলায় বৃদ্ধ মিজানুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নওগাঁয় এআই কানেক্টেড ক্যামেরার সুফল: যশোরে স্পেশাল ড্রাইভে স্বর্ণ ছিনতাইকারী গ্রেফতার যুক্তরাষ্ট্রে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি’র সুযোগ পেলেন বেরোবি শিক্ষার্থী ইমন 

দুই ওসিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

২০১৮ সালের মার্চে ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনকে হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে শাহবাগ ও রমনা থানার তৎকালীন ওসিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালত মামলা গ্রহণের মতো কোনো উপদান না থাকায় তা খারিজ করে দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামান  আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং আদেশের জন্য এদিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে ঘটনার প্রায় সাড়ে চার বছর পর গত ১২ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে মিলনের চাচা বি এম অলি উল্যাহ বাদী হয়ে এ আবেদন করেন। মামলায় যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন শাহবাগ থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান, রমনা থানার তৎকালীন ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম, শাহবাগ থানার তৎকালীন এস আই- সুজন কুমার রায়, সাইদুর রহমান মুন্সি, অমল কৃষ্ণ ও শাহরিয়ার রেজা। এছাড়া দুই থানার অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।

বাদী হন্য হয়ে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে পরে জানতে পারে মার্চের ৮ তারিখ তাকে কোর্টে হাজির করা হয়েছে। তিনি ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে দেখতে পান পুলিশ হেফাজতে অবস্থায় তার ভাতিজা জাকির হোসেন মিলনকে জখম অবস্থায় কোর্টে উঠানো হয়েছে। এরপর শাহবাগ থানার পুলিশ আদালতের নিকট রিমান্ডের আবেদন দিয়ে তা মঞ্জুর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।

একই সালের ১১ মার্চ বাদী শুনতে পায়, ভিকটিম জাকির হোসেন মিলনকে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ আদালতে হাজির করে। সেদিন সকালে বাদী ঢাকার সি.এম.এম. আদালতে হাজির হয়ে দেখতে পান দুইজন পুলিশ মিলনকে কোর্টে হাজির করেছে। নির্মম নির্যাতনের শিকার মিলনকে মৃতপ্রায় অবস্থায় আদালতে হাজির করার পর আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠান। কেরানীগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ তাকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠায় এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪৯

দুই ওসিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

আপডেট সময় ০২:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

২০১৮ সালের মার্চে ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনকে হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে শাহবাগ ও রমনা থানার তৎকালীন ওসিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালত মামলা গ্রহণের মতো কোনো উপদান না থাকায় তা খারিজ করে দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামান  আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং আদেশের জন্য এদিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে ঘটনার প্রায় সাড়ে চার বছর পর গত ১২ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে মিলনের চাচা বি এম অলি উল্যাহ বাদী হয়ে এ আবেদন করেন। মামলায় যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন শাহবাগ থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান, রমনা থানার তৎকালীন ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম, শাহবাগ থানার তৎকালীন এস আই- সুজন কুমার রায়, সাইদুর রহমান মুন্সি, অমল কৃষ্ণ ও শাহরিয়ার রেজা। এছাড়া দুই থানার অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।

বাদী হন্য হয়ে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে পরে জানতে পারে মার্চের ৮ তারিখ তাকে কোর্টে হাজির করা হয়েছে। তিনি ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে দেখতে পান পুলিশ হেফাজতে অবস্থায় তার ভাতিজা জাকির হোসেন মিলনকে জখম অবস্থায় কোর্টে উঠানো হয়েছে। এরপর শাহবাগ থানার পুলিশ আদালতের নিকট রিমান্ডের আবেদন দিয়ে তা মঞ্জুর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।

একই সালের ১১ মার্চ বাদী শুনতে পায়, ভিকটিম জাকির হোসেন মিলনকে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ আদালতে হাজির করে। সেদিন সকালে বাদী ঢাকার সি.এম.এম. আদালতে হাজির হয়ে দেখতে পান দুইজন পুলিশ মিলনকে কোর্টে হাজির করেছে। নির্মম নির্যাতনের শিকার মিলনকে মৃতপ্রায় অবস্থায় আদালতে হাজির করার পর আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠান। কেরানীগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ তাকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠায় এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়।