ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস পালিত সোনার দাম আরও কমল মিয়ানমার থেকে ফিরেছেন ১৭৩ বাংলাদেশি মোদির ‘মঙ্গলসূত্র’ ইস্যুতে ‘ক্ষোভ ঝাড়লেন’ প্রিয়াংকা জলদস্যুর দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে কর্মহীন ‘চর রায়হানে বসবাসরত জেলে পরিবার শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ঢাকা মহানগরের পক্ষ থেকে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে তীব্র তাপদাহে পথচারী ও শ্রমজীবীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও শরবত বিতরণ পটুয়াখালীর বাউফলে মৌসুমী আক্তার (১৭) নামের এক শিক্ষার্থী প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রেমিকা সাজিদ মৃধার উপর অভিমান করে বিষপানে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এবারের নির্বাচন বরুড়ার মানুষ মুক্তির পথ হিসেবে দেখছেঃ কামাল প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি-ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল, নিরাপত্তাহীনতায় তরুণী

ভারতীয় সীমান্তে এলো মরদেহ, দেখলো স্বজনরা প্রশংসায় ভাসছে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তবর্তী বিজিবি-বিএসএফ

ভারতীয় এক আত্নীয়ের মরদেহ দেখার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশী স্বজনরা। এ মানবিক উদ্যোগ নেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সীমান্তবর্তী ভারতে বসবাসরত সরুকজানের (৬০) মরদেহ বাংলাদেশে অবস্থানরত তার ভাই-বোনসহ নিকট আত্নীয়কে দেখালো বিএসএফ।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২টার দিকে ৫৮ বিজিবি এবং ৫৪ বিএসএফের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত পিলার ৬৮/১২-টি হতে ভারতের ১০০ গজ ভেতরে মরদেহ
স্বজনদের দেখানো হয়।
জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়াশপুর সীমান্তবর্তী ভারতের বাগানপাড়ায় বসবাসরত আজিবারের স্ত্রী সরুকজান (৬০) বাধক্যজনিত কারণে মারা যায়।
মৃত্যুর খবর পেয়ে এ দেশের স্বজনরা মরদেহ দেখতে বিজিবির কাছে আবেদন করেন। বিজিবি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সাড়া পায়। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৫৮ বিজিবি এবং ৫৪ বিএসএফের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত পিলার ৬৮/১২-টি হতে ভারতের ১০০ গজ ভেতরে মরদেহ রেখে স্বজনদের দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ভারতের নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুর বাগানপাড়া এলাকার আজিবারের স্ত্রী সরুকজান বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার ভোরে মারা যান। তার ভাই-বোন এবং নিকট আত্নীয় বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন।
পরে বিজিবি-বিএসএফের উপস্থিতিতে তাদের মরদেহ দেখানো হয়। এসময় দুই দেশের আত্নীয় স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে। পরে মরদেহ দাফনের
উদ্দেশ্যে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাংলাদেশি জনগণ তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। এই মহানুভবতায় প্রশংসায় ভাসছে বিজিবি-বিএসএফ। বিজিবি-বিএসএফ মহানুভবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে মনে করেন সুধীসমাজ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস পালিত

ভারতীয় সীমান্তে এলো মরদেহ, দেখলো স্বজনরা প্রশংসায় ভাসছে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তবর্তী বিজিবি-বিএসএফ

আপডেট সময় ০৫:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভারতীয় এক আত্নীয়ের মরদেহ দেখার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশী স্বজনরা। এ মানবিক উদ্যোগ নেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সীমান্তবর্তী ভারতে বসবাসরত সরুকজানের (৬০) মরদেহ বাংলাদেশে অবস্থানরত তার ভাই-বোনসহ নিকট আত্নীয়কে দেখালো বিএসএফ।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২টার দিকে ৫৮ বিজিবি এবং ৫৪ বিএসএফের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত পিলার ৬৮/১২-টি হতে ভারতের ১০০ গজ ভেতরে মরদেহ
স্বজনদের দেখানো হয়।
জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়াশপুর সীমান্তবর্তী ভারতের বাগানপাড়ায় বসবাসরত আজিবারের স্ত্রী সরুকজান (৬০) বাধক্যজনিত কারণে মারা যায়।
মৃত্যুর খবর পেয়ে এ দেশের স্বজনরা মরদেহ দেখতে বিজিবির কাছে আবেদন করেন। বিজিবি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সাড়া পায়। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৫৮ বিজিবি এবং ৫৪ বিএসএফের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত পিলার ৬৮/১২-টি হতে ভারতের ১০০ গজ ভেতরে মরদেহ রেখে স্বজনদের দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ভারতের নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুর বাগানপাড়া এলাকার আজিবারের স্ত্রী সরুকজান বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার ভোরে মারা যান। তার ভাই-বোন এবং নিকট আত্নীয় বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন।
পরে বিজিবি-বিএসএফের উপস্থিতিতে তাদের মরদেহ দেখানো হয়। এসময় দুই দেশের আত্নীয় স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে। পরে মরদেহ দাফনের
উদ্দেশ্যে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাংলাদেশি জনগণ তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। এই মহানুভবতায় প্রশংসায় ভাসছে বিজিবি-বিএসএফ। বিজিবি-বিএসএফ মহানুভবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে মনে করেন সুধীসমাজ।