সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানের সঙ্গে চুক্তি করায় ইসরায়েলের তোপের মুখে ট্রাম্প বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী চার দিনের রিমান্ড বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : বিমানমন্ত্রী জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর সেই ২০ জনকে আবারও পুশ-ইনের চেষ্টা, এবার লাঠি নিয়ে পাহারায় জনগণ নাফরিজা শ্যামার সিদ্ধান্তে কাজ ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন ফতুল্লার ওসি মাহবুবের জমি দখলের রাজত্ব চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ, আটক ১

রাতে সদরঘাট থেকে ছেড়েছে বরিশালগামী লঞ্চ

ব‌রিশাল-‌ভোলা রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে রাতে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়েছে বেশ কয়েকটি লঞ্চ। বিএন‌পির বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে বরিশাল-ভোলা রুটে লঞ্চ ও অন্যান্য নৌযান বন্ধের অভিযোগ উঠেছে।

তবে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাজধানী থেকেও লঞ্চ না ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অবশ্য লঞ্চ মালিকরা বলছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে লঞ্চ বন্ধ করবেন না তারা।

একাধিক লঞ্চ মালিকের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন,  রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে লঞ্চ বন্ধ হওয়ার কারণ নেই। স্ব স্ব রুটে তাদের নৌযানের চলাচল নিয়মতান্ত্রিকভাবে অব্যহত থাকবে।

সদরঘাটের লঞ্চ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার লঞ্চ বন্ধ হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। এদিন সকালে বরিশাল থেকে লঞ্চ সদরঘাটে এবং সদরঘাট থেকে বরিশালে নাও ছেড়ে যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, রাত ৯ টা পর্যন্ত সদরঘাটের পল্টুনগুলো থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে লঞ্চগুলো। সন্ধ্যার পর পটুয়াখালী ও বগাগামী লঞ্চ পল্টুন ছেড়ে গেছে। রাত ১০টা পর্যন্ত ছেড়ে গেছে বরিশালগামী মানামী, পারাবত- ১৮, সুরভী- ৭  ও শুভরাজ- ৯। এছাড়াও ছাড়ার অপেক্ষায় ছিল সুন্দরবন এবং আরও কয়েকটি ছোট লঞ্চ।

পল্টুন ও ঘাট এলাকায় হাঁক-ডাক করে যাত্রী ডাকছেন শ্রমিকরা। লঞ্চগুলোতে যাত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। ছুটির আগের দিন হওয়ায় সদরঘাট  টার্মিনালে লোকসমাগমও ছিলো চোখে পড়ার মতো। তবে যাত্রীদের মধ্যে যে কোনও মুহূর্তে লঞ্চ বন্ধ হওয়ার শঙ্কা কাজ করছে।

এ বিষয়ে লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘লঞ্চ বন্ধ রাখার বিষয়ে কেনও সিদ্ধান্ত আমাদের হয়নি। যাত্রী ভোগান্তি হয় এমন কোনও সিদ্ধান্ত আমরা নেবো না। তেমন সিদ্ধান্ত হলে আগেভাগে জানানো হবে।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার প্রেসিডেন্ট মাহবুব উদ্দিন আহমদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে লঞ্চ বন্ধ রাখা হবে না। এটি বন্ধ রাখার কোনও বিশেষ কারণ নেই। কোনও মালিক যদি তেল খরচ দিতে না পেরে তার নৌযান বন্ধ রাখে তাহলে সেটা তার ব্যাপার। তবে আমরা লঞ্চ চালু রাখার সিদ্ধান্তে অটুট আছি।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সঙ্গে চুক্তি করায় ইসরায়েলের তোপের মুখে ট্রাম্প

রাতে সদরঘাট থেকে ছেড়েছে বরিশালগামী লঞ্চ

আপডেট সময় ০৩:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০২২

ব‌রিশাল-‌ভোলা রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে রাতে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়েছে বেশ কয়েকটি লঞ্চ। বিএন‌পির বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে বরিশাল-ভোলা রুটে লঞ্চ ও অন্যান্য নৌযান বন্ধের অভিযোগ উঠেছে।

তবে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাজধানী থেকেও লঞ্চ না ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অবশ্য লঞ্চ মালিকরা বলছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে লঞ্চ বন্ধ করবেন না তারা।

একাধিক লঞ্চ মালিকের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন,  রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে লঞ্চ বন্ধ হওয়ার কারণ নেই। স্ব স্ব রুটে তাদের নৌযানের চলাচল নিয়মতান্ত্রিকভাবে অব্যহত থাকবে।

সদরঘাটের লঞ্চ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার লঞ্চ বন্ধ হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। এদিন সকালে বরিশাল থেকে লঞ্চ সদরঘাটে এবং সদরঘাট থেকে বরিশালে নাও ছেড়ে যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, রাত ৯ টা পর্যন্ত সদরঘাটের পল্টুনগুলো থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে লঞ্চগুলো। সন্ধ্যার পর পটুয়াখালী ও বগাগামী লঞ্চ পল্টুন ছেড়ে গেছে। রাত ১০টা পর্যন্ত ছেড়ে গেছে বরিশালগামী মানামী, পারাবত- ১৮, সুরভী- ৭  ও শুভরাজ- ৯। এছাড়াও ছাড়ার অপেক্ষায় ছিল সুন্দরবন এবং আরও কয়েকটি ছোট লঞ্চ।

পল্টুন ও ঘাট এলাকায় হাঁক-ডাক করে যাত্রী ডাকছেন শ্রমিকরা। লঞ্চগুলোতে যাত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। ছুটির আগের দিন হওয়ায় সদরঘাট  টার্মিনালে লোকসমাগমও ছিলো চোখে পড়ার মতো। তবে যাত্রীদের মধ্যে যে কোনও মুহূর্তে লঞ্চ বন্ধ হওয়ার শঙ্কা কাজ করছে।

এ বিষয়ে লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘লঞ্চ বন্ধ রাখার বিষয়ে কেনও সিদ্ধান্ত আমাদের হয়নি। যাত্রী ভোগান্তি হয় এমন কোনও সিদ্ধান্ত আমরা নেবো না। তেমন সিদ্ধান্ত হলে আগেভাগে জানানো হবে।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার প্রেসিডেন্ট মাহবুব উদ্দিন আহমদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে লঞ্চ বন্ধ রাখা হবে না। এটি বন্ধ রাখার কোনও বিশেষ কারণ নেই। কোনও মালিক যদি তেল খরচ দিতে না পেরে তার নৌযান বন্ধ রাখে তাহলে সেটা তার ব্যাপার। তবে আমরা লঞ্চ চালু রাখার সিদ্ধান্তে অটুট আছি।’