ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট নেপালে কাদার ভেতর উদ্ধারকারীদের মরিয়া অনুসন্ধান, নিখোঁজ ৩০০০ সবজির চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা রংপুরের চক্রবর্তী পরিবারের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি সরকার গুম, খুন ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৩৭, আহত ৪২ লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হঠাৎ ঢাকাসহ ৪০ জেলায় সতর্কবার্তা

ইভা আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী পালাতক প্রধান আসামি পলাশকে গ্রেপ্তার করেছে ৱ্যাব-৫।

অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ইভা আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী পালাতক প্রধান আসামি পলাশকে গ্রেপ্তার করেছে ৱ্যাব-৫।

সিপি এস সি ৱ্যাব-৫ রাজশাহী বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তি হতে জানা যায় গত ২৫ জুলাই ২০২৩ ইং সময় ০৫-৩০মিঃ ঘটিকায় রাজশাহী সিপিএসসি এবং ৱ্যাব ১১ নারায়ণগঞ্জ সদর কোম্পানি যৌথ অভিযানিক দল নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোড এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে সায়মা আরভী ইভা আত্মহত্যার প্ররোচরনাকারীর প্রধান আসামি মোঃ নাজমুল মাহমুদ পলাশ (৩০) পিতা মুসলেম উদ্দিন সাং – দেবের পাড়া,থানা- কর্ণহার, রাজশাহী মহানগর কে গ্রেফতার করেন।

আরো জানা যায় পারিবারিকভাবে ইভার গত ১৪ জানুয়ারি শাওন নামের এক ব্যক্তির সাথে বিয়ে ঠিক হয় অতঃপর ১৫ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর এর একটি পার্লার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইভাকে অপহরণ করে আসামিগণ এবং প্রধান আসামি পলাশ ওই দিনেই ইভাকে বিয়ে করে এবং রাতে ইভাদের বাসায় ইভাকে ফেলে রেখে চলে যায়। এবং উক্ত ঘটনা যখন ইভার পরিবার জানতে পারে তখন পারিবারিকভাবে তারা ঘটনাটি মেনে নেয় এবং পূর্বে নির্ধারিত বিয়ে ভেঙে দেয়। কিন্তু মামলার প্রধান আসামী পলাশ সে সময় আর ইভাকে গ্রহণ করতে রাজি হয় না । বিধায় পারিবারিকভাবে এবং সামাজিকভাবে হেই প্রতিপন্ন ও লাঞ্ছিত হয় আর উক্ত বিষয়টি ইভা মেনে নিতে না পারাই অতিরিক্ত হাইপার টেনশনের ওষুধ সেবন করে ইভা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ইভার পরিবার বুঝতে পেরে ১৯শে জানুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে ২০শে জানুয়ারি রাজশাহীর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সায়মা আরভী ইভা।

পরবর্তীতে ইভার মামা বাদী হয়ে কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন যে মামলার তদন্তভার আদালত পিবিআই কে দেয় এবং পিবিআই তদন্ত শেষে ৬ জনের নামে চার্জশিট দায়ের করে এবং গত ৩ জুলাই রাজশাহী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -১ থেকে আসামীদের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এই মামলায় মোট আসামী সংখ্যা ৬ (ছয় ) জন যার মধ্যে ৫ জন আসামী হাইকোর্ট থেকে অগ্রিম অস্থায়ী জামিনে আছে বলে জানা যায় এবং প্রধান আসামী পলাশ পালাতক ছিলেন। আর প্রশাসন যেখানে তৎপর সেখানে পালিয়ে কোন লাভ হলো না মামলার প্রধান আসামী পলাশের তাই তো ২৫শে জুলাই অবশেষে ৱ্যাব-৫ গ্রেফতার করলো মামলার প্রধান আসামি পলাশকে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট

ইভা আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী পালাতক প্রধান আসামি পলাশকে গ্রেপ্তার করেছে ৱ্যাব-৫।

আপডেট সময় ০৫:৫১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩

অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ইভা আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী পালাতক প্রধান আসামি পলাশকে গ্রেপ্তার করেছে ৱ্যাব-৫।

সিপি এস সি ৱ্যাব-৫ রাজশাহী বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তি হতে জানা যায় গত ২৫ জুলাই ২০২৩ ইং সময় ০৫-৩০মিঃ ঘটিকায় রাজশাহী সিপিএসসি এবং ৱ্যাব ১১ নারায়ণগঞ্জ সদর কোম্পানি যৌথ অভিযানিক দল নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোড এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে সায়মা আরভী ইভা আত্মহত্যার প্ররোচরনাকারীর প্রধান আসামি মোঃ নাজমুল মাহমুদ পলাশ (৩০) পিতা মুসলেম উদ্দিন সাং – দেবের পাড়া,থানা- কর্ণহার, রাজশাহী মহানগর কে গ্রেফতার করেন।

আরো জানা যায় পারিবারিকভাবে ইভার গত ১৪ জানুয়ারি শাওন নামের এক ব্যক্তির সাথে বিয়ে ঠিক হয় অতঃপর ১৫ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর এর একটি পার্লার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইভাকে অপহরণ করে আসামিগণ এবং প্রধান আসামি পলাশ ওই দিনেই ইভাকে বিয়ে করে এবং রাতে ইভাদের বাসায় ইভাকে ফেলে রেখে চলে যায়। এবং উক্ত ঘটনা যখন ইভার পরিবার জানতে পারে তখন পারিবারিকভাবে তারা ঘটনাটি মেনে নেয় এবং পূর্বে নির্ধারিত বিয়ে ভেঙে দেয়। কিন্তু মামলার প্রধান আসামী পলাশ সে সময় আর ইভাকে গ্রহণ করতে রাজি হয় না । বিধায় পারিবারিকভাবে এবং সামাজিকভাবে হেই প্রতিপন্ন ও লাঞ্ছিত হয় আর উক্ত বিষয়টি ইভা মেনে নিতে না পারাই অতিরিক্ত হাইপার টেনশনের ওষুধ সেবন করে ইভা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ইভার পরিবার বুঝতে পেরে ১৯শে জানুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে ২০শে জানুয়ারি রাজশাহীর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সায়মা আরভী ইভা।

পরবর্তীতে ইভার মামা বাদী হয়ে কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন যে মামলার তদন্তভার আদালত পিবিআই কে দেয় এবং পিবিআই তদন্ত শেষে ৬ জনের নামে চার্জশিট দায়ের করে এবং গত ৩ জুলাই রাজশাহী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -১ থেকে আসামীদের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এই মামলায় মোট আসামী সংখ্যা ৬ (ছয় ) জন যার মধ্যে ৫ জন আসামী হাইকোর্ট থেকে অগ্রিম অস্থায়ী জামিনে আছে বলে জানা যায় এবং প্রধান আসামী পলাশ পালাতক ছিলেন। আর প্রশাসন যেখানে তৎপর সেখানে পালিয়ে কোন লাভ হলো না মামলার প্রধান আসামী পলাশের তাই তো ২৫শে জুলাই অবশেষে ৱ্যাব-৫ গ্রেফতার করলো মামলার প্রধান আসামি পলাশকে।