ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ

ইলিশের প্রজনন মওসুমকে কেন্দ্র করে মৎস্য অধিদফতরের দেওয়া ২২ দিনের  নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে। 

ইলিশের নিরাপদ প্রজনন এবং ভবিষ্যতের জন্য মাছটি রক্ষার লক্ষ্যে ৭ অক্টোবর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞার এই সময়টাতে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে সাগরে নামার শেষ প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন জেলেরা।

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে নৌপুলিশের আয়োজনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শেষে গতকাল নৌ-পুলিশের প্রধান, অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এবারের অভিযানে ১২৭ কোটি কারেন্ট জাল, সাড়ে ৪২ হাজার কেজি ইলিশ মাছ, ৪০০ মামলা ও সাড়ে ৪ হাজার অসাধু জেলেকে আটক করা হয়েছে। প্রত্যাশা করি এ বছর ইলিশের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পাবে।

তবে এবারের ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় যে সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল তা নিয়ে কুয়াকাটার উপকূলীয় এলাকার জেলে ও ব্যবসায়ীদের আপত্তি ছিল। মৌসুমজুড়েই ছিল কুয়াকাটা ও মহিপুর উপকূলীয় এলাকার জেলেদের জালে ইলিশের আকাল। ধরা পড়া মাছের অধিকাংশই ছিল আকারে ছোট। বৈরি আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকবার বন্ধ ছিল মাছ ধরা। এরই মাঝে ২২ দিন বন্ধ রাখতে হয় ইলিশ ধরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্ব শ্রমিক দিবসে কুমিল্লায় তরুণদের ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ

আপডেট সময় ০১:৫২:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২

ইলিশের প্রজনন মওসুমকে কেন্দ্র করে মৎস্য অধিদফতরের দেওয়া ২২ দিনের  নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে। 

ইলিশের নিরাপদ প্রজনন এবং ভবিষ্যতের জন্য মাছটি রক্ষার লক্ষ্যে ৭ অক্টোবর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞার এই সময়টাতে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে সাগরে নামার শেষ প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন জেলেরা।

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে নৌপুলিশের আয়োজনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শেষে গতকাল নৌ-পুলিশের প্রধান, অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এবারের অভিযানে ১২৭ কোটি কারেন্ট জাল, সাড়ে ৪২ হাজার কেজি ইলিশ মাছ, ৪০০ মামলা ও সাড়ে ৪ হাজার অসাধু জেলেকে আটক করা হয়েছে। প্রত্যাশা করি এ বছর ইলিশের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পাবে।

তবে এবারের ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় যে সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল তা নিয়ে কুয়াকাটার উপকূলীয় এলাকার জেলে ও ব্যবসায়ীদের আপত্তি ছিল। মৌসুমজুড়েই ছিল কুয়াকাটা ও মহিপুর উপকূলীয় এলাকার জেলেদের জালে ইলিশের আকাল। ধরা পড়া মাছের অধিকাংশই ছিল আকারে ছোট। বৈরি আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকবার বন্ধ ছিল মাছ ধরা। এরই মাঝে ২২ দিন বন্ধ রাখতে হয় ইলিশ ধরা।