ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের জেন-জিদের মন জয়ে মোদির নতুন কৌশল মৃগী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীর ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সেন্ট লুইস উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানকে বন্দি করা ছিল দেশি-বিদেশি চক্রান্তের যৌথ বহিঃপ্রকাশ: রিজভী ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে : তথ্যমন্ত্রী লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম, শত ডলার ছুঁইছুঁই আত্রাইয়ে ওষুধ প্রশাসনের আয়োজনে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় শেরপুর উপজেলায় বউ মেলায় নারীদের ঢল

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় প্রতিবছর বারুণী মেলা শেষে ‘বউ মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের গাড়ীদহ এলাকার করতোয়া নদীর পশ্চিম কোলঘেঁষে বউ মেলা বসে। মেলায় ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই নারী। কোনো পুরুষ আসতে পারেন না। তাই বিভিন্ন বয়সী নারীরা প্রাণভরে মেলায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। কিনেছেন প্রসাধনীসহ নানা পণ্য সামগ্রী। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ মেলা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশাল মাঠজুড়ে মেলা বসে। মেলায় স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের দোকান। একপাশে চলছে মোটরসাইকেল ও নাগরদোলা খেলা। নারীরা দলবেঁধে আবার এলোমেলোভাবে দোকানে দোকানে ঘুরছেন। জিনিসপত্র পছন্দ করছেন। দরদাম করে পছন্দের জিনিসটি কিনছেন। আবার অনেকেই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে নানা ধরনের ভাজাপোড়ার দোকানে ভিড় করছেন। সন্তানদের আবদার পূরণে সেগুলো দোকানে বসে বা পাশে দাঁড়িয়ে অনেককে খেতেও দেখা যায়।

নিমাই চন্দ্রের স্ত্রী কল্পনা ঘোষ, তার বোন হিরা, ছেলে আকাশ ও মেয়ে নুপুরকে নিয়ে বউ মেলায় এসেছেন। তিনি বলেন, মেলা থেকে বিভিন্ন ধরনের খেলনা, কসমেটিকস, হাত পাখা, কাঠের সামগ্রী, মিষ্টান্ন সামগ্রী কিনেছি। ছেলে-মেয়েকে বাইক খেলা দেখিয়েছি। নাগরদোলায় চড়ে ওরা ব্যাপক আনন্দ করেছে।

মেলায় আসা সালমা, সুমাইয়া আক্তার, মুন্নী আক্তারসহ একাধিক নারী জানান, বাড়ির কাছে মেলা হওয়ায় সকালে একদফা আসেন তারা। বিকেলে আরেকদফা মেলায় আসেন। অনেক কিছু খেয়েছেন। মেলা থেকে কিছু সাংসারিক জিনিসপত্র কেনা হয়েছে। পাশাপাশি সন্তানদের জন্য নানা ধরনের খেলনা সামগ্রী কিনেছেন। বাদ যায়নি মিষ্টান্ন সামগ্রী কেনা। বউ মেলাটি তাদের ভীষণ আনন্দ দিয়েছে।

মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য আনিছুর রহমান বলেন, প্রত্যেক বছর চৈত্রের বারুণী তিথির দ্বিতীয়দিনে এখানে বউ মেলার আয়োজন করা হয়। তবে এবার তিথি অনুযায়ী মেলা হয়নি। রোজার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। তাই ঈদের পরপরই বৈশাখ মাসে এসে ঐতিহ্যবাহী মেলাটি হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বউ মেলায় এসে বিভিন্ন বয়সী নারীরা নানা ধরনের জিনিসপত্র কিনেছেন। এছাড়া এবার মেলা জাঁকজমকভাবে হওয়ায় সময়সীমা আরও দু-একদিন বাড়তে পারে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি?

বগুড়ায় শেরপুর উপজেলায় বউ মেলায় নারীদের ঢল

আপডেট সময় ১২:১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় প্রতিবছর বারুণী মেলা শেষে ‘বউ মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের গাড়ীদহ এলাকার করতোয়া নদীর পশ্চিম কোলঘেঁষে বউ মেলা বসে। মেলায় ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই নারী। কোনো পুরুষ আসতে পারেন না। তাই বিভিন্ন বয়সী নারীরা প্রাণভরে মেলায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। কিনেছেন প্রসাধনীসহ নানা পণ্য সামগ্রী। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ মেলা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশাল মাঠজুড়ে মেলা বসে। মেলায় স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের দোকান। একপাশে চলছে মোটরসাইকেল ও নাগরদোলা খেলা। নারীরা দলবেঁধে আবার এলোমেলোভাবে দোকানে দোকানে ঘুরছেন। জিনিসপত্র পছন্দ করছেন। দরদাম করে পছন্দের জিনিসটি কিনছেন। আবার অনেকেই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে নানা ধরনের ভাজাপোড়ার দোকানে ভিড় করছেন। সন্তানদের আবদার পূরণে সেগুলো দোকানে বসে বা পাশে দাঁড়িয়ে অনেককে খেতেও দেখা যায়।

নিমাই চন্দ্রের স্ত্রী কল্পনা ঘোষ, তার বোন হিরা, ছেলে আকাশ ও মেয়ে নুপুরকে নিয়ে বউ মেলায় এসেছেন। তিনি বলেন, মেলা থেকে বিভিন্ন ধরনের খেলনা, কসমেটিকস, হাত পাখা, কাঠের সামগ্রী, মিষ্টান্ন সামগ্রী কিনেছি। ছেলে-মেয়েকে বাইক খেলা দেখিয়েছি। নাগরদোলায় চড়ে ওরা ব্যাপক আনন্দ করেছে।

মেলায় আসা সালমা, সুমাইয়া আক্তার, মুন্নী আক্তারসহ একাধিক নারী জানান, বাড়ির কাছে মেলা হওয়ায় সকালে একদফা আসেন তারা। বিকেলে আরেকদফা মেলায় আসেন। অনেক কিছু খেয়েছেন। মেলা থেকে কিছু সাংসারিক জিনিসপত্র কেনা হয়েছে। পাশাপাশি সন্তানদের জন্য নানা ধরনের খেলনা সামগ্রী কিনেছেন। বাদ যায়নি মিষ্টান্ন সামগ্রী কেনা। বউ মেলাটি তাদের ভীষণ আনন্দ দিয়েছে।

মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য আনিছুর রহমান বলেন, প্রত্যেক বছর চৈত্রের বারুণী তিথির দ্বিতীয়দিনে এখানে বউ মেলার আয়োজন করা হয়। তবে এবার তিথি অনুযায়ী মেলা হয়নি। রোজার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। তাই ঈদের পরপরই বৈশাখ মাসে এসে ঐতিহ্যবাহী মেলাটি হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বউ মেলায় এসে বিভিন্ন বয়সী নারীরা নানা ধরনের জিনিসপত্র কিনেছেন। এছাড়া এবার মেলা জাঁকজমকভাবে হওয়ায় সময়সীমা আরও দু-একদিন বাড়তে পারে।