ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাহুবলের স্নানঘাটে মোবাইল বিক্রির ঘটনায় ফের সংঘর্ষের আশংকা!

বাহুবলের স্নানঘাট গ্রামে মোবাইল বিক্রিকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ এপ্রিল সোমবার স্নানঘাট বাজারে। টানা কয়েকঘন্টা মুখোমুখি সংঘর্ষের পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বাহুবল থানা পুলিশের চেষ্টায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

পরে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন,সালিশি বিচারক আবিদ আলী,ইমাম উদ্দিনসহ অন্যান্য মুরব্বিদের সালিশতায় বিচারের দিন তারিখ ঠিক করা হয়। জানা গেছে আগামী সোমবার ৮ এপ্রিল স্নানঘাট ইউনিয়ন অফিসে বিচার অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নানান প্রশ্ন? স্থানীয়দের দেয়া তথ্য থেকে জানা যায়, যদি ইউনিয়ন অফিস বিচার অনুষ্ঠিত হয় এতে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি সংঘর্ষের আশংকা বিরাজ করছে।

নাম প্রকাশে স্থানীয় একজন সচেতন বাসিন্দা জানান,বিচার যদি ইউনিয়ন অফিসে অনুষ্ঠিত হয়,এতে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে শতভাগ। বিচারের স্থান দু’পক্ষের একদম নিকটে হওয়ায় মারামারির ঘটনা ঘটবে স্থানীয়দের ধারণা।

অতিথেও স্নানঘাট ইউনিয়ন অফিসে বিচার চলাকালীন সময়ে মারামারি, হাতাহাতি, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসীর দাবী সালিশি বিচার অন্য কোন গ্রামে,অথবা উপজেলা সদরে করা হউক। এতে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি কোন আশংকা থাকবে না।
এ বিষয়ে বাহুবল-নবীগঞ্জের এএসপি’র হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহুবলের স্নানঘাটে মোবাইল বিক্রির ঘটনায় ফের সংঘর্ষের আশংকা!

আপডেট সময় ০৯:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

বাহুবলের স্নানঘাট গ্রামে মোবাইল বিক্রিকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ এপ্রিল সোমবার স্নানঘাট বাজারে। টানা কয়েকঘন্টা মুখোমুখি সংঘর্ষের পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বাহুবল থানা পুলিশের চেষ্টায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

পরে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন,সালিশি বিচারক আবিদ আলী,ইমাম উদ্দিনসহ অন্যান্য মুরব্বিদের সালিশতায় বিচারের দিন তারিখ ঠিক করা হয়। জানা গেছে আগামী সোমবার ৮ এপ্রিল স্নানঘাট ইউনিয়ন অফিসে বিচার অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নানান প্রশ্ন? স্থানীয়দের দেয়া তথ্য থেকে জানা যায়, যদি ইউনিয়ন অফিস বিচার অনুষ্ঠিত হয় এতে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি সংঘর্ষের আশংকা বিরাজ করছে।

নাম প্রকাশে স্থানীয় একজন সচেতন বাসিন্দা জানান,বিচার যদি ইউনিয়ন অফিসে অনুষ্ঠিত হয়,এতে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে শতভাগ। বিচারের স্থান দু’পক্ষের একদম নিকটে হওয়ায় মারামারির ঘটনা ঘটবে স্থানীয়দের ধারণা।

অতিথেও স্নানঘাট ইউনিয়ন অফিসে বিচার চলাকালীন সময়ে মারামারি, হাতাহাতি, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসীর দাবী সালিশি বিচার অন্য কোন গ্রামে,অথবা উপজেলা সদরে করা হউক। এতে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি কোন আশংকা থাকবে না।
এ বিষয়ে বাহুবল-নবীগঞ্জের এএসপি’র হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।