ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঘিরে নানা বিতর্ক শৈলকুপা শাহী মসজিদের ৩১ লাখ টাকা গায়েব, মোতাওয়াল্লির বিরুদ্ধে আত্মসাতের অভিযোগ চা দোকানির অ্যাকাউন্টে জুয়ার কোটি টাকা, তিন দিনেই লেনদেন ২ কোটি ২৬ লাখ আত্রাইয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন তাড়াইলে বড় পর্দায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এনসিপির নেতৃত্বের ওপর ক্ষোভ, পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন শ্রীমঙ্গলে ১২০ লিটার চোলাইমদসহ অটোরিকশা জব্দ, গ্রেপ্তার ১ শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গোপালগঞ্জে ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি বোরহানউদ্দিনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি বালু বিক্রির উৎসব, ইউএনও জহিরুল আলমের সহযোগিতার অভিযোগ

ভালুকায় সাত বছরের শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি ছোট কাশর চৌরাস্তা (লবণ কুঠার রোড) এলাকায় অবস্থিত ‘মাদ্রাসাতুত তাকওয়া বালক ও বালিকা শাখা’র এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে আবাসিক, অনাবাসিক ও ডে-কেয়ার চালুর পাশাপাশি নূরানি কিন্ডারগার্টেন, নাজেরা বিভাগ, হিফজ বিভাগ এবং মহিলা মাদ্রাসা পরিচালনার কথা বলা হলেও এর আড়ালে বিভিন্ন অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ওই প্রতিষ্ঠানে বসেই নিয়মিত কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। চিকিৎসার নামে প্রতিদিন তাঁর কাছে ১০ থেকে ২০ জন নারী আসতেন বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।

শিশুটির প্রতি অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। পরে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

শিক্ষার নামে বাণিজ্য ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছোট কাশর এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রকৃত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিবর্তে শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার মানের পাশাপাশি কোমলমতি শিশু ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভার উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঘিরে নানা বিতর্ক

ভালুকায় সাত বছরের শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি ছোট কাশর চৌরাস্তা (লবণ কুঠার রোড) এলাকায় অবস্থিত ‘মাদ্রাসাতুত তাকওয়া বালক ও বালিকা শাখা’র এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে আবাসিক, অনাবাসিক ও ডে-কেয়ার চালুর পাশাপাশি নূরানি কিন্ডারগার্টেন, নাজেরা বিভাগ, হিফজ বিভাগ এবং মহিলা মাদ্রাসা পরিচালনার কথা বলা হলেও এর আড়ালে বিভিন্ন অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ওই প্রতিষ্ঠানে বসেই নিয়মিত কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। চিকিৎসার নামে প্রতিদিন তাঁর কাছে ১০ থেকে ২০ জন নারী আসতেন বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।

শিশুটির প্রতি অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। পরে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

শিক্ষার নামে বাণিজ্য ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছোট কাশর এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রকৃত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিবর্তে শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার মানের পাশাপাশি কোমলমতি শিশু ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।