ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডি মনিরুজ্জামানের হাতে সব ক্ষমতা দুঃখের কথা শুনেই সহায়তার হাত বাড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, যুবদল নেতা আল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে টোলের নামে চাঁদাবাজি, ক্ষুব্ধ পর্যটক ও যাত্রীরা ১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ভোটার স্থানান্তরের আবেদনের সময় বাড়ল ১ নভেম্বর পর্যন্ত উখিয়ায় এসআই কিবরিয়াসহ ৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ১ লাখ ইয়াবা ও পিস্তল গায়েবের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বদলে ‘কম ক্ষতিকর’ প্রধানমন্ত্রী চান গাজাবাসী বরগুনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

এনবিআরে যোগ দিতে গিয়ে জানলেন নিয়োগপত্র জাল

চাকরি পাওয়ার আনন্দ নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) যোগ দিতে এসেছিলেন এক যুবক। কিন্তু কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর হাতে থাকা নিয়োগপত্রটি জাল। এতে চাকরির আশায় থাকা ওই যুবকের স্বপ্নভঙ্গ হয়।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ ঘটনা সামনে আসে। চাকরিপ্রার্থী মো. সৌভিক রহমান ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে যোগদান করতে এসে জানতে পারেন, তাঁর নিয়োগপত্রসহ সংশ্লিষ্ট চিঠিপত্রগুলো জাল। ভুয়া নিয়োগপত্র দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

এ বিষয়ে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ বলেন, এনবিআরের লোগো ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা ওই নিয়োগপত্রে রাজস্ব খাতের ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে ১৬তম গ্রেডে আটজন প্রার্থীর নাম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চাকরি দেওয়ার কথা বলে সংঘবদ্ধ একটি প্রতারক চক্র বেকার তরুণ-তরুণীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, জাল নিয়োগপত্রে মেধাক্রম অনুসারে মাকসুদা আক্তার মুক্তি, সাথী রানী দাস, মো. আবু সাইম, মো. আকতার হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, মো. সৌভিক রহমান, মো. মাসুদ রানা ও মো. ইউসুফ আলীর নাম রয়েছে।

তালিকায় থাকা সৌভিক রহমান মঙ্গলবার সকালে ওই নিয়োগপত্র নিয়ে এনবিআরে যোগদান করতে হাজির হন। পরে বোর্ডে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পদে কোনো নিয়োগপ্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেনি এনবিআর। পুরো নিয়োগপত্রটিই ভুয়া।

প্রতারণার এ ঘটনায় চক্রটি অত্যন্ত সুকৌশলে সরকারি স্মারক নম্বর, ওয়েবসাইটের তথ্য এবং এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমানের নাম ও স্বাক্ষর জাল করেছে বলে জানা গেছে। নিয়োগপত্রে আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শর্তও যুক্ত করা হয়েছিল, যাতে প্রার্থীরা সহজে সন্দেহ না করেন।

দেশের বিভিন্ন এলাকার বেকার চাকরিপ্রার্থীদের লক্ষ্য করে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডি মনিরুজ্জামানের হাতে সব ক্ষমতা

এনবিআরে যোগ দিতে গিয়ে জানলেন নিয়োগপত্র জাল

আপডেট সময় ০৯:০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

চাকরি পাওয়ার আনন্দ নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) যোগ দিতে এসেছিলেন এক যুবক। কিন্তু কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর হাতে থাকা নিয়োগপত্রটি জাল। এতে চাকরির আশায় থাকা ওই যুবকের স্বপ্নভঙ্গ হয়।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ ঘটনা সামনে আসে। চাকরিপ্রার্থী মো. সৌভিক রহমান ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে যোগদান করতে এসে জানতে পারেন, তাঁর নিয়োগপত্রসহ সংশ্লিষ্ট চিঠিপত্রগুলো জাল। ভুয়া নিয়োগপত্র দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

এ বিষয়ে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ বলেন, এনবিআরের লোগো ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা ওই নিয়োগপত্রে রাজস্ব খাতের ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে ১৬তম গ্রেডে আটজন প্রার্থীর নাম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চাকরি দেওয়ার কথা বলে সংঘবদ্ধ একটি প্রতারক চক্র বেকার তরুণ-তরুণীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, জাল নিয়োগপত্রে মেধাক্রম অনুসারে মাকসুদা আক্তার মুক্তি, সাথী রানী দাস, মো. আবু সাইম, মো. আকতার হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, মো. সৌভিক রহমান, মো. মাসুদ রানা ও মো. ইউসুফ আলীর নাম রয়েছে।

তালিকায় থাকা সৌভিক রহমান মঙ্গলবার সকালে ওই নিয়োগপত্র নিয়ে এনবিআরে যোগদান করতে হাজির হন। পরে বোর্ডে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পদে কোনো নিয়োগপ্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেনি এনবিআর। পুরো নিয়োগপত্রটিই ভুয়া।

প্রতারণার এ ঘটনায় চক্রটি অত্যন্ত সুকৌশলে সরকারি স্মারক নম্বর, ওয়েবসাইটের তথ্য এবং এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমানের নাম ও স্বাক্ষর জাল করেছে বলে জানা গেছে। নিয়োগপত্রে আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শর্তও যুক্ত করা হয়েছিল, যাতে প্রার্থীরা সহজে সন্দেহ না করেন।

দেশের বিভিন্ন এলাকার বেকার চাকরিপ্রার্থীদের লক্ষ্য করে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।