ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টেক্সটাইলের বর্জ্য পানি শোধনে যৌথ গবেষণার উদ্যোগ কারওয়ান বাজার ও কৃষি মার্কেটে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, ২০৪ লিটার সয়াবিন তেল বিনষ্ট পূজার ছুটিতে মেট্রোরেলের ট্রেনের ব্যবধান ১০–২০ মিনিট ঝামেলা নিয়েই জীবন কাটবে, মেনে নিয়েছি’: পরীমনি জামায়াত আমিরের বক্তব্য শুনে মানুষ হাসি-তামাশা করছে: রাশেদ খান নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির সাক্ষাৎকার শুরু এসএসসিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল সৈয়দ আল মাহিদ সিদ্দিক তাজ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী ঔষধ প্রশাসনের ‘আলাদিনের প্রদীপ’ সৈকত কুমার কর: জিম্মি দেশের ওষুধ খাত কুমিল্লায় রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানো, আড়তকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির মামলা

কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে ডিসি ফরিদা ইয়াসমিনের ধমকের অডিও ফাঁস

শেরপুরে প্রায় ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারি ও পাচারের অভিযোগে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) ১৫ জন ডিলার ও তাঁদের পাঁচ সহযোগীসহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিনের সঙ্গে সাবেক সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই অডিওতে মামলা দায়েরের বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে জেলা প্রশাসকের ধমক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ছড়িয়ে পড়া অডিওতে জেলা প্রশাসককে কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনার রিলিজ হবে না। সার মনিটরিং ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডিসি কি না? আপনি রিলিজ নেবেন না এখন। আপনি আমাকে ফরমালি জানাবেন আপনার ডিডির মাধ্যমে। আপনি মামলা করতে গেলেন কেন?’

অডিওতে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘আজকে ডিডি মহোদয়ের অফিসে পুলিশ চলে গেছে। উনি আপনার চেয়ে কত সিনিয়র, হি ইজ লাইক ইউর ফাদার। তাঁকে আপনি বিব্রত করতে পারেন না। আমি তো আপনাকে দেখে মনে করেছিলাম, আপনি সুফি টাইপের মানুষ!’

কথোপকথনের একপর্যায়ে জেলা প্রশাসককে বলতে শোনা যায়, ‘এ বিষয়ে সুরাহা হওয়ার পর আপনি শেরপুর থেকে যাবেন, তার আগে না। ভালো থাকেন।’

এদিকে, সার কালোবাজারি ও পাচারের অভিযোগে ১৫ জন বিসিআইসি ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি সামনে আসার পর এই ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ায় প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘বিষয়টি সরকারকে বিব্রত করতে পারে—এমনটা মনে করে আমি তাঁকে কল দিয়েছিলাম। তবে উনি আমার অনুমতি ছাড়া কল রেকর্ড করা ঠিক হয়নি।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টেক্সটাইলের বর্জ্য পানি শোধনে যৌথ গবেষণার উদ্যোগ

শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির মামলা

কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে ডিসি ফরিদা ইয়াসমিনের ধমকের অডিও ফাঁস

আপডেট সময় ০৮:৩৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুরে প্রায় ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারি ও পাচারের অভিযোগে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) ১৫ জন ডিলার ও তাঁদের পাঁচ সহযোগীসহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিনের সঙ্গে সাবেক সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই অডিওতে মামলা দায়েরের বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে জেলা প্রশাসকের ধমক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ছড়িয়ে পড়া অডিওতে জেলা প্রশাসককে কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনার রিলিজ হবে না। সার মনিটরিং ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডিসি কি না? আপনি রিলিজ নেবেন না এখন। আপনি আমাকে ফরমালি জানাবেন আপনার ডিডির মাধ্যমে। আপনি মামলা করতে গেলেন কেন?’

অডিওতে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘আজকে ডিডি মহোদয়ের অফিসে পুলিশ চলে গেছে। উনি আপনার চেয়ে কত সিনিয়র, হি ইজ লাইক ইউর ফাদার। তাঁকে আপনি বিব্রত করতে পারেন না। আমি তো আপনাকে দেখে মনে করেছিলাম, আপনি সুফি টাইপের মানুষ!’

কথোপকথনের একপর্যায়ে জেলা প্রশাসককে বলতে শোনা যায়, ‘এ বিষয়ে সুরাহা হওয়ার পর আপনি শেরপুর থেকে যাবেন, তার আগে না। ভালো থাকেন।’

এদিকে, সার কালোবাজারি ও পাচারের অভিযোগে ১৫ জন বিসিআইসি ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি সামনে আসার পর এই ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ায় প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘বিষয়টি সরকারকে বিব্রত করতে পারে—এমনটা মনে করে আমি তাঁকে কল দিয়েছিলাম। তবে উনি আমার অনুমতি ছাড়া কল রেকর্ড করা ঠিক হয়নি।’