ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএর মাহবুবুর রহমানের সিন্ডিকেটে জিম্মি গ্রাহকরা বিআইডব্লিউটিএর প্রধান প্রকৌশলী ফরহাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সোনাইমুড়ী সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ গোয়াইনঘাটে এলজিইডির ডিজাইন টিমের সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন উৎসবমুখর পরিবেশে শাহ্ আলী গার্লস স্কুল শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ খামারবাড়ির উপপরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হকের বিদায় সংবর্ধনা পৌরসভা কার্যালয়ে ঢুকে চাঁদা দাবি, হত্যার হুমকি; গ্রেপ্তার ১ পার্বতীপুরে মোস্তফাপুর ইউনিয়ন ভবন পূর্বের স্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পাথরঘাটায় গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ, দুই লাখ টাকা দাবির মামলা বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭

পৌরসভা কার্যালয়ে ঢুকে চাঁদা দাবি, হত্যার হুমকি; গ্রেপ্তার ১

নাটোরের লালপুরে গোপালপুর পৌরসভা কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করে চাঁদা দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জিয়া হোসেন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মধুবাড়ী (ভাঙ্গাপাড়া) গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিয়া হোসেন ওই গ্রামের মৃত শামসের আলীর ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর পৌরসভার সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে জিয়া হোসেনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আগামী বাজেটে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এরপর থেকে বিভিন্ন কৌশলে নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করতে থাকেন জিয়া হোসেন।

চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে ভয়ে তাঁকে দুই হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে জিয়া হোসেনসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০ থেকে ১২ জন গোপালপুর পৌরসভা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করার পাশাপাশি ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী থানায় মামলা করেন নজরুল ইসলাম।

মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন লালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এ জে মিন্টু। তদন্তের অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার নিজ বাড়ি থেকে জিয়া হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএর মাহবুবুর রহমানের সিন্ডিকেটে জিম্মি গ্রাহকরা

পৌরসভা কার্যালয়ে ঢুকে চাঁদা দাবি, হত্যার হুমকি; গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় ০৯:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

নাটোরের লালপুরে গোপালপুর পৌরসভা কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করে চাঁদা দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জিয়া হোসেন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মধুবাড়ী (ভাঙ্গাপাড়া) গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিয়া হোসেন ওই গ্রামের মৃত শামসের আলীর ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর পৌরসভার সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে জিয়া হোসেনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আগামী বাজেটে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এরপর থেকে বিভিন্ন কৌশলে নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করতে থাকেন জিয়া হোসেন।

চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে ভয়ে তাঁকে দুই হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে জিয়া হোসেনসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০ থেকে ১২ জন গোপালপুর পৌরসভা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করার পাশাপাশি ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী থানায় মামলা করেন নজরুল ইসলাম।

মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন লালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এ জে মিন্টু। তদন্তের অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার নিজ বাড়ি থেকে জিয়া হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।