কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের চাপায় পাখি ভ্যানে থাকা নারীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ভ্যানে থাকা আরও এক নারী যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদ্রাসার সামনে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন পাখি ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম ও পাখি ভ্যানের যাত্রী ভানুমতি (৫৫)।
নিহত ভানুমতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া এলাকার স্বস্তিপুর গ্রামের হাসেম আলীর স্ত্রী। তিনি জামাইবাড়ি নওদা আজমপুরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। নিহত ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুরের আব্দুল সাত্তারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে একটি পাখি ভ্যানে কয়েকজন যাত্রী যাচ্ছিলেন। ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে যাওয়ায় সেটি সড়কের ওপর পড়ে যায়। পেছন থেকে আসা মেহেরপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ভ্যানটিকে চাপা দেয়। এতে ভ্যানটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ভানুমতি মারা যান। নিহত ভানুমতির সঙ্গে থাকা তাঁর মেয়ে হাসিনা ও ভ্যানচালক গুরুতর আহত হন।
পরে আমলা পুলিশ ক্যাম্প ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহতদের উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডাক্তার ইকবাল হোসেন বলেন, আইসিইউতে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম মারা যান।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























