ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীসহ ফেনী-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কে জোরদার নিরাপত্তা, সক্রিয় এসআরবি-১১ আত্রাইয়ে রাজস্ব খাতের আওতায় পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে: মাহ্দী আমিন একাধিক হ’ত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবিএম সিদ্দিক প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে একনেকে অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প বিদেশে আমার এক টাকাও খুঁজে পেলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ ছাত্রলীগ নেতা থেকে ‘রেলের বাদশা’ রাজনীতির রং বদলে ফের গুরুত্বপূর্ণ পদে সফিকুর সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত মুজিব হত্যাকারীকে হস্তান্তর, জুলাই হ’ত্যা’কারীদের কেন নয়: ভারতকে রিজভী তাড়াইলে ১০ দিন ধরে কিশোর তামিম নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

একাধিক হ’ত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবিএম সিদ্দিক প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবিএম সিদ্দিক প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিএম সিদ্দিক বনানী থানার সিআর মামলা নম্বর ২৭৫/২০২৬-এর ১০ নম্বর আসামি। এছাড়াও তিনি হাতিরঝিল থানার সিআর মামলা নম্বর ১২১৪/২০২৪-এর ৭ নম্বর আসামি এবং তেজগাঁও থানার সিআর মামলা নম্বর ৯/৯২৬-এর ৫ নম্বর আসামি।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামিরা কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

এক অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়—যেমন বনানী, হাতিরঝিল, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁওয়ে—আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তৎকালীন সরকারের সমর্থকদের অর্থায়নে পরিচালিত ক্যাডার বাহিনী এসব হামলা চালায়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় তার অর্থায়নের ফলে একাধিক ছাত্র নিহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হত্যা মামলার এই আসামি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এবিএম সিদ্দিক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এনজিওর মাধ্যমে শত কোটি টাকার সরকারি ও বেসরকারি কাজ ভাগিয়ে নেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আসামি এবিএম সিদ্দিক তৎকালীন সরকারের ছায়াতলে থেকে আঁতাত করে চলতেন এবং বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছেন। পরোক্ষভাবে তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মামলাগুলোর বাদীরা জানান, তারা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন, অথচ প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তারা সরাসরি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এখন পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এর ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীসহ ফেনী-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কে জোরদার নিরাপত্তা, সক্রিয় এসআরবি-১১

একাধিক হ’ত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবিএম সিদ্দিক প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে

আপডেট সময় ০৩:১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবিএম সিদ্দিক প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিএম সিদ্দিক বনানী থানার সিআর মামলা নম্বর ২৭৫/২০২৬-এর ১০ নম্বর আসামি। এছাড়াও তিনি হাতিরঝিল থানার সিআর মামলা নম্বর ১২১৪/২০২৪-এর ৭ নম্বর আসামি এবং তেজগাঁও থানার সিআর মামলা নম্বর ৯/৯২৬-এর ৫ নম্বর আসামি।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামিরা কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

এক অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়—যেমন বনানী, হাতিরঝিল, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁওয়ে—আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তৎকালীন সরকারের সমর্থকদের অর্থায়নে পরিচালিত ক্যাডার বাহিনী এসব হামলা চালায়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় তার অর্থায়নের ফলে একাধিক ছাত্র নিহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হত্যা মামলার এই আসামি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এবিএম সিদ্দিক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এনজিওর মাধ্যমে শত কোটি টাকার সরকারি ও বেসরকারি কাজ ভাগিয়ে নেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আসামি এবিএম সিদ্দিক তৎকালীন সরকারের ছায়াতলে থেকে আঁতাত করে চলতেন এবং বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছেন। পরোক্ষভাবে তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মামলাগুলোর বাদীরা জানান, তারা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন, অথচ প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তারা সরাসরি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এখন পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এর ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।