ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নামজারিতে ঘুষের অভিযোগ

বহুতল ভবনসহ সাড়ে ৫ কোটি টাকার সম্পদের মালিক আলিমউদ্দিন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১০:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯ বার পড়া হয়েছে

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার চাকরি করে নরসিংদীর মতো শহরে বহুতল ভবন এছাড়াও রয়েছে তাহার শিবপুর একটি ৫ শতাংশ প্লট, বাসাইল দুইটি একটি ৩ শতাংশ আরেকটি ৮ শতাংশ প্লট,আট তলা বিশিষ্ট ডুবলেক্স ভিলা (বহুতল ভবন) সহ যার আনুমানিক মূল্য সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা। তিনি মাসে ইনকাম করেন কত টাকা,আর তার সরকারি বেতন কত টাকা, তার এত আয়ের উৎস কোথায় সূত্রে জানা যায়, আলিমউদ্দিন পুটিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় হারিদোয়া নদীর উপরে একাধিক স্থাপনা নির্মাণের বিল্ডিং হতে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণ ও প্রতি নামজারি হতে ৫,০০০ হাজার হতে ৫০,০০০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করে আর যদি পর্চা বা দলিলে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায় তাহলে ১ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘোষ গ্রহণ করেছেন ক্ষেত্র বিশেষ জমির পরিমাণ ও মূল্য বুঝে।

সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ও ফোর লাইনের রাস্তার একজনের জায়গা আরেকজনের নামে এবং নাল জমি দোকানপাট, বাড়ির নামে অধিগ্রহণের পরিবর্তন করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত সহ তার ব্যাপক দুর্নীতি ঘুষ গ্রহণের প্রমাণাদি নিয়ে একাধিক পত্রপত্রিকায়, অনলাইন, ইউটিউব, টিভি চ্যানেলসহ তার বিরুদ্ধে নিউজ ভাইরাল হয়েছিল আর সেই অভিযোগের কারণে তার পানিশমেন্ট না করে তৎকালীন শিবপুর উপজেলা এসিলেন্ট সাহেব তাকে পুরস্কৃত করে, মনোহরদী চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে তার সাথে আলাপ করলে বিভিন্ন সময় তিনি বলতেন আমি তো এসব টাকা একা খাই না আমাকে উপরও দিতে হয়, না দিলে আমি এই ভাল সেন্টারে থাকতে পারতাম না আমাকে দূরদূরান্তে বদলি করত। পুটিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তে থাকা অবস্থায় বিসিকশিল্প এলাকায় বিভিন্ন নামজারি হতে তিনি মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করতেন বলে একাধিক ব্যক্তি জানান। একই জমি তিনি দুই ব্যক্তির নামে নামজারি করে দিয়ে দিতেন টাকা পেলে প্রথমে তিনি আকাবর মোল্লার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে নামজারি করেন, পরবর্তীতে একই জমি একই দাগ খতিয়ানভুক্ত জমি রাসেলের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তাকেও এক বছর পরে নামজারি করে দেন বলে জানা যায়।

অবশেষে আকাব্বর মোল্লা জানতে পেরে পরবর্তীতে যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তারপর তিনি বলেন উনারও তো কাগজপত্র দেখিয়েছে ওনার দলিল আছে তাই ওনার নামজারি দিয়েছি, ভাই আপনি মিস কেইস করেন আমি আপনার নামজারি পুনরায় দিয়ে দিব ওনারটা কেঁটে। তারপর ভুক্তভোগি আকাবর মোল্লার ছেলে মহসিন মোল্লা তাকে অফিসে পিটাইতে গেলে সে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিযে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে পুনরায় সংশোধন করে দিবে বলে মুছলেকা দেয়।
নরসিংদী জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনি এসব অসাধু ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব নেন, তার ব্যাপারে যথাযথ আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন আর বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন দুদকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সুশীল সমাজ।

দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো: আলিমউদ্দিনের সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা সম্পদের আয়ের উৎস কোথায় দেশবাসীর জানতে চায়।জনশ্রুতি আছে পুটিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় তার একজন সহকারি ছিল ও তার ১০ জন সক্রিয় দালাল চক্রের মাধ্যমে সে এলাকাভিত্তিক কাজগুলি সংগ্রহ করত তার পর যখন তাকে দুর্নীতির দায়ে মনোহরদী চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করার পর ঐখানে ও নাকি সে তার দালাল চক্র সিন্ডিকেট তৈরি করে ফেলেছে বলে জানা যায়।শীঘ্রই তার সহকারী এবং দালাল চক্রের মুখোশ উম্মোচন করা হবে। তার আরো সম্পত্তি নামে বেনামে রয়েছে অনুসন্ধান চলছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিশরে বাস উল্টে ২২ জনের মৃত্যু

নামজারিতে ঘুষের অভিযোগ

বহুতল ভবনসহ সাড়ে ৫ কোটি টাকার সম্পদের মালিক আলিমউদ্দিন

আপডেট সময় ১০:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার চাকরি করে নরসিংদীর মতো শহরে বহুতল ভবন এছাড়াও রয়েছে তাহার শিবপুর একটি ৫ শতাংশ প্লট, বাসাইল দুইটি একটি ৩ শতাংশ আরেকটি ৮ শতাংশ প্লট,আট তলা বিশিষ্ট ডুবলেক্স ভিলা (বহুতল ভবন) সহ যার আনুমানিক মূল্য সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা। তিনি মাসে ইনকাম করেন কত টাকা,আর তার সরকারি বেতন কত টাকা, তার এত আয়ের উৎস কোথায় সূত্রে জানা যায়, আলিমউদ্দিন পুটিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় হারিদোয়া নদীর উপরে একাধিক স্থাপনা নির্মাণের বিল্ডিং হতে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণ ও প্রতি নামজারি হতে ৫,০০০ হাজার হতে ৫০,০০০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করে আর যদি পর্চা বা দলিলে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায় তাহলে ১ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘোষ গ্রহণ করেছেন ক্ষেত্র বিশেষ জমির পরিমাণ ও মূল্য বুঝে।

সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ও ফোর লাইনের রাস্তার একজনের জায়গা আরেকজনের নামে এবং নাল জমি দোকানপাট, বাড়ির নামে অধিগ্রহণের পরিবর্তন করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত সহ তার ব্যাপক দুর্নীতি ঘুষ গ্রহণের প্রমাণাদি নিয়ে একাধিক পত্রপত্রিকায়, অনলাইন, ইউটিউব, টিভি চ্যানেলসহ তার বিরুদ্ধে নিউজ ভাইরাল হয়েছিল আর সেই অভিযোগের কারণে তার পানিশমেন্ট না করে তৎকালীন শিবপুর উপজেলা এসিলেন্ট সাহেব তাকে পুরস্কৃত করে, মনোহরদী চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে তার সাথে আলাপ করলে বিভিন্ন সময় তিনি বলতেন আমি তো এসব টাকা একা খাই না আমাকে উপরও দিতে হয়, না দিলে আমি এই ভাল সেন্টারে থাকতে পারতাম না আমাকে দূরদূরান্তে বদলি করত। পুটিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তে থাকা অবস্থায় বিসিকশিল্প এলাকায় বিভিন্ন নামজারি হতে তিনি মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করতেন বলে একাধিক ব্যক্তি জানান। একই জমি তিনি দুই ব্যক্তির নামে নামজারি করে দিয়ে দিতেন টাকা পেলে প্রথমে তিনি আকাবর মোল্লার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে নামজারি করেন, পরবর্তীতে একই জমি একই দাগ খতিয়ানভুক্ত জমি রাসেলের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তাকেও এক বছর পরে নামজারি করে দেন বলে জানা যায়।

অবশেষে আকাব্বর মোল্লা জানতে পেরে পরবর্তীতে যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তারপর তিনি বলেন উনারও তো কাগজপত্র দেখিয়েছে ওনার দলিল আছে তাই ওনার নামজারি দিয়েছি, ভাই আপনি মিস কেইস করেন আমি আপনার নামজারি পুনরায় দিয়ে দিব ওনারটা কেঁটে। তারপর ভুক্তভোগি আকাবর মোল্লার ছেলে মহসিন মোল্লা তাকে অফিসে পিটাইতে গেলে সে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিযে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে পুনরায় সংশোধন করে দিবে বলে মুছলেকা দেয়।
নরসিংদী জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনি এসব অসাধু ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব নেন, তার ব্যাপারে যথাযথ আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন আর বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন দুদকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সুশীল সমাজ।

দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো: আলিমউদ্দিনের সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা সম্পদের আয়ের উৎস কোথায় দেশবাসীর জানতে চায়।জনশ্রুতি আছে পুটিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় তার একজন সহকারি ছিল ও তার ১০ জন সক্রিয় দালাল চক্রের মাধ্যমে সে এলাকাভিত্তিক কাজগুলি সংগ্রহ করত তার পর যখন তাকে দুর্নীতির দায়ে মনোহরদী চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করার পর ঐখানে ও নাকি সে তার দালাল চক্র সিন্ডিকেট তৈরি করে ফেলেছে বলে জানা যায়।শীঘ্রই তার সহকারী এবং দালাল চক্রের মুখোশ উম্মোচন করা হবে। তার আরো সম্পত্তি নামে বেনামে রয়েছে অনুসন্ধান চলছে।