ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশি নাগরিকদের ফের অভিবাসী ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মুকসুদপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও র‍্যালি ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ: কুমিল্লায় পুলিশ সুপারের সঙ্গে নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় পঞ্চগড়ে নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগরে লঘুচাপ, দেশের ৪ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ বড়লেখায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের আত্রাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত দেশে ফিরল লিবিয়ায় বন্দি ১৭৪ জন বাংলাদেশি

মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

জরিমানা ছাড়া মোটরযানের যাবতীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র (যেমন : ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা যাবে।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব কাগজপত্র হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

এর আগে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে মোটরযান বিক্রয়ের পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে এখন থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান বিক্রয় করার পর তার মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক।

কিন্তু ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে যে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এতে বিক্রেতাকে বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে পুরনো মালিককেই ওই মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০% অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে। যা বিক্রেতার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেবা সহজীকরণের বিষয়ে বিআরটিএ জানিয়েছে, বর্তমানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত করা হয়েছে। এখন অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক প্রদান করতে পারছেন।

এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাদের দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কঠোরভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন করা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশি নাগরিকদের ফের অভিবাসী ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

আপডেট সময় ০৭:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জরিমানা ছাড়া মোটরযানের যাবতীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র (যেমন : ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা যাবে।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব কাগজপত্র হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

এর আগে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে মোটরযান বিক্রয়ের পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে এখন থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, কোনো মোটরযান বিক্রয় করার পর তার মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক।

কিন্তু ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে যে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এতে বিক্রেতাকে বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে পুরনো মালিককেই ওই মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০% অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে। যা বিক্রেতার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেবা সহজীকরণের বিষয়ে বিআরটিএ জানিয়েছে, বর্তমানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত করা হয়েছে। এখন অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক প্রদান করতে পারছেন।

এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাদের দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কঠোরভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন করা হচ্ছে।