সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম আমিন বাজারে কাভার্ড ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে মাদ্রাসাছাত্র নি’হ’ত, আহত ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার অপরিবর্তিত থাকছে ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা

অতিরিক্ত বিলের কারণ ও সমাধানের উপায় জানালেন বিদ্যুৎ সচিব

সদ্য বিদায়ী মাস জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অসংখ্য অভিযোগ এসেছে। এর নির্দিষ্ট কিছু কারণ ও সম্ভাব্য সমাধানের উপায় জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে ‘ভূতুড়ে বিল’ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের কারণ জানিয়ে মিরানা মাহরুখ বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুন মাসে বিল বৃদ্ধি শুধুমাত্র ট্যারিফ বৃদ্ধির কারণে নয়, বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধিও অন্যতম একটি কারণ। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্রাহকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চতর স্ল্যাবের কারণে অনেকের বিল বেড়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে আমরা করণিক ভুল শনাক্ত করেছি এবং সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যথাযথভাবে প্রতিকার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে একটি করণিক ভুল হয়েছিল। সেখানে এক গ্রাহকের ইউনিট ৭০ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করণিক ভুলের কারণে সেটি ৭০০ ইউনিট হয়ে যায়। ফলে বিদ্যুতের মূল্য দিয়ে যখন এ ইউনিটকে গুণ করা হয়, তখন অস্বাভাবিক একটি বিল এসেছে। এ ক্ষেত্রে করণিক ভুলের জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে গ্রাহককে তার বিল সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ সচিব বলেন, ভূতুড়ে বিলের অভিযোগ অনুসন্ধান ও সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না পড়ে। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল সম্পর্কে কোনো সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। প্রয়োজন হলে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনর্যাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অতিরিক্ত বিলের কারণ ও সমাধানের উপায় জানালেন বিদ্যুৎ সচিব

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

সদ্য বিদায়ী মাস জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অসংখ্য অভিযোগ এসেছে। এর নির্দিষ্ট কিছু কারণ ও সম্ভাব্য সমাধানের উপায় জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে ‘ভূতুড়ে বিল’ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের কারণ জানিয়ে মিরানা মাহরুখ বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুন মাসে বিল বৃদ্ধি শুধুমাত্র ট্যারিফ বৃদ্ধির কারণে নয়, বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধিও অন্যতম একটি কারণ। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্রাহকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চতর স্ল্যাবের কারণে অনেকের বিল বেড়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে আমরা করণিক ভুল শনাক্ত করেছি এবং সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যথাযথভাবে প্রতিকার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে একটি করণিক ভুল হয়েছিল। সেখানে এক গ্রাহকের ইউনিট ৭০ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করণিক ভুলের কারণে সেটি ৭০০ ইউনিট হয়ে যায়। ফলে বিদ্যুতের মূল্য দিয়ে যখন এ ইউনিটকে গুণ করা হয়, তখন অস্বাভাবিক একটি বিল এসেছে। এ ক্ষেত্রে করণিক ভুলের জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে গ্রাহককে তার বিল সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ সচিব বলেন, ভূতুড়ে বিলের অভিযোগ অনুসন্ধান ও সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না পড়ে। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল সম্পর্কে কোনো সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। প্রয়োজন হলে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনর্যাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।