ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ মোবাইল কোর্টের অভিযানে হেলমেট না পরায় ৫ মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য গোসিংগা ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: পবিপ্রবি উপাচার্য বর্তমানে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন, ব্যাংক লুটের খবর নেই : পার্থ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মিলন রানীর পাশে উপজেলা প্রশাসন জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করলে আল্লাহ আমাদের ছেড়ে দেবেন না : ডা. শফিকুর রহমান

বিধি লঙ্ঘন করে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম

মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মূল পদ স্থপতি। যদিও এই পদেও নিয়োগের বৈধতা নেই। প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা ছাড়াই এই পদে চাকরি নিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে এই পদের অতিরিক্ত হিসেবে একই সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ পদও অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। তাও দু’একদিন বা দু’এক মাস নয়- দীর্ঘ ২২ বছর। যদিও এই পদে দায়িত্ব পালনের মতো যোগ্যতা নেই মোটেই। সিটি কর্পোরেশনের স্থপতি পদ ৬ষ্ঠ গ্রেডের, অন্যদিকে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ৪র্থ গ্রেডের। সরকারের বিধি-বিধান অনুযায়ী ৬ষ্ঠ গ্রেডের কোনো কর্মকর্তাকে ৪র্থ গ্রেডের পদের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও সিরাজুল ইসলাম উপরের মহলে প্রভাব খাটিয়ে ও ঘুষ লেনদেন করে অবৈধভাবে এই পদটি দীর্ঘকাল ধরে দখল করে রেখেছেন। অবাক ব্যাপার হলো, ২০১১ সালে সিটি কর্পোরেশেন ভাগ হওয়ার পর ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ পদে দায়িত্ব পালনের লিখিত কোনো আদেশ বা নথিতে অনুমোদন নেই। তৎকালীন মেয়রের মৌখিক নির্দেশে তিনি এই পদে বহাল থেকেছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক তদন্তে এসব ভয়াবহ অনিয়মের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনে দায়ের করা এক অভিযোগ এবং কমিশনের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ তদন্ত কার্যটি পরিচালিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. মনিরুল ইসলাম এটি তদন্ত করেন। গত ৭ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তিনি। তদন্ত প্রতিবেদনের মতামত বা সুপারিশ কলামে বলা হয়েছে, “প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান সংক্রান্ত বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ‘স্থপতি’ পদের কর্মকর্তাকে ‘প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ’ পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানে বিদ্যমান বিধি-বিধানের ব্যত্যয় ঘটেছে। এছাড়া মৌখিক আদেশে প্রদত্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই।”
মো. সিরাজুল ইসলামের মূল যে পদ- “স্থপতি”, আদতে এই পদে চাকরিতে প্রবেশের যোগ্যতা-অভিজ্ঞতাও তার নেই। তিনি যখন এই পদে চাকরিতে প্রবেশ করেন তাতে চাওয়া হয়েছিল ন্যূনতম স্নাতক এবং ‘স্থপতি’ পদে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা। এর কোনোটিই তার ছিল না। তিনি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি ডিপ্লোমা ডিগ্রি দাখিল করেন চাকরিতে ইন্টারভিউয়ের যোগ্যতা হিসেবে, যদিও এটি মোটেই গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ, সোভিয়েত ইউনিয়নের এই “ডিপ্লোমা” সার্টিফিকেট বাংলাদেশের “স্নাতক ডিগ্রি”র সমতূল্য কিনা- এ ব্যাপারে বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতামত নেওয়াটা অপরিহার্য ছিল। কিন্তু সিরাজুল ইসলাম তা নেননি বা চাকরির আবেদনের সময় জমা দেননি। শিক্ষাগত যোগ্যতার এই সার্টিফিকেট সম্পর্কে ড. মো. মনিরুল ইসলামের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের স্থপতি ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ (অ. দা.) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-এর স্থাপত্য বিদ্যায় স্নাতক অর্জন সংক্রান্ত ডিগ্রীর সমতাকরণ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সার্টিফিকেটমূলে করা উচিত ছিল। তবে, সমতাকরণ সম্পর্কিত দাখিলকৃত প্রটোকল এর বৈধতার বিষয়টি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে পারে।”
ছাত্রলীগ পরিচয়ে অবৈধভাবে সিটি কর্পোরেশনের চাকরিতে প্রবেশ
সিরাজুল ইসলাম চাকরিতে প্রবেশ করেন আওয়ামী লীগের আগের আমলে ১৯৯৭ সালে। ওই সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত তফসিল এবং চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে ‘স্থপতি’ পদে নিয়োগের জন্য যেসব শর্ত দেওয়া হয় তাতে বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্য বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি প্রাপ্ত হতে হবে। এবং কোনো সরকারি বা আধা সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নগর স্থাপত্য বিষয়ক কাজে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। কিন্তু সিরাজুল ইসলামের এ ধরণের কোনো যোগ্যতাই ছিলো না। তিনি কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্য বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রিধারী নন। এমনকি সমমানের ডিগ্রিও তার নেই, যদিও সমমানের ডিগ্রির কথা চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ‘সমমান’ গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো সরকারি, আধা সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নগর স্থাপত্য বিষয়ক কাজে কখনো নিযুক্তও ছিলেন না তিনি। অর্থাৎ এ সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাও তার ছিল না। ৩০ জুন, ১৯৯৪ সালে ইউক্রেনের একটি ইনস্টিটিউট হতে রাশান ভাষায় ডিপ্লোমা প্রাপ্ত একটি সনদ দিয়ে চাকরি নেন তিনি। যেটি স্থপতি পদে চাকরিতে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্তের সাথে কোনোই মিল ছিল না। এছাড়া স্থপতি পদে নিয়োগের জন্য কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। কিন্তু দেখা গে…

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি

বিধি লঙ্ঘন করে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম

আপডেট সময় ১২:১৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মূল পদ স্থপতি। যদিও এই পদেও নিয়োগের বৈধতা নেই। প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা ছাড়াই এই পদে চাকরি নিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে এই পদের অতিরিক্ত হিসেবে একই সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ পদও অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। তাও দু’একদিন বা দু’এক মাস নয়- দীর্ঘ ২২ বছর। যদিও এই পদে দায়িত্ব পালনের মতো যোগ্যতা নেই মোটেই। সিটি কর্পোরেশনের স্থপতি পদ ৬ষ্ঠ গ্রেডের, অন্যদিকে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ৪র্থ গ্রেডের। সরকারের বিধি-বিধান অনুযায়ী ৬ষ্ঠ গ্রেডের কোনো কর্মকর্তাকে ৪র্থ গ্রেডের পদের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও সিরাজুল ইসলাম উপরের মহলে প্রভাব খাটিয়ে ও ঘুষ লেনদেন করে অবৈধভাবে এই পদটি দীর্ঘকাল ধরে দখল করে রেখেছেন। অবাক ব্যাপার হলো, ২০১১ সালে সিটি কর্পোরেশেন ভাগ হওয়ার পর ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ পদে দায়িত্ব পালনের লিখিত কোনো আদেশ বা নথিতে অনুমোদন নেই। তৎকালীন মেয়রের মৌখিক নির্দেশে তিনি এই পদে বহাল থেকেছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক তদন্তে এসব ভয়াবহ অনিয়মের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনে দায়ের করা এক অভিযোগ এবং কমিশনের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ তদন্ত কার্যটি পরিচালিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. মনিরুল ইসলাম এটি তদন্ত করেন। গত ৭ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তিনি। তদন্ত প্রতিবেদনের মতামত বা সুপারিশ কলামে বলা হয়েছে, “প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান সংক্রান্ত বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ‘স্থপতি’ পদের কর্মকর্তাকে ‘প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ’ পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদানে বিদ্যমান বিধি-বিধানের ব্যত্যয় ঘটেছে। এছাড়া মৌখিক আদেশে প্রদত্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই।”
মো. সিরাজুল ইসলামের মূল যে পদ- “স্থপতি”, আদতে এই পদে চাকরিতে প্রবেশের যোগ্যতা-অভিজ্ঞতাও তার নেই। তিনি যখন এই পদে চাকরিতে প্রবেশ করেন তাতে চাওয়া হয়েছিল ন্যূনতম স্নাতক এবং ‘স্থপতি’ পদে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা। এর কোনোটিই তার ছিল না। তিনি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি ডিপ্লোমা ডিগ্রি দাখিল করেন চাকরিতে ইন্টারভিউয়ের যোগ্যতা হিসেবে, যদিও এটি মোটেই গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ, সোভিয়েত ইউনিয়নের এই “ডিপ্লোমা” সার্টিফিকেট বাংলাদেশের “স্নাতক ডিগ্রি”র সমতূল্য কিনা- এ ব্যাপারে বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতামত নেওয়াটা অপরিহার্য ছিল। কিন্তু সিরাজুল ইসলাম তা নেননি বা চাকরির আবেদনের সময় জমা দেননি। শিক্ষাগত যোগ্যতার এই সার্টিফিকেট সম্পর্কে ড. মো. মনিরুল ইসলামের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের স্থপতি ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ (অ. দা.) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-এর স্থাপত্য বিদ্যায় স্নাতক অর্জন সংক্রান্ত ডিগ্রীর সমতাকরণ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সার্টিফিকেটমূলে করা উচিত ছিল। তবে, সমতাকরণ সম্পর্কিত দাখিলকৃত প্রটোকল এর বৈধতার বিষয়টি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে পারে।”
ছাত্রলীগ পরিচয়ে অবৈধভাবে সিটি কর্পোরেশনের চাকরিতে প্রবেশ
সিরাজুল ইসলাম চাকরিতে প্রবেশ করেন আওয়ামী লীগের আগের আমলে ১৯৯৭ সালে। ওই সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত তফসিল এবং চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে ‘স্থপতি’ পদে নিয়োগের জন্য যেসব শর্ত দেওয়া হয় তাতে বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্য বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি প্রাপ্ত হতে হবে। এবং কোনো সরকারি বা আধা সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নগর স্থাপত্য বিষয়ক কাজে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। কিন্তু সিরাজুল ইসলামের এ ধরণের কোনো যোগ্যতাই ছিলো না। তিনি কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্য বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রিধারী নন। এমনকি সমমানের ডিগ্রিও তার নেই, যদিও সমমানের ডিগ্রির কথা চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ‘সমমান’ গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো সরকারি, আধা সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নগর স্থাপত্য বিষয়ক কাজে কখনো নিযুক্তও ছিলেন না তিনি। অর্থাৎ এ সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাও তার ছিল না। ৩০ জুন, ১৯৯৪ সালে ইউক্রেনের একটি ইনস্টিটিউট হতে রাশান ভাষায় ডিপ্লোমা প্রাপ্ত একটি সনদ দিয়ে চাকরি নেন তিনি। যেটি স্থপতি পদে চাকরিতে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্তের সাথে কোনোই মিল ছিল না। এছাড়া স্থপতি পদে নিয়োগের জন্য কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। কিন্তু দেখা গে…