জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর শীর্ষ দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় এক নারী সাংবাদিককে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমন ঘটনার পর নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ডিএমপির চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন ক্রাইম ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল “প্রতিদিনের আলো” এর ক্রাইম রিপোর্টার মোসাঃ ছায়মা আক্তার শিখা (৩৪)। জিডি নম্বর ৯৯৫।
১৭ মে করা জিডির আবেদনে অভিযোগকারী উল্লেখ করে জানান, তার পিতা মো. মীম আক্কাছ আলী। মাতা মোসাঃ নাসরিন বেগম। তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা- ৫২/১ হোসেনী দালান রোড, চকবাজার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে সকাল ১১টা ০৭ মিনিটে তিনি “জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক মোঃ মাসুদ রানা দুর্নীতি ও বিদেশগামীদের নানা কায়দায় জিম্মি করে অঢেল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী তিনি শুধু দুর্নীতির মাধ্যমে দেশে নয়, বিদেশেও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ ও আবাসন গড়ে তুলেছেন। তার এসব কথা বিএমইটির কর্মকর্তা কর্মচারীদের মুখে মুখে বলাবলি হচ্ছে। এরমধ্য মালয়েশিয়া ও দুবাইতে রয়েছে ভিলা রয়েছে। এসব অভিযোগ নিয়ে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমানসহ একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন প্রতিদিনের আলোর অনলাইন পোর্টালে। সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তাকে অনলাইন থেকে রিপোর্ট তুলে ফেলাসহ বিভিন্নভাবে টেলিফোনে আবার কখনো হোয়াটসঅ্যাপে চাপ ও অনবরত হুমকি দেওয়া শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
জিডিতে আরো উল্লেখ করা হয়, একই দিন রাত ৮টা ৫৭ মিনিটে একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচয়দানকারী বি এম শাহ্ আলম, যার মোবাইল নম্বর- ০১৭৪৫০৩১১৪৩ থেকে সাংবাদিক ছায়মা আক্তার শিখার মোবাইল নম্বর ০১৪০৪৬৫০৪১১-এ কল করে প্রকাশিত সংবাদটি ডিলেট করার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার জের ধরে উল্টোপাল্টা হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এতেই শেষ নয়, পরবর্তীতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মোবাইল নম্বর- ০১৬২৬-৪০৩৬১৭ থেকে সাংবাদিকের ব্যবহৃত নম্বর ০১৪০৪৬৫০৪১১-এ ফোন করে বলা হয়, তার WhatsApp-এ কিছু বার্তা পাঠানো হয়েছে। পরে একই নম্বরের WhatsApp আইডি থেকে সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন আপত্তিকর, অশালীন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনমূলক বার্তা পাঠানো হয় বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক দাবি করেন, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি ও মানসিক চাপের মধ্যে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে তার নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি জিডিতে আশংকার কথা উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি চকবাজার থানায় উপস্থিত হয়ে সাধারণ ডায়েরি করেন। পুলিশ অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন বলে অভিযোগকারী সাংবাদিক জানিয়েছেন।
দুর্নীতিবাজ মাসুদ রানার পক্ষে নারী সাংবাদিককে টেলিফোনে হুমকি প্রদানকারী, বি এম শাহ্ আলমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭৪৫০৩১১৪৩-এ বক্তব্য নিতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর কর্মকর্তার নামে বেনামে অঢেল সম্পদের রহস্য উদঘাটনে মোহাম্মদপুরের একজন বাসিন্দা দুর্নীতি দমন কমিশনে নামে বেনামে অর্জিত সম্পদের বিস্তারিত উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। সেইসব অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে প্রতিদিনের আলো পত্রিকার অনুসন্ধানী দলের। এছাড়াও আরো অনেক পত্রিকার ও অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক বৃন্দরা । বিস্তারিত জানতে সাথে থাকুন। তথ্যদাতাদের কাছে দুর্নীতির কোন তথ্য থাকলে সেটি আমাদেরকে জানাতে পারেন। আমরা নির্ভয়ে তথ্য প্রকাশ করবো। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরো, কাকরাইল ঢাকার পরিচালক মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদানের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি, চাঁদাবাজির মামলা এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করেন। এমনকি ভুয়া সাংবাদিক ও মাস্তান বাহিনী ব্যবহার করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী দাবি করেন, মাসুদ রানা জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে কর্মরত অবস্থায় রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশগামী শ্রমিকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও তোলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান নিকেতন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও উত্তরাসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ি রয়েছে তার। এছাড়া সাভারে প্রায় ৫০ বিঘা জমি এবং নেত্রকোনায় বিলাসবহুল বাড়ির তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে শত কোটি টাকার সঞ্চয় রয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।
অভিযোগকারী আরও বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীন অনুসন্ধান কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে মাসুদ রানা বিভিন্ন মহলের প্রভাব ব্যবহার করছেন। এ অবস্থায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা,
অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং মাসুদ রানাকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরো, পরিচালক মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, ঘুষ, দুর্নীতি, অর্থ পাচার এবং সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদানের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি, চাঁদাবাজির মামলা এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করেন। এমনকি ভুয়া সাংবাদিক ও সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়, মাসুদ রানা দীর্ঘদিন ধরে জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে কর্মরত অবস্থায় রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশগামী শ্রমিকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও তোলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী জানান, মাসুদ রানা ও তার পরিবারের নামে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আফতাব নগর, উত্তরা, পূর্বাচল, সাভার, মিরপুর ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট ও প্লট রয়েছে। এছাড়া নেত্রকোনা ও গাজীপুরে বিপুল পরিমাণ জমি ক্রয়ের তথ্যও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তার স্ত্রীর নামেও কোটি কোটি টাকার সম্পদ থাকার দাবি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়া ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে বাড়ি ও সম্পদ গড়েছেন মাসুদ রানা। দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে শত শত কোটি টাকা জমা রয়েছে এবং বিদেশে অর্থ পাচারের তথ্যও রয়েছে বলে অভিযোগকারী দাবি করেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, ছাত্রলীগের ক্যাডারদের অর্থ সহায়তা এবং ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী বলেন, এসব বিষয়ে সাংবাদিকরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করলে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
অভিযোগকারী আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাসুদ রানার অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা এবং তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬মে প্রকাশিত নিউজ হলো জনশক্তি ব্যুরোর পরিচালক মাসুদ রানা দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদ গড়েছেন, মালয়েশিয়া ও দুবাইতে রয়েছে ভিলা
জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, বিদেশগামী শ্রমিকদের হয়রানি, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
তার বিরুদ্ধে নানা কৌশলে সরকারী টাকা আত্মসাৎ করারও অভিযোগও রয়েছে। আওয়ামী সরকারের সময়ে সহকর্মীদের ল্যাং করে পরিচালক পদ বাগিয়ে কিভাবে শত শত কোটি টাকার মালিক বনেছেন তা নিয়ে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যই গুজ্ঞন চলছে এটা কিভাবে সম্ভব?
এসব অজানা তথ্য জানতে ভহক্তভোগীরা পরিচালক মাসুদ রানার অবৈধ টাকা কামাইয়ের রহস্য জানতে প্রশাসনের কাছে দিচ্ছেন একের পর এক অভিযোগ। সর্বশেষ গত ১২ মে জনপ্রশাসন ও প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের সচিবের কাছে একটি অভিযোগ জমা পড়েছে। ওই লিখিত অভিযোগটি দিয়েছেন ক্ষুব্ধ মো. মন্টু মিয়া নামের ব্যক্তি ।
তিনি তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, মো. মাসুদ রানা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশগামী শ্রমিকদের কাছ থেকে নানা কৌশলে ফাইল আটকিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন। যদিও তিনি প্রশাসনের দায়িত্বে রয়েছেন। অভিযোগকারীর দাবি, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিদেশগামী কর্মীদের বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে হয়রানি করে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। একই সাথে সারাদেশে যত টিটিসি রয়েছে সেগুলোর অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঢাকায় তলব করে তার রুমে ডেকে এনে বৈঠক করেন। এরপর তাদেরকে ইচ্ছামতো বদলী করেন। এসব বৈঠকের বেশীরভাগ সময় তার রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকে।
খোজ নিয়ে ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো-এর পরিচালক মো. মাসুদ রানা নেত্রকোনা জেলার মহনগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামের মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তার জাতীয় পরিচয় পত্র নং ৭৩৪১ ৬৫৫১৯৪ টিআইএন নং-৬৫৫১৫০৪৫৬৮১৯, কর সার্কেল-৮৮, কর অঞ্চল-০৪, ঢাকা।
বর্তমান বাসার ঠিকানা: বাসা-৬৫/৩, পশ্চিম আগারগাও।
তার স্ত্রী উম্মে ছালমা শেখ। তার পিতার নাম-আফতাব উদ্দিন শেখ। তার জাতীয় পরিচয় পত্র নং ৭৭৮৯ ৮২ ১১ ০০ , টিআইএন নং-৪২০৫৭১৭৯১৪১৯, কর সার্কেল-২০৭, কর অঞ্চল-১০, ঢাকা, ঠিকানা. একই।
মোহাম্মদ ঝন্টু মিয়ার ছেলে অভিযোগকারী মো. মন্টু মিয়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে তিনি নিয়োগ বাণিজ্য ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে পুনরায় কর্মস্থলে বহাল আছেন। বিগত সরকারের আমলে ফ্যাসিষ্ট মন্ত্রী ,এমপি ও প্রভাবশালী নেতাদের সহযোগিতায় একের পর এক ঘুষ- দুর্নীতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়েছেন। যা এখনো চলছে। সবাই তাকে বিএমইটিতে অঘোষিত’ ডিজি’ হিসাবে মনে করেন।
নতুন ডিজি যিনি আসেন তাকেই তিনি তার মতো করে পরিচালনা করেন। আর এসবই তিনি অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করেন থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মাসুদ রানার অবৈধভাবে গড়া বিত্ত বৈভবের বিষয়ে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তার এবং তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশান নিকেতন ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া উত্তরা এলাকায় দুটি বাড়ি, সাভারে প্রায় কয়েক বিঘা জমি এবং গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায় বিলাসবহুল বাড়ি, জমি থাকার তথ্য রয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা রয়েছে। মো. মাসুদ রানা মালয়েশিয়াতে মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড রয়েছে। শুধু তাই নয় দুবাইতে জনৈক রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিকের সাথে জনশক্তি ব্যবসা রয়েছে। পাশাপাশি দুবাইয়ে ভিলা ও গোল্ড ব্যবসা রয়েছে বলে নানা সুত্র থেকে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন এবং একাধিক দামি গাড়ি ব্যবহার করেন।
তার বিরুদ্ধে সঠিকভাবে তদন্ত শুরু হলে তার অবৈধ অঢেল সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির আরও বিস্তর তথ্য বেরিয়ে আসবে। তিনি সরাসরি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এখন ভোল পাল্টানোর চেষ্টা করছেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে আজ শনিবার পরিচালক মো. মাসুদ রানার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু তিনি প্রতিবারই ফোন কেটে দিচ্ছেন। ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি জবাব দেননি।
মন্ত্রনালয়ে দেয়া অভিযোগকারীর দাবি সুষ্ঠ তদন্ত করা হলে মাসুদ রানা যে ৪ থেকে ৫’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন তার সব রহস্য বেরিয়ে আসবে।
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএমইটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে হত্যার হুমকি
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - আপডেট সময় ০২:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
- ৮২৩ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ


























