শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিত হওয়া সংসদীয় নির্বাচনে ঝিনাইগাতীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে।
সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড় বাড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি লক্ষ্য করা গেছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পুনঃতফসিল অনুযায়ী অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের প্রার্থী আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মাকসবাদী) মনোনীত মিজানুর রহমান।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করছে এবং ৪টি টিম রিজার্ভ হিসেবে প্রস্তুত রয়েছে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সার্বিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির তিনজন যুগ্ম জেলা জজ মাঠে রয়েছেন। সেনাবাহিনীর একাধিক টিমও দায়িত্ব পালন করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ থেকে ৬ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া
মোঃ শাহ্ আলম, জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর 



















