ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে মসজিদ ও কবরস্থানের জায়গা দখলের অভিযোগ

চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় মসজিদ ও কবরস্থানের জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে। শুধু মসজিদ ও কবরস্থানের জায়গাই নয় ওই এলাকার অসংখ্য মানুষ এস আলম গুপের রোষানলের শিকার। তাদের ভুক্তভোগিরা থানা পুলিশে গেলে কোন বিচার পাচ্ছেনা। এ অবস্থায় এস আলম গ্রুপের রোষানল থেকে বাঁচার আকুতি জানিয়েছে ভুক্তভোগিরা। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিশেন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগি আবুল ফজল সিকদার এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালের তার ৩৪ একর পৈত্রিক সম্পত্তি মৌখিক চুক্তিতে দখলে নেয় এস আলম গ্রুপ। পরে টাকা না দিয়ে নানা তালবাহানা করতে থাকে। ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা করেও কোন টাকা দেয়নি। এক পর্যােয়ে ফজল সিকদার আদালতে মামলা করেন। তাছাড়া ওই গ্রুপের অত্যাচার থেকে বাঁচতে স্থানীয় ভুক্তভোগিরা বিভিন্ন সময় আন্দোলনও করেছিলেন। ওই সময় বেশকজন নিহত হয়েছিলেন আন্দোলন করতে গিয়ে। বর্তমানে এস আলম গ্রুপের কর্মকর্তাদের নানা হুমকিতে পরিবার নিয়ে অন্যত্র বাস করছেন ফজল সিকদার। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগিরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে মসজিদ ও কবরস্থানের জায়গা দখলের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:০৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় মসজিদ ও কবরস্থানের জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে। শুধু মসজিদ ও কবরস্থানের জায়গাই নয় ওই এলাকার অসংখ্য মানুষ এস আলম গুপের রোষানলের শিকার। তাদের ভুক্তভোগিরা থানা পুলিশে গেলে কোন বিচার পাচ্ছেনা। এ অবস্থায় এস আলম গ্রুপের রোষানল থেকে বাঁচার আকুতি জানিয়েছে ভুক্তভোগিরা। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিশেন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগি আবুল ফজল সিকদার এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালের তার ৩৪ একর পৈত্রিক সম্পত্তি মৌখিক চুক্তিতে দখলে নেয় এস আলম গ্রুপ। পরে টাকা না দিয়ে নানা তালবাহানা করতে থাকে। ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা করেও কোন টাকা দেয়নি। এক পর্যােয়ে ফজল সিকদার আদালতে মামলা করেন। তাছাড়া ওই গ্রুপের অত্যাচার থেকে বাঁচতে স্থানীয় ভুক্তভোগিরা বিভিন্ন সময় আন্দোলনও করেছিলেন। ওই সময় বেশকজন নিহত হয়েছিলেন আন্দোলন করতে গিয়ে। বর্তমানে এস আলম গ্রুপের কর্মকর্তাদের নানা হুমকিতে পরিবার নিয়ে অন্যত্র বাস করছেন ফজল সিকদার। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগিরা।