ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়লেখায় উপজেলা প্রশাসন,উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত। নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন : অপু বিশ্বাস আহসান মঞ্জিলে বর্ষবরণ: পরিচ্ছন্ন ও তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার আগামী বছরেই বগুড়াতে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মন্ত্রীর পাশের চেয়ারে বসা নিয়ে হাতাহাতি, অতঃপর… ময়মনসিংহ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের নারী কেলেঙ্কারি চাঁদপুরে মাদরাসায় ভাঙচুর-লুটের প্রতিবাদে মানববন্ধন সাভারে সোয়া কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক মুরাদনগরে ‘ধর্মমন্ত্রীর’ উপস্থিতিতে বিএনপি নেতা হাফেজ মোহাম্মদ জানাজা ও দাফন সম্পন্ন কোচিংয়ে আসছেন লেভেল থ্রি কোর্স পাস করা রাজ্জাক

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২০ লাখ ইউরো দিল ইইউ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) নতুন সহায়তা দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ লাখ ইউরো অনুদান দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সহায়তার ফলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপিতে ইইউর মোট অবদান এক কোটি ৫৩ লাখ ইউরোতে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান ডেভিড জাপ্পা বলেন, ২০২৫ সাল বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল। তবুও ইইউ রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংকটে থাকা মানুষের প্রতি সংহতি এবং সমর্থন ইইউর নীতির মধ্যে নিহিত। আমরা দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরপেক্ষ এবং চাহিদাভিত্তিক মানবিক সহায়তা দানে ডব্লিউএফপির মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। ডব্লিউএফপি ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ মানুষ এই সহায়তার আওতায় রয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার নতুন আগতও অন্তর্ভুক্ত।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন লসন পার্চমেন্ট বলেন, আমরা ইইউকে তাদের সময়োপযোগী অবদান এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ২০২৬ সালে যেহেতু চাহিদা আগের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এই ধরনের সহায়তা আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নবম বছরে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা সংকট এখনও গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে– তহবিলের বড় ঘাটতি। ২০২৬ সালে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থের প্রয়োজন হবে। নতুন অর্থ সহায়তা না এলে এপ্রিলের শুরু থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড়লেখায় উপজেলা প্রশাসন,উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত।

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২০ লাখ ইউরো দিল ইইউ

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) নতুন সহায়তা দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ লাখ ইউরো অনুদান দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সহায়তার ফলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপিতে ইইউর মোট অবদান এক কোটি ৫৩ লাখ ইউরোতে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান ডেভিড জাপ্পা বলেন, ২০২৫ সাল বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল। তবুও ইইউ রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংকটে থাকা মানুষের প্রতি সংহতি এবং সমর্থন ইইউর নীতির মধ্যে নিহিত। আমরা দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরপেক্ষ এবং চাহিদাভিত্তিক মানবিক সহায়তা দানে ডব্লিউএফপির মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। ডব্লিউএফপি ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ মানুষ এই সহায়তার আওতায় রয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার নতুন আগতও অন্তর্ভুক্ত।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন লসন পার্চমেন্ট বলেন, আমরা ইইউকে তাদের সময়োপযোগী অবদান এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ২০২৬ সালে যেহেতু চাহিদা আগের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এই ধরনের সহায়তা আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নবম বছরে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা সংকট এখনও গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে– তহবিলের বড় ঘাটতি। ২০২৬ সালে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থের প্রয়োজন হবে। নতুন অর্থ সহায়তা না এলে এপ্রিলের শুরু থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।