ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২০ লাখ ইউরো দিল ইইউ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৯৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) নতুন সহায়তা দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ লাখ ইউরো অনুদান দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সহায়তার ফলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপিতে ইইউর মোট অবদান এক কোটি ৫৩ লাখ ইউরোতে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান ডেভিড জাপ্পা বলেন, ২০২৫ সাল বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল। তবুও ইইউ রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংকটে থাকা মানুষের প্রতি সংহতি এবং সমর্থন ইইউর নীতির মধ্যে নিহিত। আমরা দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরপেক্ষ এবং চাহিদাভিত্তিক মানবিক সহায়তা দানে ডব্লিউএফপির মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। ডব্লিউএফপি ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ মানুষ এই সহায়তার আওতায় রয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার নতুন আগতও অন্তর্ভুক্ত।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন লসন পার্চমেন্ট বলেন, আমরা ইইউকে তাদের সময়োপযোগী অবদান এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ২০২৬ সালে যেহেতু চাহিদা আগের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এই ধরনের সহায়তা আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নবম বছরে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা সংকট এখনও গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে– তহবিলের বড় ঘাটতি। ২০২৬ সালে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থের প্রয়োজন হবে। নতুন অর্থ সহায়তা না এলে এপ্রিলের শুরু থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২০ লাখ ইউরো দিল ইইউ

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) নতুন সহায়তা দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ লাখ ইউরো অনুদান দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সহায়তার ফলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপিতে ইইউর মোট অবদান এক কোটি ৫৩ লাখ ইউরোতে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান ডেভিড জাপ্পা বলেন, ২০২৫ সাল বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল। তবুও ইইউ রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংকটে থাকা মানুষের প্রতি সংহতি এবং সমর্থন ইইউর নীতির মধ্যে নিহিত। আমরা দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরপেক্ষ এবং চাহিদাভিত্তিক মানবিক সহায়তা দানে ডব্লিউএফপির মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। ডব্লিউএফপি ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ মানুষ এই সহায়তার আওতায় রয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার নতুন আগতও অন্তর্ভুক্ত।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন লসন পার্চমেন্ট বলেন, আমরা ইইউকে তাদের সময়োপযোগী অবদান এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ২০২৬ সালে যেহেতু চাহিদা আগের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এই ধরনের সহায়তা আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নবম বছরে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা সংকট এখনও গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে– তহবিলের বড় ঘাটতি। ২০২৬ সালে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থের প্রয়োজন হবে। নতুন অর্থ সহায়তা না এলে এপ্রিলের শুরু থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।