সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২০ লাখ ইউরো দিল ইইউ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৪৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) নতুন সহায়তা দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ লাখ ইউরো অনুদান দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সহায়তার ফলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপিতে ইইউর মোট অবদান এক কোটি ৫৩ লাখ ইউরোতে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান ডেভিড জাপ্পা বলেন, ২০২৫ সাল বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল। তবুও ইইউ রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংকটে থাকা মানুষের প্রতি সংহতি এবং সমর্থন ইইউর নীতির মধ্যে নিহিত। আমরা দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরপেক্ষ এবং চাহিদাভিত্তিক মানবিক সহায়তা দানে ডব্লিউএফপির মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। ডব্লিউএফপি ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ মানুষ এই সহায়তার আওতায় রয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার নতুন আগতও অন্তর্ভুক্ত।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন লসন পার্চমেন্ট বলেন, আমরা ইইউকে তাদের সময়োপযোগী অবদান এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ২০২৬ সালে যেহেতু চাহিদা আগের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এই ধরনের সহায়তা আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নবম বছরে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা সংকট এখনও গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে– তহবিলের বড় ঘাটতি। ২০২৬ সালে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থের প্রয়োজন হবে। নতুন অর্থ সহায়তা না এলে এপ্রিলের শুরু থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২০ লাখ ইউরো দিল ইইউ

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) নতুন সহায়তা দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে অতিরিক্ত ২০ লাখ ইউরো অনুদান দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সহায়তার ফলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপিতে ইইউর মোট অবদান এক কোটি ৫৩ লাখ ইউরোতে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান ডেভিড জাপ্পা বলেন, ২০২৫ সাল বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল। তবুও ইইউ রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংকটে থাকা মানুষের প্রতি সংহতি এবং সমর্থন ইইউর নীতির মধ্যে নিহিত। আমরা দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরপেক্ষ এবং চাহিদাভিত্তিক মানবিক সহায়তা দানে ডব্লিউএফপির মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। ডব্লিউএফপি ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ মানুষ এই সহায়তার আওতায় রয়েছে। যার মধ্যে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার নতুন আগতও অন্তর্ভুক্ত।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন লসন পার্চমেন্ট বলেন, আমরা ইইউকে তাদের সময়োপযোগী অবদান এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ২০২৬ সালে যেহেতু চাহিদা আগের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এই ধরনের সহায়তা আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নবম বছরে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা সংকট এখনও গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে– তহবিলের বড় ঘাটতি। ২০২৬ সালে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থের প্রয়োজন হবে। নতুন অর্থ সহায়তা না এলে এপ্রিলের শুরু থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।