সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ জানা গেল ফাইনাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ও সূচি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সংসদে কিল-ঘুষি, থমকে গেল অধিবেশন চীন-মায়ানমার করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে বিনিয়োগ বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী সাবেক এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকের চিঠিকেও পাত্তা দেননি আইএফআইসি চেয়ারম্যান মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তবর্তী ডিমাই বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে অবৈধ মাটি কাটার হিড়িক, টনক নড়ছে না প্রশাসনের ওসমান হাদিকে নিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি গিলাতলা-কালীগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজ পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ, কাজের মান সন্তোষজনক
প্রানীসম্পদ অধিদপ্তর

ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর সহকারী পরিচালক জিল্লুরের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট

প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের মহা ক্ষমতাধর সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমানের বেপরোয়া টেন্ডার, ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর দেশ যখন একটি কলুষমুক্তের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ, ঠিক তখনই প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের বাজেট শাখার সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমানের বেপরোয়া অনিয়ম দুনীতি হিম শিম খাচ্ছেন সাধারণ টীকাদাররা,টেন্ডার কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে জিল্লুর। ফ্যাসিস্ট হাসিনা’র দোসর কিভাবে এখন বহাল আছেন, যা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের।

দুনীতিবাজ জিল্লুরের নেতৃত্বে গড়ে তোলা সিন্ডিকেটের আড়ালে এক ভয়ঙ্কর দানবীয় রাজত্ব কায়েম করেছেন। রক্ষকের মুখোশ খুলে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন এক নির্মম ভক্ষক হিসেবে। যার লোলুপ দৃষ্টি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না সাধারণ ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীরা।

সুত্রে যানা গেছে, জাতীয় প্রানী সম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধিনে প্রানী সম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে কেনা কাটার নামে করেছে ব্যপক হরিলুট জিল্লুর। কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। দপ্তরের মেরামত সংস্কার কেনাকাটা সহ বিভিন্ন ভাবে ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

তাঁর আর্শীবাদ হিসাবে আছেন পরিচালক বাজেট এ বি এম সাইফুজামান। চলতি বছরে প্রানী সম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে বাজেট শাখার থেকে ব্যাগ, কলম, প্যাড এর দরপত্রের আহবান করেন। দরপত্রে অংশ গ্রহণ করেন ৬ টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদারের দরদাতার তালিকায় দেখা যায় সেপ্টি টার্চ নেটওয়ার্ক তাঁরা (২৭৪৮৩৫০)টাকা রেড দেন, পাশাপাশি ব্রাদার্স ট্রেড সোসিং(২৮৯৬৫৪৫) টাকা,বর্নমালা কমিনিউকেশন লিঃ( ২৯৭৪৭৪৮) টাকা, শাখাওয়াত এন্টারপ্রাইজ’ (৩৩৪৭৯৬২,৫০০) টাকা, মোর্সস কমোল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল (৩৫৯০১০৬,১৬৭) টাকা। ধলি এন্টারপ্রাইজ (৩৭৬৮৩৫৬.১৬৭) টাকা দর প্রদান করেন।

শুধু মাত্র তার আর্থিক দুনীতি কারণে চার নাম্বারে ঠীকাদারকে ছয় লক্ষ টাকা বেশী দিয়ে ঐ ঠীকাদার কে কার্য দে-শ প্রদান করেন সহকারী পরিচালক জিল্লুর। এই ভাবে নিয়ম কে অনিয়ম করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মহা ঘুষখোর সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমান। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে কর্মরত থেকে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছেন সু বিশাল সিন্ডিকেট, তাঁর সিন্ডিকেট এর বাহিরে কেনাকাটা সহ অন্য অন্য কাজ পাওয়া কষ্টের বিষয় বলে একাধিক ঠিকাদার গন আজকের সংবাদ কে জানান। জিল্লুর রহমানের নেতৃত্ব চলছে লুটপাট ও হরিলুট। তার আর্শীবাদ হিসাবে আর ও বড় বড় কর্মকর্তারা আছেন বলে বেপরোয়া হয়ে দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে কর্মকর্তার এক ‘রাক্ষসী ক্ষুধা’র চাঞ্চল্যকর তথ্য, তিনি নিজের আখের গোছাতে ‘ কোটি কোটি টাকার মিশনে’ নেমেছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়কে পরেও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরে মৎসব উৎসবে পরিণত করেছেন। তার কৌশল অত্যন্ত ধূর্ত ও ঘৃণ্য। বলে একাধিক ঠিকাদার রা আজকের সংবাদ কে জানান। ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ট্যাগ লাগানো ঐ কর্মকর্তা পতিত লীগ সরকারের দাপটে চাকরি পাওয়া, এখনো বহাল তরিয়াতে আছেন কি ভাবে যা অধদপ্তের সকলের মুখে মুখে। জুলাই আন্দোলনে বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মিছিল মিটিং করে ছিলো। লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা দুনীতিবাজ সহকারী পরিচালক জিল্লুর।

চাকরীতে যোগদান করে তাঁর নেতৃত্বে কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে বলে একাধিক ভুক্তভোগী ঠীকাদার আজকের সংবাদ কে জানান। পরিচালক বাজেট এর সাথে আঁতাত করে তিনি যে বদলি বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গড়েছিলেন, সেখান থেকেও তিনি মাসিক লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সহকারী পরিচালক জিলুর রহমানের লীগের রাজনৈতিক অবস্থান যেন সুবিধাবাদের এক নিকৃষ্ট উদাহরণ। অনুসন্ধানে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লীগের এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর সুপারিশে তিনি চাকরি বাগিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি ছিলেন ক্ষমতার পূজারী। অথচ পটপরিবর্তনের সাথে সাথেই তিনি গিরগিটির মতো রং বদলে ফেলেছেন। এখন বিএনপি পন্থা দাবি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দিনের আলোর মত রাজনৈতিক পটপরিবর্তন তার কাছে কেবল ‘ঠীকাদার শিকার’ ও অর্থ উপার্জনের একটি নতুন সুযোগ মাত্র। নিজেকে সাধু সাজিয়ে তিনি মূলত ব্যক্তিগত পকেট ভারী করছেন।

কেবল আর্থিক দুর্নীতিই নয়, তার বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগ। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকার সুন্দরী নারী দের অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বিঙ্গাপন দিয়ে থাকেন বহু নারীর সম্ভ্রমহানি করেছেন বলে নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক বিঙ্গাপন প্রতিনিধি নারী রা আজকের সংবাদ কে জানান। উক্ত অভিযোগ এর বিষয় সহকারী পরিচালক জিল্লুররহমানের মোবাইলে ফোন দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এর বিষয় জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান তাঁর অধিনে কেনাকাটা নিয়মের মধ্যে হয়েছে এবং তাঁর পরিচালক বাজেট অবগত আছেন। পরিচালক বাজেট সাইফুজামান এর মোবাইলে ফোন দিলে তিনি অতিরিক্ত দরে মালামাল কেনাকাটা বিষয়ে এড়িয়ে যান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ

প্রানীসম্পদ অধিদপ্তর

ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর সহকারী পরিচালক জিল্লুরের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট

আপডেট সময় ০২:১৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের মহা ক্ষমতাধর সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমানের বেপরোয়া টেন্ডার, ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর দেশ যখন একটি কলুষমুক্তের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ, ঠিক তখনই প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের বাজেট শাখার সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমানের বেপরোয়া অনিয়ম দুনীতি হিম শিম খাচ্ছেন সাধারণ টীকাদাররা,টেন্ডার কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে জিল্লুর। ফ্যাসিস্ট হাসিনা’র দোসর কিভাবে এখন বহাল আছেন, যা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের।

দুনীতিবাজ জিল্লুরের নেতৃত্বে গড়ে তোলা সিন্ডিকেটের আড়ালে এক ভয়ঙ্কর দানবীয় রাজত্ব কায়েম করেছেন। রক্ষকের মুখোশ খুলে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন এক নির্মম ভক্ষক হিসেবে। যার লোলুপ দৃষ্টি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না সাধারণ ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীরা।

সুত্রে যানা গেছে, জাতীয় প্রানী সম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধিনে প্রানী সম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে কেনা কাটার নামে করেছে ব্যপক হরিলুট জিল্লুর। কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। দপ্তরের মেরামত সংস্কার কেনাকাটা সহ বিভিন্ন ভাবে ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

তাঁর আর্শীবাদ হিসাবে আছেন পরিচালক বাজেট এ বি এম সাইফুজামান। চলতি বছরে প্রানী সম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে বাজেট শাখার থেকে ব্যাগ, কলম, প্যাড এর দরপত্রের আহবান করেন। দরপত্রে অংশ গ্রহণ করেন ৬ টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদারের দরদাতার তালিকায় দেখা যায় সেপ্টি টার্চ নেটওয়ার্ক তাঁরা (২৭৪৮৩৫০)টাকা রেড দেন, পাশাপাশি ব্রাদার্স ট্রেড সোসিং(২৮৯৬৫৪৫) টাকা,বর্নমালা কমিনিউকেশন লিঃ( ২৯৭৪৭৪৮) টাকা, শাখাওয়াত এন্টারপ্রাইজ’ (৩৩৪৭৯৬২,৫০০) টাকা, মোর্সস কমোল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল (৩৫৯০১০৬,১৬৭) টাকা। ধলি এন্টারপ্রাইজ (৩৭৬৮৩৫৬.১৬৭) টাকা দর প্রদান করেন।

শুধু মাত্র তার আর্থিক দুনীতি কারণে চার নাম্বারে ঠীকাদারকে ছয় লক্ষ টাকা বেশী দিয়ে ঐ ঠীকাদার কে কার্য দে-শ প্রদান করেন সহকারী পরিচালক জিল্লুর। এই ভাবে নিয়ম কে অনিয়ম করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মহা ঘুষখোর সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমান। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে কর্মরত থেকে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছেন সু বিশাল সিন্ডিকেট, তাঁর সিন্ডিকেট এর বাহিরে কেনাকাটা সহ অন্য অন্য কাজ পাওয়া কষ্টের বিষয় বলে একাধিক ঠিকাদার গন আজকের সংবাদ কে জানান। জিল্লুর রহমানের নেতৃত্ব চলছে লুটপাট ও হরিলুট। তার আর্শীবাদ হিসাবে আর ও বড় বড় কর্মকর্তারা আছেন বলে বেপরোয়া হয়ে দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে কর্মকর্তার এক ‘রাক্ষসী ক্ষুধা’র চাঞ্চল্যকর তথ্য, তিনি নিজের আখের গোছাতে ‘ কোটি কোটি টাকার মিশনে’ নেমেছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়কে পরেও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরে মৎসব উৎসবে পরিণত করেছেন। তার কৌশল অত্যন্ত ধূর্ত ও ঘৃণ্য। বলে একাধিক ঠিকাদার রা আজকের সংবাদ কে জানান। ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ট্যাগ লাগানো ঐ কর্মকর্তা পতিত লীগ সরকারের দাপটে চাকরি পাওয়া, এখনো বহাল তরিয়াতে আছেন কি ভাবে যা অধদপ্তের সকলের মুখে মুখে। জুলাই আন্দোলনে বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মিছিল মিটিং করে ছিলো। লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা দুনীতিবাজ সহকারী পরিচালক জিল্লুর।

চাকরীতে যোগদান করে তাঁর নেতৃত্বে কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে বলে একাধিক ভুক্তভোগী ঠীকাদার আজকের সংবাদ কে জানান। পরিচালক বাজেট এর সাথে আঁতাত করে তিনি যে বদলি বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গড়েছিলেন, সেখান থেকেও তিনি মাসিক লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সহকারী পরিচালক জিলুর রহমানের লীগের রাজনৈতিক অবস্থান যেন সুবিধাবাদের এক নিকৃষ্ট উদাহরণ। অনুসন্ধানে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লীগের এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর সুপারিশে তিনি চাকরি বাগিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি ছিলেন ক্ষমতার পূজারী। অথচ পটপরিবর্তনের সাথে সাথেই তিনি গিরগিটির মতো রং বদলে ফেলেছেন। এখন বিএনপি পন্থা দাবি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দিনের আলোর মত রাজনৈতিক পটপরিবর্তন তার কাছে কেবল ‘ঠীকাদার শিকার’ ও অর্থ উপার্জনের একটি নতুন সুযোগ মাত্র। নিজেকে সাধু সাজিয়ে তিনি মূলত ব্যক্তিগত পকেট ভারী করছেন।

কেবল আর্থিক দুর্নীতিই নয়, তার বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগ। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকার সুন্দরী নারী দের অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বিঙ্গাপন দিয়ে থাকেন বহু নারীর সম্ভ্রমহানি করেছেন বলে নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক বিঙ্গাপন প্রতিনিধি নারী রা আজকের সংবাদ কে জানান। উক্ত অভিযোগ এর বিষয় সহকারী পরিচালক জিল্লুররহমানের মোবাইলে ফোন দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এর বিষয় জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান তাঁর অধিনে কেনাকাটা নিয়মের মধ্যে হয়েছে এবং তাঁর পরিচালক বাজেট অবগত আছেন। পরিচালক বাজেট সাইফুজামান এর মোবাইলে ফোন দিলে তিনি অতিরিক্ত দরে মালামাল কেনাকাটা বিষয়ে এড়িয়ে যান।