ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ৫০ ভিক্ষুক পরিবারের পুনর্বাসনে ২৪ লাখ টাকার বকনা গরু বিতরণ জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার ফেনী পাসপোর্ট অফিসের এডি জাহাঙ্গীরকে ঘিরে দালাল সিন্ডিকেটের অভিযোগ সিলেটে দল বদলেছে, দখল বদলায়নি; চাঁদাবাজি চলছে আগের মতোই ডিএনসিসি প্রশাসক ও ঢাকা-১৮ এর এমপির ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগ রায়পুরায় মোমেন মিয়া কে গুলি করে হত্যা, আহত ৩ বরগুনায় ডিবির অভিযানে ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

৩০ দিনে মক্কা, মদিনায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৯২ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় অবস্থিত দুই পবিত্র মসজিদ, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে এক মাসে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি ও দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে। জুমাদিউস সানি মাসে এই সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় ২১ লাখ বেশি।

সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানায়, হিজরি ১৪৪৭ সনের জুমাদিউস সানি মাসে মোট ৬ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী পরিদর্শন করেছেন।

কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এ সময় প্রায় ৩ কোটি মুসল্লি মসজিদুল হারামে ইবাদত করেন। এর মধ্যে ৯৪ হাজার ৭০০ জন কাবা শরিফসংলগ্ন ঐতিহাসিক মাতাফ এলাকায় নামাজ আদায় করেন। একই মাসে মদিনার মসজিদে নববীতে ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য যান ২ কোটি ৩১ লাখ মানুষ। এছাড়া রাসুলের রওজায় প্রবেশের সুযোগ পান ১৩ লাখ মুসল্লি। মহানবী (সা.) এবং তার দুই সাহাবির কবর জিয়ারত করেন আরও ২৩ লাখ মানুষ।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু জুমাদিউস সানি মাসেই দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ১ কোটি ১৯ লাখের বেশি মানুষ ওমরাহ পালন করেছেন। উন্নত সেবা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধার কারণে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বলে জানানো হয়।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, ওই মাসে সৌদি আরবের বাইরে থেকে আগত ওমরাহ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৭ লাখের বেশি। ডিজিটাল সেবা ও সমন্বিত লজিস্টিক ব্যবস্থার ফলে আগমন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত করার সুযোগ বাড়ায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুই পবিত্র মসজিদে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীর এই বাড়তি উপস্থিতি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানদের জন্য হজ, ওমরাহ ও জিয়ারত আরও সহজ ও নিরাপদ করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় কাজ করছে দেশটি। যাত্রা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সৌদি আরব ত্যাগ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় মুসল্লিদের স্বস্তি ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে সেবার মান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল ও পরিচালনাগত ব্যবস্থার উন্নয়ন করে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য আরও সহজ, সুশৃঙ্খল ও প্রশান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকসহ দুই স্বাস্থ্যকর্মীকে বরখাস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩০ দিনে মক্কা, মদিনায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি

আপডেট সময় ১২:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় অবস্থিত দুই পবিত্র মসজিদ, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে এক মাসে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি ও দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে। জুমাদিউস সানি মাসে এই সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় ২১ লাখ বেশি।

সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানায়, হিজরি ১৪৪৭ সনের জুমাদিউস সানি মাসে মোট ৬ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী পরিদর্শন করেছেন।

কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এ সময় প্রায় ৩ কোটি মুসল্লি মসজিদুল হারামে ইবাদত করেন। এর মধ্যে ৯৪ হাজার ৭০০ জন কাবা শরিফসংলগ্ন ঐতিহাসিক মাতাফ এলাকায় নামাজ আদায় করেন। একই মাসে মদিনার মসজিদে নববীতে ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য যান ২ কোটি ৩১ লাখ মানুষ। এছাড়া রাসুলের রওজায় প্রবেশের সুযোগ পান ১৩ লাখ মুসল্লি। মহানবী (সা.) এবং তার দুই সাহাবির কবর জিয়ারত করেন আরও ২৩ লাখ মানুষ।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু জুমাদিউস সানি মাসেই দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ১ কোটি ১৯ লাখের বেশি মানুষ ওমরাহ পালন করেছেন। উন্নত সেবা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধার কারণে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বলে জানানো হয়।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, ওই মাসে সৌদি আরবের বাইরে থেকে আগত ওমরাহ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৭ লাখের বেশি। ডিজিটাল সেবা ও সমন্বিত লজিস্টিক ব্যবস্থার ফলে আগমন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত করার সুযোগ বাড়ায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুই পবিত্র মসজিদে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীর এই বাড়তি উপস্থিতি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানদের জন্য হজ, ওমরাহ ও জিয়ারত আরও সহজ ও নিরাপদ করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় কাজ করছে দেশটি। যাত্রা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সৌদি আরব ত্যাগ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় মুসল্লিদের স্বস্তি ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে সেবার মান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল ও পরিচালনাগত ব্যবস্থার উন্নয়ন করে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য আরও সহজ, সুশৃঙ্খল ও প্রশান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।