ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পোর্টেবল সিগন্যাল লাইট ব্যবহার শুরু পুলিশের ঈদযাত্রায় ‘তেলের টেনশনে’ শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা সালমান আগার রান আউট বিতর্কে যা বলছে এমসিসি ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে নোয়াখালীতে র‍্যাবের কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঈদযাত্রায় সাভারে সড়কে মানুষের ঢল, বেড়েছে গণপরিবহনের চাপ কক্সবাজার সৈকতে বারুণী স্নান ও গঙ্গাপূজায় পুণ্যার্থীর ঢল মতিঝিলে চোর-পুলিশ খেলা, গুলিস্তানে পুলিশের সামনে নতুন নোট বিক্রি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, দুই পরিবহনকে জরিমানা

৩০ দিনে মক্কা, মদিনায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৮৪ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় অবস্থিত দুই পবিত্র মসজিদ, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে এক মাসে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি ও দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে। জুমাদিউস সানি মাসে এই সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় ২১ লাখ বেশি।

সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানায়, হিজরি ১৪৪৭ সনের জুমাদিউস সানি মাসে মোট ৬ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী পরিদর্শন করেছেন।

কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এ সময় প্রায় ৩ কোটি মুসল্লি মসজিদুল হারামে ইবাদত করেন। এর মধ্যে ৯৪ হাজার ৭০০ জন কাবা শরিফসংলগ্ন ঐতিহাসিক মাতাফ এলাকায় নামাজ আদায় করেন। একই মাসে মদিনার মসজিদে নববীতে ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য যান ২ কোটি ৩১ লাখ মানুষ। এছাড়া রাসুলের রওজায় প্রবেশের সুযোগ পান ১৩ লাখ মুসল্লি। মহানবী (সা.) এবং তার দুই সাহাবির কবর জিয়ারত করেন আরও ২৩ লাখ মানুষ।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু জুমাদিউস সানি মাসেই দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ১ কোটি ১৯ লাখের বেশি মানুষ ওমরাহ পালন করেছেন। উন্নত সেবা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধার কারণে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বলে জানানো হয়।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, ওই মাসে সৌদি আরবের বাইরে থেকে আগত ওমরাহ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৭ লাখের বেশি। ডিজিটাল সেবা ও সমন্বিত লজিস্টিক ব্যবস্থার ফলে আগমন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত করার সুযোগ বাড়ায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুই পবিত্র মসজিদে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীর এই বাড়তি উপস্থিতি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানদের জন্য হজ, ওমরাহ ও জিয়ারত আরও সহজ ও নিরাপদ করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় কাজ করছে দেশটি। যাত্রা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সৌদি আরব ত্যাগ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় মুসল্লিদের স্বস্তি ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে সেবার মান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল ও পরিচালনাগত ব্যবস্থার উন্নয়ন করে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য আরও সহজ, সুশৃঙ্খল ও প্রশান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস

৩০ দিনে মক্কা, মদিনায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি

আপডেট সময় ১২:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় অবস্থিত দুই পবিত্র মসজিদ, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে এক মাসে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ মুসল্লি ও দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে। জুমাদিউস সানি মাসে এই সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় ২১ লাখ বেশি।

সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানায়, হিজরি ১৪৪৭ সনের জুমাদিউস সানি মাসে মোট ৬ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী পরিদর্শন করেছেন।

কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এ সময় প্রায় ৩ কোটি মুসল্লি মসজিদুল হারামে ইবাদত করেন। এর মধ্যে ৯৪ হাজার ৭০০ জন কাবা শরিফসংলগ্ন ঐতিহাসিক মাতাফ এলাকায় নামাজ আদায় করেন। একই মাসে মদিনার মসজিদে নববীতে ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য যান ২ কোটি ৩১ লাখ মানুষ। এছাড়া রাসুলের রওজায় প্রবেশের সুযোগ পান ১৩ লাখ মুসল্লি। মহানবী (সা.) এবং তার দুই সাহাবির কবর জিয়ারত করেন আরও ২৩ লাখ মানুষ।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু জুমাদিউস সানি মাসেই দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ১ কোটি ১৯ লাখের বেশি মানুষ ওমরাহ পালন করেছেন। উন্নত সেবা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধার কারণে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বলে জানানো হয়।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, ওই মাসে সৌদি আরবের বাইরে থেকে আগত ওমরাহ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৭ লাখের বেশি। ডিজিটাল সেবা ও সমন্বিত লজিস্টিক ব্যবস্থার ফলে আগমন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত করার সুযোগ বাড়ায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুই পবিত্র মসজিদে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীর এই বাড়তি উপস্থিতি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানদের জন্য হজ, ওমরাহ ও জিয়ারত আরও সহজ ও নিরাপদ করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় কাজ করছে দেশটি। যাত্রা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সৌদি আরব ত্যাগ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় মুসল্লিদের স্বস্তি ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধান কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে সেবার মান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল ও পরিচালনাগত ব্যবস্থার উন্নয়ন করে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য আরও সহজ, সুশৃঙ্খল ও প্রশান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।