গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ‘সাংবাদিক’ পরিচয় ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক প্রতারককে দারুসসালাম থানা পুলিশ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনা বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে, দুঃখজনকভাবে সেসব সংবাদে অপ্রত্যাশিতভাবে ‘দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি’-এর সম্পাদক খাদিজা আক্তার পূর্ণী এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মেছমাউল আলম (মোহন)-এর নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ।
‘দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি’ কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তাদের জ্যেষ্ঠ দুই সংবাদকর্মীর নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রচার করা অপসাংবাদিকতার শামিল। এছাড়াও স্পষ্ট জানিয়েছে প্রকাশিত সংবাদে উল্লিখিত জাহাঙ্গীর আলম নামের সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ব্যক্তি ‘দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি’-এর সংবাদকর্মীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নন। এমনকি, ওই ব্যক্তির সাথে পত্রিকার কোনো যোগসাজশ নেই। ফলে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের কল্যাণপুরের খাজা সুপার মার্কেটের অফিসে সে ব্যক্তিকে ‘দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি’ কর্তৃপক্ষের পাঠানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই।
দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সংবাদগুলোতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শুধুমাত্র মৌখিক তথ্যের ভিত্তিতে পত্রিকার জ্যেষ্ঠ দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ সঠিক কিনা তা যাচাই করার প্রেক্ষিতে প্রচারিত সংবাদে ‘দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি’-এর সম্পাদক খাদিজা আক্তার পূর্ণী ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মেছমাউল আলম (মোহন)-এর কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি।
অপরদিকে ‘দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি’ কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ছাড়াই মামলা গ্রহণের জন্য দারুসসালাম থানা পুলিশের ভূমিকারও নিন্দা প্রকাশ করেছে। ‘দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি’ কর্তৃপক্ষ আশা করে যে সংবাদমাধ্যমগুলো বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে এই বিষয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরবে এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে তাদের জ্যেষ্ঠ কর্মীদের নাম প্রত্যাহার করে নেবে।
আমাদের মাতৃভুমি ডেস্ক 























