সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে যেমন সম্পর্ক থাকবে, তেমনি অন্য দেশের সঙ্গেও থাকবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ ফরিদপুরে শাশুড়ির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে জামাই আটক পাংশায় ঝালমুড়ি খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে  শিশু ধ’র্ষনের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার মির্জাপুরে বিদ্যুৎ এর দাবিতো পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে দুস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন, সেমি ডিপ, নলকূপ, আলমারি ও ল্যাপটপ বিতরণ ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কালুখালীতে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার সশস্ত্র আনসার মোতায়েন ব্যাংকের টাকা লেনদেন নিয়ে নতুন নির্দেশনা, সার্কুলার জারি সালদা সীমান্তে চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ

দুইবার জীবন পেয়ে স্টার্লিংয়ের ফিফটি, প্রথম সেশনে বাংলাদেশের হতাশা

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল আয়ারল্যান্ড। অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি ডাক মারেন। তারপর গল্পটা বাংলাদেশের হতো পারতো। কিন্তু ক্যাচ মিস করে হতাশায় ডুবতে হয়েছে।

সাদমান ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের হাত ফসকে দুইবার জীবন পান পল স্টার্লিং। পঞ্চম ও সপ্তম ওভারে ৮ ও ১০ রান ছিল তখন তার নামের পাশে।

কেড কারমাইকেলের সঙ্গে ২১তম ওভারে আয়ারল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়েন স্টার্লিং। এই জুটিতে আইরিশদের আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৫। পরের ওভারে হাসান মাহমুদকে চার মেরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট ফিফটি করেন ৬১ বলে।
আগের আট টেস্টে স্টার্লিং একটি সেঞ্চুরিও করেন। ২০২৩ সালের এপ্রিলে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০৩ রান করেছিলেন তিনি।

প্রথম সেশনে বাংলাদেশের হতাশা বাড়িয়েছেন স্টার্লিং ও কারমাইকেল। দুজনে মিলে ৯৪ রান যোগ করে লাঞ্চ ব্রেকে গেছেন। ২৬ ওভার শেষে ৫৮ রানে স্টার্লিং ও কারমাইকেল ৩০ রানে অপরাজিত আছেন। বালবির্নির পর আর কোনো উইকেট হারায়নি আয়ারল্যান্ড।

এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে ইনিংসের চতুর্থ বলে বালবির্নিকে আউট করে বাংলাদেশের দারুণ শুরু হয়। তারপর ক্যাচ মিসের মহড়া। টানা তিন ওভারে তিনটি ক্যাচ ফসকে যায়।

দলীয় রানের খাতা না খুলতেই আয়ারল্যান্ড তাদের প্রথম উইকেট হারায়। তবে আউটের সময় অদ্ভুত এক দৃশ্য দেখা গেল।

রিভিউ নেন বালবির্নি। কিন্তু আল্ট্রা এজে ব্যাট ও বলের মধ্যে দূরত্ব দৃশ্যমান থাকলেও দেখাচ্ছিল স্পাইক। চোখের দেখা থেকে আম্পায়ার দৃঢ় কণ্ঠে জানান, বল কোনোভাবেই ব্যাটে লাগেনি। ইম্প্যাক্টে আম্পায়ার্স কল হওয়ায় আউট হন বালবির্নি।

এরপর ক্যাচ মিসের মহড়া। টানা তিন ওভারে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের হাত ফসকে যায় বল।

চতুর্থ ওভারে স্টার্লিং ফিরতে পারতেন। নাহিদ রানার বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন আইরিশ ব্যাটার। বলটি ছুঁতে পারলেও ধরে রাখতে পারেননি সাদমান ইসলাম।

একই ব্যর্থতা পরের ওভারেও। হাসান মাহমুদের বল স্কয়ার লেগে পুল করেন ক্যাড কারমাইকেল। বলটি নিচু হয়ে ধরতে চাইলেও পারেননি তাইজুল। বরং ডান হাতের আঙুল কেটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

ষষ্ঠ ওভারে আরেকবার জীবন পান স্টার্লিং। এবার মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচ মিস করেন। নাহিদ রানার বল গালিতে খেলেছিলেন স্টার্লিং। ডাইভ দিয়েও বল লুফে নিতে ব্যর্থ হন মিরাজ। চোট পেয়ে তাইজুলের পর মাঠ ছাড়েন তিনিও।

এদিন বাংলাদেশের ১০৮তম টেস্ট খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেক হয়েছে অফস্পিনার হাসান মুরাদের। তাকে ক্যাপ পরান আরেক অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে যেমন সম্পর্ক থাকবে, তেমনি অন্য দেশের সঙ্গেও থাকবে

দুইবার জীবন পেয়ে স্টার্লিংয়ের ফিফটি, প্রথম সেশনে বাংলাদেশের হতাশা

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল আয়ারল্যান্ড। অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি ডাক মারেন। তারপর গল্পটা বাংলাদেশের হতো পারতো। কিন্তু ক্যাচ মিস করে হতাশায় ডুবতে হয়েছে।

সাদমান ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের হাত ফসকে দুইবার জীবন পান পল স্টার্লিং। পঞ্চম ও সপ্তম ওভারে ৮ ও ১০ রান ছিল তখন তার নামের পাশে।

কেড কারমাইকেলের সঙ্গে ২১তম ওভারে আয়ারল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়েন স্টার্লিং। এই জুটিতে আইরিশদের আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৫। পরের ওভারে হাসান মাহমুদকে চার মেরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট ফিফটি করেন ৬১ বলে।
আগের আট টেস্টে স্টার্লিং একটি সেঞ্চুরিও করেন। ২০২৩ সালের এপ্রিলে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০৩ রান করেছিলেন তিনি।

প্রথম সেশনে বাংলাদেশের হতাশা বাড়িয়েছেন স্টার্লিং ও কারমাইকেল। দুজনে মিলে ৯৪ রান যোগ করে লাঞ্চ ব্রেকে গেছেন। ২৬ ওভার শেষে ৫৮ রানে স্টার্লিং ও কারমাইকেল ৩০ রানে অপরাজিত আছেন। বালবির্নির পর আর কোনো উইকেট হারায়নি আয়ারল্যান্ড।

এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে ইনিংসের চতুর্থ বলে বালবির্নিকে আউট করে বাংলাদেশের দারুণ শুরু হয়। তারপর ক্যাচ মিসের মহড়া। টানা তিন ওভারে তিনটি ক্যাচ ফসকে যায়।

দলীয় রানের খাতা না খুলতেই আয়ারল্যান্ড তাদের প্রথম উইকেট হারায়। তবে আউটের সময় অদ্ভুত এক দৃশ্য দেখা গেল।

রিভিউ নেন বালবির্নি। কিন্তু আল্ট্রা এজে ব্যাট ও বলের মধ্যে দূরত্ব দৃশ্যমান থাকলেও দেখাচ্ছিল স্পাইক। চোখের দেখা থেকে আম্পায়ার দৃঢ় কণ্ঠে জানান, বল কোনোভাবেই ব্যাটে লাগেনি। ইম্প্যাক্টে আম্পায়ার্স কল হওয়ায় আউট হন বালবির্নি।

এরপর ক্যাচ মিসের মহড়া। টানা তিন ওভারে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের হাত ফসকে যায় বল।

চতুর্থ ওভারে স্টার্লিং ফিরতে পারতেন। নাহিদ রানার বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন আইরিশ ব্যাটার। বলটি ছুঁতে পারলেও ধরে রাখতে পারেননি সাদমান ইসলাম।

একই ব্যর্থতা পরের ওভারেও। হাসান মাহমুদের বল স্কয়ার লেগে পুল করেন ক্যাড কারমাইকেল। বলটি নিচু হয়ে ধরতে চাইলেও পারেননি তাইজুল। বরং ডান হাতের আঙুল কেটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

ষষ্ঠ ওভারে আরেকবার জীবন পান স্টার্লিং। এবার মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচ মিস করেন। নাহিদ রানার বল গালিতে খেলেছিলেন স্টার্লিং। ডাইভ দিয়েও বল লুফে নিতে ব্যর্থ হন মিরাজ। চোট পেয়ে তাইজুলের পর মাঠ ছাড়েন তিনিও।

এদিন বাংলাদেশের ১০৮তম টেস্ট খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেক হয়েছে অফস্পিনার হাসান মুরাদের। তাকে ক্যাপ পরান আরেক অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম।