জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে রেলস্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার এবং চিলাহাটী ট্রেনের যাত্রাবিরতিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে স্থানীয়রা।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ‘আক্কেলপুরবাসী’ ব্যানারে রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বে থাকা স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি চিলাহাটী ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিয়ে তিনি রেল কর্তৃপক্ষকে মনগড়া প্রতিবেদন দেন, যার ফলে ট্রেনটি আক্কেলপুর স্টেশনে থামছে না।
বক্তারা তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা ও অপসারণের দাবি জানান।
আক্কেলপুর রেলস্টেশনে চিলাহাটী এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির সমন্বয়ক ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রউফ মাজেদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাবেক প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম চপল, ইউপি সদস্য মামুনুর রশিদ পিন্টু, কলেজ শিক্ষক খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম তুহিন, মাসুদ চৌধুরী, ছাত্রদল নেতা আরমান হোসেন কাননসহ প্রমুখ।
বক্তারা জানান, আক্কেলপুর ছাড়াও ক্ষেতলাল, দুপচাচিয়া, বদলগাছি ও পত্নীতলা উপজেলার যাত্রীরা এই স্টেশন ব্যবহার করেন। তাই ঢাকাগামী চিলাহাটী এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি এখানে জরুরি। তিলকপুর ইউপি সদস্য মামুনুর রশিদ বলেন, ‘খাদিজা খাতুন বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্বে আছেন। তার অনিয়ম ও দুর্ব্যবহার সহ্য করা হচ্ছে না। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাকে অপসারণ না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’ তবে স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি চিলাহাটী ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিরোধিতা করে কোনো প্রতিবেদন দেইনি।
বর্তমানে সান্তাহার জংশনে অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম) ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘স্টেশন মাস্টারের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ট্রেনের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত হয় না। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জয়পুরহাট প্রতিনিধি 























